কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দরে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে শ্রমিকরা ধর্মঘট ডেকে পণ্য খালাস বন্ধ রেখেছেন। রবিবার সকাল থেকে বন্দরের গেটে মাথায় লাল কাপড় বেঁধে মানববন্ধন করেন শ্রমিকরা। তবে মিয়ানমারে পণ্য রফতানির কার্যক্রম চালু ছিল।
টেকনাফ স্থলবন্দরের শ্রমিক মাঝি মো. করিম বলেন, শ্রমিকরা মজুরি বাড়ানোর দাবিতে কাজ বন্ধ রেখেছেন। কিন্তু ব্যবসায়ীরা মজুরি না বাড়ালে মাঝিরা কীভাবে শোধ করবেন।
কী কারণে ধর্মঘট ডেকেছে তা খোঁজ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন টেকনাফ স্থলবন্দর পরিচালনাকারী বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড ল্যান্ড পোর্ট টেকনাফ লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক জসিম উদ্দিন চৌধুরী। তিনি বলেন, শ্রমিকদের একটি অংশ পণ্য খালাস বন্ধ রেখেছে। তবে মিয়ানমারে পণ্য রফতানি কার্যক্রম চলছে।
জানা গেছে, সকাল থেকে বাণিজ্যঘাটে আমদানিকৃত মালামাল পণ্য খালাস বন্ধ রয়েছে। শ্রমিকরা ন্যায্য মজুরির দাবিতে বন্দরের গেটে মানববন্ধন করেন।
স্থলবন্দরের শ্রমিক আবুল মনসুর বলেন, আমরা সারাদিন কাজ করেও ন্যায্য মজুরি পাচ্ছি না। তাই আমরা কাজ বন্ধ রেখেছি। মাঝিরা ট্রাকপ্রতি ৭ হাজার টাকা করে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে আদায় করলেও আমাদের পাঁচ হাজার টাকা করে মজুরি দিচ্ছে।
এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহসান উদ্দিন বলেন, অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে শ্রমিকদের স্থলবন্দরে কর্মবিরতির খবর শুনেছি। বিষয়টি খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
বিডিপ্রতিদিন/কবিরুল