সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার টুকেরগাঁও গ্রামে ঘরের ভেতর গরু ঢোকা নিয়ে যুবককে গাছে বেঁধে নির্যাতন করেছে প্রভাবশালী দুই সহোদর। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে। ঘটনায় জড়িত একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
রবিবার দুপুর সাড়ে ১১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত দফায় দফায় পেটানো হয় মানিক মিয়া(২৯) নামের ওই যুবককে। তিনি টুকেরগাঁও গ্রামের মৃত শুকুর আলীর ছেলে। পরে রুহুল আমিন নামের এক প্রতিবেশী ৯৯৯ এ ফোন করে পুলিশ এনে নির্যাতনকারীদের হাত থেকে মুক্ত করে হাসপাতালে পাঠান। বর্তমানে মানিক সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, টুকেরগাঁও গ্রামের হতদরিদ্র মানিকের বাড়ির সীমানাসহ নানা বিষয়ে বিরোধ চলছে প্রতিবেশী শরিফুল নেছার সঙ্গে। এই পরিস্থিতিতে ঘরে গরু ঢোকা নিয়ে রবিবার দুপুরে তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডায় হয়। শরিফুল নেছা পার্শ্ববর্তী গ্রামের তার আত্মীয় সুজাত মিয়া ও সোহান মিয়াকে খবর দিয়ে নিয়ে আসেন। তারা এসে মানিককে বাড়ির উঠানের একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে দফায় দফায় লাঠিপেটা করতে থাকে৷ তার আর্তচিৎকারে প্রতিবেশীরা এসে তাকে ছাড়িয়ে নিতে চাইলে ছেড়ে দেয়নি ওই দুইভাই৷
প্রতিবেশী মানিক মিয়া জানান, আমি এসে দেখার পর প্রথমে তাদেরকে অনুরোধ করি মানিকে ছেড়ে দিতে। তারা রাজি না হওয়ায় ৯৯৯ এ কল করে পুলিশ এনে মানিককে তাদের হাত থেকে রক্ষা করি। আমি আমার ফোন দিয়ে নির্যাতনের ভিডিও ধারণ করি।
সুনামগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম বলেন, ৯৯৯ থেকে ফোন আসার পর পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে নির্যাতনের শিকার যুবককে উদ্ধার করে নিয়ে হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করায়। এ সময় সুজাত নামের এক জনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।
বিডি প্রতিদিন/এএম