বগুড়ার নন্দীগ্রামে আইন অমান্য করে পুকুর সংস্কারের নামে লাখ লাখ টাকার মাটি বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। শ্রেণি পরিবর্তন করা হচ্ছে কৃষিজমির। শুধু নন্দীগ্রামই নয়, বগুড়া সদর ও শাজাহানপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়ও প্রকাশ্যে কৃষিজমির মাটি কেটে বিক্রি হচ্ছে।
২০১৬ সালের কৃষিজমি সুরক্ষা আইনে বলা রয়েছে, কৃষিজমির মাটি কাটা ও ভরাট করার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতি নিতে হবে। এ আইনের তোয়াক্কা না করে নির্বিচারে ফসলি জমি ভরাট করা হচ্ছে। নন্দীগ্রাম উপজেলার কাথম গ্রামে প্রায় ৯ একর পরিমাণ পুকুর এবং পুকুরের পাড় থেকে এস্কেভেটর (ভেকু) মেশিন দিয়ে মাটি কেটে তা বিক্রি করছেন প্রভাবশালীরা। মাটি বহনে ব্যবহার হচ্ছে বড় বড় ড্রাম ট্রাক। ট্রাকগুলোর বেপরোয়া চলাচল এবং ওভারলোডের কারণে নষ্ট হচ্ছে রাস্তা। আবার সেই মাটি দিয়ে ভরাট হচ্ছে কৃষি জমি। গ্রামবাসী জানান, উপজেলা প্রশাসন সরেজমিন দেখে গেলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রোহান সরকার বলেন, রাস্তা নষ্টসহ শ্রেণি পরিবর্তন করে কৃষিজমি ভরাটের বিষয়ে তদন্তসাপেক্ষে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।