বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার ঝনঝনিয়া, চেয়ারম্যান মোড়, ভাগা ও রনসেন এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে ১৫ আহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে ৭ জনকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও ২ জনকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে খুলনা মেডিকেলে ভর্তি শহিদুলের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে চিকিৎসক।
বিবাদমান এক গ্রুপের নেতা কাজী জাহিদুল ইসলাম জানান, ‘প্রতিপক্ষ হাফিজুর রহমান তুহিনের আশ্রয়ে থাকা সন্ত্রাসীরা আমাদের লোকজনকে নানাভাবে হুমকি-ধামকি, ভয়ভীতি ও হয়রানি করে আসছে। তারই প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তুহিন তার দলবল নিয়ে আমাদের লোকজনের উপর উপজেলার ঝনঝনিয়া, চেয়ারম্যান মোড়, ভাগা ও রনসেন এলাকায় হামলা চালায়। হামলায় ১৫ আহত হয়েছে।’
আহতরা হলেন, আল আমিন (৪০), আজমল শেখ (৪৩), শহিদুল (৩৬), আবুল কালাম (৪০), বাবুল শেখ (৩৫), শামীম শেখ (২২), আহম্মদ আলী (৪২), ইসমাইল শেখ (৩৫), আশরাফ আলী (৫৫), তাহিদুল ইসলাম (৪০), হোসাইন শেখ (১৮), তারেক শেখ (৩৫), ফারুক হোসেন (৫৫) আবুল কালাম (৩০), মাহিদ শেখ (৫০)। আহতদের মধ্যে আশরাফ ও কালাম রামপাল উপজেলা হাসপাতালে ও ৭ জনকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। খুলনায় চিকিৎসাধীন শহিদুলের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে চিকিৎসক।
হামলায় জাহিদের কর্মী মাহিদ ও মোহাম্মদের বাড়ীঘর, আকোর ঘেরের বাসা ও আরিফ বিল্লাহর দোকান ভাংচুর করার অভিযোগ উঠেছে। তবে, উত্থাপিত এসব অভিযোগ অস্বীকার করে হাফিজুর রহমান তুহিন বলেন, ‘আমি এসবের কিছুই জানিনা।’
রামপাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম রেজার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি।’
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত উপজেলার ঝনঝনিয়া, চেয়ারম্যান মোড়, ভাগা ও রনসেন এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। ঘটনাস্থলগুলোতে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে বলে জানান ওসি।
বিডি প্রতিদিন/জামশেদ