কুমিল্লায় কৃষি প্রশিক্ষণে ঢাকা কৃষি তথ্য সার্ভিসের পরিচালক কৃষিবিদ মো. মসীহুর রহমান বলেছেন, ‘আমাদের কৃষির ধরণ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তন হচ্ছে। আমরা আগে রচনা পড়তাম বাংলাদেশ ৮০ ভাগ মানুষ কৃষক। এখন কি আর ৮০ ভাগ আছে৷ এই পেশায় ভবিষ্যতে আরও অনেক লোক কমে যাবে।’
এখন কৃষির হাল ধরবে কারা? যারা আধুনিক কৃষিকে রপ্ত করতে পারবে, তারাই কৃষির হাল ধরবে। এখন সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কৃষিকাজের ধরণ পরিবর্তন হচ্ছে। মানুষের হাতের কাজ মেশিন করে দিচ্ছে। এই আধুনিক কৃষি সম্পর্কে যারা ভালো জানবে, যারা আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির ভালো ব্যবহার করতে পারবে, কৃষি কাজে যারা তথ্যপ্রযুক্তির সাথে যোগাযোগটা নিবিড়ভাবে রাখতে পারবে তারাই কৃষি কাজে ভালো কিছু করতে পারবে।
আজ সোমবার (২৭ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কুমিল্লা আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রশিক্ষণ হল রুমে ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে রাজস্ব খাতের আওতায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও ই-কৃষি ব্যবহার বিষয়ক দুই দিনব্যাপী কৃষি প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। প্রশিক্ষণ চলাকালে এ কথা বলেন কৃষিবিদ মো. মসীহুর রহমান। এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করেন কুমিল্লা আঞ্চলিক কৃষি তথ্য সার্ভিস। এতে অংশগ্রহণ করেছেন এআইসিসি ভুক্ত ও অগ্রগামী কৃষকরা।
এ সময় আরও প্রশিক্ষক ছিলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কুমিল্লার উপপরিচালক কৃষিবিদ আইউব মাহমুদ, কুমিল্লা অঞ্চলে টেকসই কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রাসারণ প্রকল্পের ডিডি ড. মোহাম্মদ আমানুল ইসলাম, কুমিল্লা ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয়ের সিএসও এবং দপ্তর প্রধান মো. সিরাজুল ইসলাম, কুমিল্লা আঞ্চলিক কৃষি তথ্য অফিসার কৃষিবিদ মনিরুল হক রোমেল, কুমিল্লা হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক কৃষিবিদ মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) কুমিল্লা উপকেন্দ্রের উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ ড. মো. হাসানুজ্জামান রনি, কৃষিবিদ ড. মো. মুক্তার হোসেন ভূঁইয়া এবং কৃষি অফিসার মহসিন মিজি।
বিডি প্রতিদিন/জামশেদ