রাজবাড়ীর পাংশায় তারুণ্য উৎসব-২০২৫ উদযাপন ও শরিসা ইউনিয়নের বহলাডাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের দাওয়াত পত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। দাওয়াত পত্রে ১৭ জন অতিথির মধ্যে ১১ জনই উপজেলা ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা। সোমবার রাত থেকে এমন ঘটনা জানাজানি হলে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস. এম. আবু দারদা।
দাওয়াতপত্রে আমন্ত্রিত অতিথি করা হয়েছে শরিসা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আজমল আল বাহার বিশ্বাস, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সোবাহান, শরিসা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই, পাংশা উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মতিয়ার রহমান, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সহ সভাপতি মো. ইকবাল হোসেন, আওয়ামী লীগ নেতা মো. সিদ্দিকুর রহমান, মো. হোসেন আলী, আবুল কালাম আজাদসহ ১১ জনকে।
চিঠির বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতার ছেলে ও স্থানীয় বিএনপি নেতা মো. রেজাউল আলম বলেন, বিদ্যালয়টি আমার বাবা সবাইকে নিয়ে ১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় যাদের অবদান রয়েছে তাদের সবাইকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম শিক্ষার্থী মীর মাহমুদ সুজন বলেন, আমরা শুনেছি তারুণ্যের উৎসব-২০২৫ ও বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ১১ জন আওয়ামী লীগের নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আমরা বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসকের সাথে দ্রুতই কথা বলবো।
তিনি আরও বলেন, একজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা যে বিদ্যালয়ের সভাপতি সেখানে ১১ জন আওয়ামী লীগের নেতা কিভাবে আমন্ত্রণ পায়।
চিঠির বিষয়টি নিয়ে বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস. এম. আবু দারদা বলেন, আমি রাতেই বিষয়টি জেনেছি। বিষয়টি মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে খোঁজ নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। ঘটনার সত্যতা থাকলে আমরা ব্যবস্থা নিবো।
বিডি প্রতিদিন/এএ