‘এসো দেশ বদলাই, পৃথিবী বদলাই’, এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় তারুণ্যের উৎসব উদযাপন উপলক্ষে ফুলবাড়ী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা সভা কক্ষে এ পিঠা উৎসব শুরু হয়েছে।
পিঠার নাম শুনলেই জিভে জল আসে না এমন মানুষ পাওয়া যাবে না। বিশেষ করে শীতে পিঠা বাঙালির জীবন ও সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। আর এই পিঠা উৎসবে সব বয়সী মানুষের ভিড় ছিল লক্ষণীয়। সকাল ৯টা থেকে সন্ধা পর্যন্ত নানান রকমের বৈচিত্র্যময় স্বাদের এসব পিঠা ভোজনরসিকদের জোগায় ব্যতিক্রমী আনন্দ।
এবারের উৎসবে প্রায় ২০০ পদের পিঠার পসরা সাজিয়ে প্রায় ২০টি স্টল বসে। যার মধ্যে রয়েছে, ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, ঝাল পিঠা, মালপোয়া, মেড়া পিঠা, মালাই পিঠা, মুঠি পিঠা, আন্দশা, কুলশি, কাটা পিঠা, কলা পিঠা, খেজুরের পিঠা, ক্ষীর কুলি, গোকুল পিঠা, গোলাপ ফুল পিঠা, লবঙ্গ লতিকা, রসফুল পিঠা, সুন্দরী পাকান, সরভাজা, পুলি পিঠা, পাতা পিঠা, পাটিসাপটা, পাকান পিঠা, নারকেলের সেদ্ধ পুলি, নারকেল জিলাপি, তেজপাতা পিঠা, তেলের পিঠা, তেলপোয়া পিঠা, চাঁদ পাকান পিঠা, ছিট পিঠা, পানতোয়া, জামদানি পিঠা, হাঁড়ি পিঠা, ঝালপোয়া পিঠা, ঝুরি পিঠা, ছাঁচ পিঠা, ছিটকা পিঠা, চিতই পিঠা, দুধ চিতই, বিবিখানা, চুটকি পিঠা, চাপড়ি পিঠা, ঝিনুক পিঠা, সূর্যমুখী পিঠা, ফুল পিঠা, বিবিয়ানা পিঠা, সেমাই পিঠা, নকশি পিঠা, নারকেল পিঠা, নারকেলের ভাজা পুলি, দুধরাজ, ফুলঝুরি পিঠাসহ আরও বাহারি পিঠার পসরা সাজিয়ে স্টল বসে।
উৎসবের উদ্বোধন করেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর মো.আল কামাহ তমাল ও পৌর প্রশাসক ও উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মাদ জাফর আরিফ চৌধুরি।
এ সময় ইউএনও বলেন, নানা কারণে এখন আর গ্রামে-গঞ্জে সেভাবে পিঠা উৎসব হয় না। সেই উৎসব এখন নানা আনুষ্ঠানিকতায় হচ্ছে। অন্তত এই উৎসবের কারণে আমরা আমাদের গ্রামের সেই পিঠাপুলির ঘ্রাণ নিতে পারছি, স্বাদ নিতে পারছি। বিভিন্ন সংগঠন, শিক্ষার্থীরাসহ সরকারি দপ্তর এ পিঠা উৎসবে অংশগ্রহণ করে।
বিডি প্রতিদিন/জামশেদ