শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৫

নির্বাচনে দেরি হলে কার লাভ কার ক্ষতি

ফাইজুস সালেহীন
প্রিন্ট ভার্সন
নির্বাচনে দেরি হলে কার লাভ কার ক্ষতি

কম সংস্কার চাইলে জাতীয় সংসদের নির্বাচন আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে হতে পারে। আর বেশি সংস্কার চাইলে আগামী বছরের মাঝামাঝি। ইলেকশন ঠিক কোন সময়টায় হবে, তা নির্ভর করছে জনগণ কতটা সংস্কার চান, তার ওপর। ব্রিটিশ পার্লামেন্টারিয়ান রূপা হকের সঙ্গে এ রকমটাই বলেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। প্রশ্ন উঠতে পারে, জনগণ আসলে কী চায়, সেটা নির্ধারণ করা হবে কীভাবে? জনমত যাচাইয়ের সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য পন্থা হচ্ছে ভোট। ভোটের আগে জনগণ কতটা সংস্কার চায়, তা নির্ণয় করা কঠিন। এই বাস্তবতায় ড. ইউনূসের বক্তব্যকে কেউ কেউ দ্ব্যর্থক মনে করতে পারেন।

ইলেকশনের ডেডলাইন প্রশ্নে রাজনৈতিক দল ও ছাত্রনেতাদের মতের যে মিল নেই, এক্ষণে মোটেও তা অস্পষ্ট নয়। অন্যদিকে ইলেকশনের প্রশ্নটিকে পাশ কাটিয়ে সামনে আনা হচ্ছে নতুন নতুন ইস্যু এবং সেসব ইস্যুতে মতান্তরও দুর্লক্ষ্য নয়। জুলাই অভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী ছাত্রদের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, শুধু ভোটের জন্য এত মানুষ রক্ত দেয়নি। তারা বলছেন, সিস্টেম বদলাতে হবে। সবকিছু মেরামত করে, তার পরে নির্বাচন। এই সরকার নিরেট একটা অন্তর্বর্তী সরকার নয়। বিপ্লবী সরকার ঘোষণা করতে হবে। রাষ্ট্রপতিকে সরিয়ে দেওয়া বা পদত্যাগে বাধ্য করা, সংবিধান বাতিল করে শহীদ মিনার থেকে নাগরিক কমিটির ঘোষণাপত্র প্রোক্লেমেশনের আয়োজন, সতেরো বছর বয়সিদের ভোটার বানানোর প্রস্তাব, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগে না জাতীয় নির্বাচন, ছাত্র সংসদ নির্বাচনের আগে জাতীয় নির্বাচন নয়- এ রকম নানান ইস্যু নিয়ে রাজনীতির মাঠে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশন জাতীয় নির্বাচনের আগেই স্থানীয় নির্বাচনের পক্ষে। কিন্তু বিএনপি বলছে, না। নতুন নতুন এসব ইস্যু বাংলাদেশের রাজনীতিতে যে ঘূর্ণাবর্ত তৈরি করছে, তা কতখানি গণতন্ত্রের পক্ষে যাচ্ছে, সেটা ভাবনার বিষয়ই বটে।

এদিকে ব্রিটিশ এমপি রূপা হক বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে একটা পুরনো ও পরিত্যক্ত স্লোগান থ্রো করেছেন। গত মঙ্গলবার ইউকে-বাংলাদেশ ক্যাটালিস্টস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্টিজের এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বাংলাদেশে রাজনীতি দুই পরিবারের হাতে থাকবে, এটা হতে পারে না। একজন নেতার কন্যা, আরেকজন নেতার বেগম ও তাঁদের ছেলেরা সবকিছুতে আধিপত্য দেখাবে- এ প্রবণতার পরিবর্তন প্রয়োজন। ৫৪ বছরের এই বাস্তবতা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য একটা পরিচ্ছন্নতা অভিযান দরকার।

