মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে ফাতেমা আক্তার নামে এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় সাব্বির নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। শিশুটিকে ধর্ষণ ও শ্বাসরোধে হত্যার পর লাশ পুকুরে ফেলে দিয়েছে এমন তথ্য দেয় সাব্বির। তার তথ্যমতে, নিখোঁজের তিন দিন পর বৃহস্পতিবার রাতে পুকুর থেকে ফাতেমার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ফাতেমা সিরাজদিখান উপজেলার পূর্ব রশুনিয়া গ্রামের কুয়েত প্রবাসী শহিদুল ইসলামের মেয়ে এবং স্থানীয় মাদরাসার প্রথম শ্রেণির ছাত্রী। জানা যায়, বাড়ির পাশে ওয়াজ মাহফিলে গিয়ে গত মঙ্গলবার ফাতেমা নিখোঁজ হয়। ওই মাহফিলে আইসক্রিম বিক্রি করছিল উত্তর তাজপুর গ্রামের সাব্বির খান (২৫)। সাব্বির ফাতেমাকে বিনামূল্যে আইসক্রিম খাওয়ান এমন তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার স্থানীয়রা সন্দেহজন হিসেবে তাকে আটক করে পুলিশে দেন। ওই দিনই ফাতেমার মা বিলকিস বেগম সিরাজদিখান থানায় মামলা করেন। মামলায় সাব্বিরকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করে সে। এদিকে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার বন্দেখালী গ্রামে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিবেশীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় আহত হয়েছেন আরও তিনজন। ওই গ্রামের লাকির মোড়ে গতকাল সকালে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সুফী শেখ (৩২) স্থানীয় নওয়াব আলীর ছেলে। গ্রামের মোবারক জোয়ার্দ্দারের ছেলে ইদ্রিস আলী ইদুর সঙ্গে তার ভাই শাকেন আলীর জমি নিয়ে বিরোধ চলছে। সকালে বিরোধীয় জমি দখল করতে যান ইদ্রিস। শাকেন ও তার পরিবার বাধা দিলে মারামারি শুরু হয়। প্রতিবেশী সুফী শেখ মারামারি থামাতে গেলে তাকে কুপিয়ে জখম করে ইদ্রিস আলী। সুফীসহ আহত চারজনকে উদ্ধার করে মাগুরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
অবস্থার অবনতি হলে সুফীকে পাঠানো হয় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে দুপুরে তিনি মারা যান। শৈলকুপা থানার ওসি মাসুম খান বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। জড়িত সন্দেহে আটক করা হয়েছে ইদ্রিস আলী ওরফে ইদুকে। অন্যদের ধরতে অভিযান চালছে। এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ।