বগুড়ায় ২৩ নদী ও ৭৯খাল উদ্ধারে মাঠে নেমেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। এ উপলক্ষে রবিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ট্রেনিং ভেন্যুতে বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ড গণশুনানির আয়োজন করে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বগুড়ার আওতায় জেলায় চলমান ও প্রস্তাবিত প্রকল্পসমূহের উপর এ গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
পানি উন্নয়ন বোর্ড বগুড়ার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল হক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলাম।
এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন উপবিভাগীয় প্রকৌশলী হুমায়ন কবির, আসাদুল হক, সোহেল রানা, ফুলবাড়ী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আলমাস সরকার, ঠিকাদার এমদাদুল হক এমদাদ, বাপা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হক জিয়া, বগুড়া জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হক লিপন, শহর বিএনপির সাধার সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির, সারিয়াকন্দি পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহাদত হোসেন সনি, জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধি, ও সাংবাদিকসহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ।
গণশুনানিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা চলমান ও পরিকল্পিত প্রকল্পগুলোর বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন এবং স্থানীয়দের মতামত গ্রহণ করেন। বক্তারা করতোয়া, যমুনা, বাঙালি, ইছামতি, সুখদহ, নাগরনদ, গজারিয়া নদী এবং বগুড়ার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া বিভিন্ন স্থানে খাল খনন ও ভাঙন প্রতিরোধে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের গুরুত্ব তুলে ধরেন। এ সময় ভুক্তভোগী এলাকাবাসী তাদের দুর্ভোগের চিত্র তুলে ধরে দ্রুত কার্যকর উদ্যাগ গ্রহণের দাবি জানান।
বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী হুমায়ন কবির জানান, বগুড়া জেলায় ২৩ নদী ও ৭৯ খাল রয়েছে। এসব নদী ও খাল রক্ষায় প্রস্তাবিত ৬টি প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তাবনা দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে করতোয়া নদী উন্নয়ন প্রকল্প, বগুড়া জেলায় বাঙালী নদীর ডান ও বাম তীরে বিভিন্ন স্থানে প্রতিরক্ষার কাজ, জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলাধীন কামালপুর ইউনিয়নের ইছামারা, ফকিরপাড়া, ও টিটুর মোড় রক্ষা প্রকল্প, একই উপজেলার মানিকদাইড়, চরঘাগুয়া ও শনপচা এলাকায় যমুনা নদীর বাম তীরের ভাঙন রোধকরণ ও যমুনা নদীর তীর সংরক্ষণ পুনর্বাসন। এছাড়া চলমান প্রকল্পের মধ্যে বগুড়া জেলায় নদী ড্রেজিং কাজ ৯৯ কিলোমিটার, যমুনা নদীতীর প্রতিরক্ষা কাজ হয়েছে ১৯ কিলোমিটার।
বিডি প্রতিদিন/জামশেদ