বাংলাদেশ রেলওয়ে রানিং স্টাফদের পার্ট অফ পে-মাইলেজ যোগে পেনশন ও আনুতোষিক প্রদানে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সকল অসম্মতিপত্র প্রত্যাহার এবং নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত রানিং স্টাফদের নিয়োগপত্রের বৈষম্যমূলক ১২ ও ১৩ নং শর্ত বাতিল করে রেলওয়ে কোড ও বিধি-বিধানের আলোকে আদেশ জারীর দাবিতে রাজবাড়ীতে রেলওয়ের রানিং স্টাফদের কর্মবিরতি শুরু হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে বাংলাদেশ রেলওয়ে রানিং স্টাফ ঐক্য পরিষদ (লোকমাস্টার, গার্ড ও টি টি ই) রাজবাড়ী শাখার আয়োজনে এই অনিদিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি শুরু হয়। কর্মবিরতির কারণে রাজবাড়ী রেলওয়ে স্টেশনে আসা যাত্রীদের চরম ভোগান্তি হচ্ছে। ভোর থেকে অনেক যাত্রী স্টেশনে এসে ফিরে গেছেন।
দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজবাড়ী রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় দেখা যায়, স্টেশন এলাকা প্রায় ফাঁকা। স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে ঢোকার রাস্তা সংকীর্ণ করে রাখা হয়েছে।
স্টেশনে আসা যাত্রীরা বলেন, বাস-ট্রেন-লঞ্চ বন্ধ করে আন্দোলন করলে সাধারণ মানুষের চরম ভোগান্তি হয়। বেশিরভাগ দরিদ্র মানুষের অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে বাসে অথবা অন্যকোন যানবাহনে গন্তব্যে যেতে হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে এই ভোগান্তি দূর করা উচিত।
কর্মবিরতিতে থাকা রেলওয়ের স্টাফ এ এল এম আবু বক্কার বলেন, আমাদের এই সুবিধাগুলো দীর্ঘদিনের ছিল। ২০২১ সালে অর্থমন্ত্রণালয় এই সুবিধাগুলো বন্ধ করে দেয়। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন লোকমাস্টার, গার্ড ও টি টি ই। এগুলো নিয়ে সরকারকে অনেকবার বলা হয়েছে। সমাধানের আশ্বাস তারা দীর্ঘদিন ধরে দিয়ে আসছেন। আমরা বাধ্য হয়ে কর্মবিরতিতে গেছি।
রাজবাড়ী রেলওয়ে মাস্টার তন্ময় কুমার দত্ত বলেন, রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীরা আসছেন। আমরা কর্মবিরতির কথা যাত্রীদের বুঝিয়ে বলছি। অনেকের টাকা রিফান্ড করা হচ্ছে। সরকারি সিদ্ধান্ত হলে আবার ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হবে। কর্মবিরতির কারণে রাজবাড়ীর ৬ শতাধিক যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েছেন।
বিডি প্রতিদিন/জামশেদ