নারীরা মাছ শিকার করলেও জেলেদের মৌলিক অধিকার বঞ্চিত। নারী জেলেদের সরকারীভাবে অর্ন্তভুক্তি, ক্ষমতা বৃদ্ধি, নিরাপদ কর্ম স্থান এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে পরামর্শকমূলক সভা হয়েছে।
আজ সোমবার একটি বেসরকারী সংস্থার আয়োজনে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় জানানো হয়, বরিশাল সদর উপজেলার ৫০০ নারী জেলেদের নিয়ে কাজ করেন তারা। এর মধ্যে আড়াইশ মান্তা সম্প্রদায়ের ও আড়াইশজন মূলধারার নারী রয়েছেন। মৎস্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী বরিশাল বিভাগে অন্তত ১০ হাজার নারী মাছ শিকারে কাজ করে। বাস্তবে এ সংখ্যা আরো অন্তত পাঁচ গুন। বরিশাল সদর উপজেলায় তালিকাভুক্ত চার হাজার ৬৭৭ জন জেলে রয়েছে। কিন্তু কোন নারী জেলে এ তালিকায় নেই।
তাই নারী জেলেদের কল্যাণ, সুরক্ষা এবং অন্তর্ভূক্তির বিভিন্ন সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- নারী জেলেদের কাজের পরিবেশ নিরাপদ ও আরামদায়ক করার জন্য বিশেষ সুরক্ষা নীতিমালা, নারীদের জন্য আলাদা আবাসন ও স্যানিটেশন সুবিধা নিশ্চিত, সমান মজুরি, আর্থিক সহায়তা ও সামাজিক সুরক্ষার জন্য বিশেষ তহবিল গঠন, প্রসূতি সুবিধা এবং সন্তান পরিচর্যার জন্য বিশেষ ছুটি ও আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা, বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা, যৌন হয়রানি প্রতিরোধে কার্যকর আইন এবং মনিটরিং ব্যবস্থা শক্তিশালী করা, সুরক্ষা পাওয়ার সহজ পদ্ধতি চালু, সমুদ্র নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য, এবং প্রযুক্তি ব্যবহারের উপর বিশেষ প্রশিক্ষণ।
বিডি প্রতিদিন/জামশেদ