৫ আগস্ট একটি বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়ার প্রত্যয়ে জুলাই বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল। যে প্রত্যয় নিয়ে বাংলাদেশে দ্বিতীয় স্বাধীনতা এসেছিল সেই প্রত্যয়ের ব্যত্যয় কেন আজহারুল ইসলামের ব্যাপারে হল। কেন আজকেও তাকে মুক্তি দেওয়া হলো না। তার মুক্তির দাবিতে কেন আমাদেরকে রাজপথে নামতে হয়েছে। কেন্দ্র ঘোষিত জামায়াতের কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার দুপুরে পিরোজপুর শহীদ মিনারে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে এক কথা বলে মাসুদ সাঈদী।
তিনি আরো বলেন, আওয়ামী শাসন আমলে ওই কুলাঙ্গার বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের নেতৃত্বে মৌলবাদ, সন্ত্রাস তদন্ত কমিশন নামে একটি কমিশন গঠন করা হয়েছিল। সেই কমিশন গঠিত হয়েছিল ওই কুলাঙ্গার বিচারপতি মানিকের নেতৃত্বে। সেই কমিশনের সদস্য ছিল বর্তমান বাংলাদেশের অবৈধ রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন চুপ্পু। টুপ্পুর ষড়যন্ত্রে আজকে এটিএম আজাহারের মুক্তি হচ্ছে না। এটিএম আজহারের মুক্তির পাশাপাশি অবৈধ রাষ্ট্রপতি চুপ্পুর পদত্যাগ দাবি করছি। মেহেরবানী করে আমাদের ধৈর্যের চুতি ঘটাবেন না । আমরা কিন্তু ফোঁস করতে জানি। ৫ আগস্ট আমরা দেখিয়েছি কিভাবে ফোঁস করতে হয়।
এ সময় মাসুদ সাঈদী বলেন, আমরা ততক্ষণ পর্যন্ত ঘরে ফিরে যাব না যতক্ষণ পর্যন্ত মজলুম এটিএম আজহারুল ইসলামের মুক্তি নিশ্চিত না হয়। এটিএম আজহারুল ইসলামকে মুক্তি দিতে হবে। একই সাথে জামায়াতের নিবন্ধন ফিরিয়ে দিতে হবে। আমাদের নিবন্ধন কারো দয়ায় আমরা পাইনি। আমাদের নিবন্ধন কারো দয়ায় আমরা চাই না। আমরা আমাদের অধিকার আদায় করে নেব। আমরা আমাদের মার্কা আদায় করে নেব ইনশাআল্লাহ।
সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয় শহরের বিভিন্ন সড়ক পদক্ষেণ শেষে সাঈদী ফাউন্ডেশনে গিয়ে শেষ হয়।
জেলা জামাতের আমির অধ্যক্ষ তাফাজ্জল হোসেন ফরিদের সভাপতি আরো উপস্থিত ছিলেন
সেক্রেটারি মো: জহিরুল হক, সহ সেক্রেটারি শেখ আব্দুর রাজ্জাক, পেশাজীবী বিভাগের জেলা সভাপতি আব্দুল্লাহিল মাহমুদ, শিবিরের জেলা সভাপতি মেহেদী হাসান।
বিডি প্রতিদিন/এএ