নির্বাচনে দেরি হলে কার লাভ কার ক্ষতিরূপা হক যতই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত হয়ে থাকুন না কেন, তিনি ঢাকায় এসেছেন ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সদস্য হিসেবে। বাংলাদেশের রাজনীতি সম্পর্কে এ ধরনের আহ্বান তিনি জানাতে পারেন কি না, সে প্রশ্নটি এড়িয়ে যাওয়া যায় না। রাজনৈতিক দলীয় নেতৃত্বের পারিবারিক উত্তরাধিকার সঠিক কী বেঠিক, তা নিয়ে যতই তর্ক থাকুক না কেন; বাংলাদেশের মানুষ এটা কিন্তু মেনেই নিয়েছে। আর জনগণের ইচ্ছাই যে গণতন্ত্রের মূল কথা; তা-ও রূপা হকের না জানবার কথা নয়। উপরন্তু এই ইস্যুটি বাংলাদেশে পরিত্যক্ত। ওয়ান-ইলেভেনের সেনা-সমর্থিত মইন ইউ আহমেদ ও ফখরুদ্দীনের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের তথাকথিত মাইনাস টু ফর্মুলার এটাই ছিল বাহ্যিক কথা। ভিতরে ছিল বিশেষ কোনো একটি দেশের আধিপত্য নিশ্চিত করার কৌশল। পনেরো বছরের কর্তৃত্ববাদী শাসন তারই প্রমাণ বহন করে। প্রতিবেশী ভারতে কংগ্রেসের নেতৃত্ব নেহরু পরিবারের হাতে ছিল এবং আছে। কিন্তু রাজীব গান্ধীর পরে নেহরু পরিবার আর সরকারে নেই। কারণ জনগণ চায়নি। জনগণ যেটা চাইবে, সেটাই গণতন্ত্র। আর এ-ও মানতে হবে, দল জনগণের ইচ্ছায় পরিচালিত হয় না। দল চলে দলের সদস্যদের ইচ্ছায়। দলের ভিতরে যদি গণতন্ত্র না থাকে, তাহলে প্রতিবাদ হতে হবে দলীয় ফোরামে। সেখানে বাইরের লোকের মতামতের বিশেষ কোনো মূল্য নেই। তবে জনগণ সেই দলকে জাতীয় নির্বাচনে প্রত্যাখ্যান করতে পারে, আবার সমর্থনও দিতে পারে। এটাই গণতন্ত্রের সাচ্চা কথা। মোট কথা; বাংলাদেশে চলমান পরিস্থিতিতে এ ধরনের উটকো কথা বাঞ্ছনীয় নয়। সব মিলিয়ে বিভিন্ন ইস্যুতে যে মতানৈক্য দেখা যাচ্ছে, তা প্রীতিকর পরিস্থিতির ইঙ্গিত দেয় না।

তবে একটা বিষয় স্পষ্ট, জাতীয় নির্বাচনের ডেডলাইন নিয়ে রাজনৈতিক শক্তিসংঘগুলো দুভাগে বিভক্ত। প্রশ্ন হচ্ছে, কেন এই বিভক্তি? এর পেছনে কারণ কী আদর্শিক না কৌশলগত? বলা বাহুল্য, রাজনীতিতে আদর্শের চেয়ে কৌশল অনেক বেশি দামি। এই জায়গাটায় দেশ-কাল ও পাত্রের খুব একটা ব্যবধান নেই। মনের কথা মনে থাকে, পাওয়ার পলিটিক্সে কৌশলটাই আসল। জাতীয় নির্বাচন বিলম্বিত হলে কার লাভ, কার ক্ষতি! লাভক্ষতির অঙ্কটা মেলাতে পারলেই বুঝতে পারা যাবে যে কোনো দল, কেন, কী চাইছে! জামায়াতে ইসলামী একটি সুশৃঙ্খল রাজনৈতিক দল। এই দলের সমর্থক ও কর্মীদের আদর্শিক কমিটমেন্টের জায়গাটি সবল হলেও জনভিত্তি এখনো ততটা শক্ত হয়ে ওঠেনি। তদুপরি ক্ষমতাচ্যুত সরকারের সাড়ে পনেরো বছরের শাসনামলে দলটি প্রকাশ্যে সাংগঠনিক কোনো কাজ করতে পারেনি। রীতিমতো ঝড় বয়ে গেছে দলটির ওপর দিয়ে। আওয়ামী লীগ ও তার মিত্ররা জামায়াত-শিবিরকে খারাপ গালির সমার্থক মনে করত। এখন মুক্ত পরিবেশে জনমত গঠনের জন্য জামায়াতে ইসলামীর যথেষ্ট সময় প্রয়োজন। বিএনপির মিত্রদলগুলোরও কোনো কোনোটি খুব শিগগিরই ইলেকশন চায় না। বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের রাজনৈতিক দল এখনো পুরোপুরি আত্মপ্রকাশ না করলেও রাজনৈতিক দলের মতোই বলছে ও কাজ করছে। নাগরিক কমিটির মই বেয়ে তারা যে রাজনৈতিক দল করতে যাচ্ছে, সে দল গোছাতেও সময় দরকার। নির্বাচনে ভালো ফলাফল করার জন্য তাদেরও লম্বা সময় নিয়ে অনেক শ্রমঘাম ঝরাতে হবে। দ্রুত নির্বাচন হয়ে গেলে তাদের ট্রেন মিস করার সমূহ আশঙ্কা। কাজেই তারা সংস্কারের আড়ালে কালক্ষেপণের পক্ষপাতী। একে খারাপভাবে দেখার কিছু নেই। এটা তাদের রণকৌশল। এ ক্ষেত্রে তাদের ম্যাচিউরিটির প্রশংসা করা উচিত। পক্ষান্তরে নির্বাচন যত বিলম্বিত হবে, বিএনপির তত ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা। ক্ষতি হতে পারে দুই দিক থেকে। এক. তৃণমূল পর্যায়ের একশ্রেণির নেতা-কর্মীর কার্যকলাপে সাইলেন্ট মেজরিটির মধ্যে অসন্তোষ বাড়বে। তাদের অনেকেই ঝুঁকে পড়বেন জামায়াত বা নতুন রাজনৈতিক সংঘের দিকে। দুই. এই পরিস্থিতির মধ্যে যদি স্থানীয় সরকারের নির্বাচন হয়ে যায়, তাহলেও বিএনপির ক্ষতির আশঙ্কা। স্থানীয় সংস্থাসমূহের নির্বাচিত নির্দলীয় চেয়ারম্যান-মেম্বারদের প্রো-গভর্নমেন্ট একটা প্রবণতা সব সময় দেখতে পাওয়া যায়। তারা সাধারণত ক্ষমতাসীনদের পক্ষে কাজ করে। বিরোধী দলের দিকে ঝুঁকতে চায় না। সরকারি দল সমর্থন করলে স্থানীয় সরকারের বেশি বরাদ্দ পাওয়া যায়। অনিয়মও বেশি করা যায়। দৃশ্যত অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো দল নেই। কিন্তু ছাত্ররা যে দল করতে যাচ্ছে, পর্যবেক্ষক মহল মনে করেন, সেটি হবে কিংস পার্টি। সোজা কথায় সরকারি দল। মাঠপর্যায়েও এই বার্তাই রয়েছে। এমতাবস্থায় বিএনপি জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকারের ভোট চাইবে না, দলটি বিলম্বিত জেনারেল ইলেকশনের ঝুঁকিও নেবে না, এই স্বাভাবিক।

