ফরিদপুরের ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্য আলমগীর মোল্লা (৪২)কে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ ওঠেছে।
জানা যায়, গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। এরপর আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আলমগীর মোল্লা ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের মুনসুরাবাদ গ্রামের বাসিন্দা ও ৪ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য। শনিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল যোগে ভাঙ্গা বাজারে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আসার সময় তার উপর মুনসুরাবাদ গ্রামেই এ হামলার ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনার পেছনে গ্রামের প্রতিপক্ষকেই দায়ী করেছে ইউপি সদস্য আলমগীর মোল্লা ও তার স্বজনেরা। হামলার পর এলাকায় ঢাল-সড়কি নিয়ে মহড়া দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ভাঙ্গা উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের মুনসুরাবাদ গ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন বিরোধ চলছে। একপক্ষের নেতৃত্ব দেন হামিরদী ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য, মুনসুরাবাদ গ্রামের বাসিন্দা আলমগীর মোল্লা ও অপর পক্ষের নেতৃত্ব দেন হামিরদী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য একই গ্রামের বাবর আলী মাতুব্বর। সর্বশেষ গত ২৫ ডিসেম্বর দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে দুই পক্ষের কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছিল। এর আগেও অসংখ্যবার দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ইউপি সদস্যের উপর প্রতিপক্ষ আক্রমণ করেছে বলে জানা যায়।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মোকছেদুর রহমান বলেন, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে মুনসুরাবাদ এলাকায় দুই পক্ষের বিরোধ রয়েছে। এ নিয়ে মারামারির ঘটনায় বর্তমান ইউপি সদস্য আহত হয়েছে। এ খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এখনও কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিডি প্রতিদিন/জামশেদ