চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ১২১টি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ রেখে বনভোজন করেছেন শিক্ষকরা। এ নিয়ে অভিভাবকসহ বিভিন্ন মহলে হচ্ছে সমালোচনা। বনভোজনের দিন সংরক্ষিত ছুটি মঞ্জুর করায় শোকজ করা হয়েছে সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে। বনভোজনের আয়োজন করা হয়েছে সোমবার।
শিক্ষক নেতারা দাবি করেন, তাঁরা সংরক্ষিত ছুটি নিয়ে বনভোজনের আয়োজন করেছিলেন। বিষয়টি জানার পর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ছুটি বাতিলের ঘোষণা দিলে দুপুরে তাঁরা বিদ্যালয়ে ফিরে আসেন।
সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা লায়লা তাসলিমা নাসরিন বলেন, ‘শিক্ষা অফিসারের অনুমতিক্রমে প্রধান শিক্ষকরা বছরে তিন দিন সংরক্ষিত ছুটি নিতে পারেন। শিক্ষক সমিতির নেতারা চাইছিলেন বনভোজন করবেন। সব শিক্ষক সংরক্ষিত ছুটির আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আমি ছুটি দিই।’
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অহীন্দ্রকুমার ম ল বলেন, ‘বনভোজনের জন্য শিক্ষকদের সংরক্ষিত ছুটি মঞ্জুর করায় সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা লায়লা তাসলিমা নাসরিনকে শোকজ করা হয়েছে। তাঁর জবাব পাওয়ার পর বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ অভিভাবকরা জানান, চলতি বছর এখনো শিক্ষার্থীরা সব পাঠ্যবই হাতে পায়নি। এতে এমনিকেই তারা ক্ষতিগ্রস্ত। কর্মদিবসে এ ধরনের আয়োজনে তাদের আরও বেশি ক্ষতি হবে। বনভোজন সরকারি ছুটির দিনে করলে ভালো হতো।