সাধারণ নির্বাচন বিলম্বিত হলে জাতীয় জীবনেও বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। নির্বাচন যত বিলম্বিত হবে রাজনৈতিক মতান্তর ততই বেশি সাংঘর্ষিক রূপ নিতে পারে। এখনই তার কিছু আলামত দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। রাজপথে নামার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। প্রশাসনে সিদ্ধান্তহীনতার সংকট দেখা দিতে পারে। পুলিশ ও প্রশাসনের লোকদের কর্মক্ষেত্রে কোথাও কোথাও শ্যাম রাখি না কুল রাখি অবস্থায় পড়তে হতে পারে। কারণ স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে যারা অংশগ্রহণ করেছেন এবং তাদের মধ্যে যাদের সংঘশক্তি রয়েছে, তাদের দাপট অফিসারদের পক্ষে উপেক্ষা করা কঠিন। অন্যদিকে ছাত্রদের রাজনৈতিক দল যদি সত্যি সত্যি কিংস পার্টির মতো আচরণ করতে শুরু করে, তাহলে অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে কথা উঠতে পারে। অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পথে এ-ও বড় কাঁটা হয়ে দেখা দেবে। কাজেই ঠান্ডামাথায় সবদিক ভেবে অগ্রসর হওয়া উচিত। সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করে কীভাবে বাধাহীন নির্বাচনের মাধ্যমে সত্যিকারের গণতান্ত্রিক সরকার গঠন করা যায়, সেটাই হওয়া উচিত এ সময়ের প্রথম বিবেচনা। সেই বিবেচনা মাথায় রেখে জরুরি সংস্কারগুলো করা দরকার যত দূর সম্ভব কম সময়ের মধ্যে। যে এগারোটি সংস্কার কমিশন হয়েছে, তাদের সুপারিশ এবং রাজনৈতিক দলসমূহের প্রস্তাবের আলোকে অন্তর্বর্তী সরকার একটি সর্বসম্মত ঘোষণাপত্র প্রোক্লেইম করতে পারে। নির্বাচিত সরকার সেই প্রোক্লেমেশনকে মান্যতা দিতে বাধ্য থাকবে মর্মে সামাজিক চুক্তি সম্পাদিত হতে পারে। সেটা যদি হয়, তাহলে প্রত্যাশিত সংস্কার প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ার কোনো কারণ নেই।

লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক

এই বিভাগের আরও খবর
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
সর্বশেষ খবর
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী

১ সেকেন্ড আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

১৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১৯ মিনিট আগে | শোবিজ

বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

২৯ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক
মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক

৩১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতেও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান
ঈদের ছুটিতেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

৩৩ মিনিট আগে | রাজনীতি

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

৩৬ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি
খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি

৪২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৫৮ মিনিট আগে | শোবিজ

নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ
নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ

৫৯ মিনিট আগে | পরবাস

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি
বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত
গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত
তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'
'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তুরস্ক–গ্রিস উপকূলে পৃথক নৌকাডুবিতে ১৬ জনের প্রাণহানি
তুরস্ক–গ্রিস উপকূলে পৃথক নৌকাডুবিতে ১৬ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুর্নীতি দমনে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড চুক্তি স্বাক্ষর
দুর্নীতি দমনে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড চুক্তি স্বাক্ষর

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার
রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার
গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩
বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু
দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান
যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

১১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে থাই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে থাই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

৫ ঘণ্টা আগে | পরবাস

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত
ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা

শোবিজ

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য

সম্পাদকীয়

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা