বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে চোখ হারাতে বসেছে গাজীপুরের স্কুলশিক্ষার্থী তামিম মাহমুদ (১১)। চোখ ও মাথায় গুলি থাকায় যন্ত্রণায় মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে সে। চিকিৎসার খরচ জোগাতে না পেরে দিশাহারা পরিবার। সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে মা-বাবার। পুরোপুরি সুস্থ না হওয়ায় তার লেখাপড়া বন্ধের পথে। উন্নত চিকিৎসা ও পুনর্বাসন দাবি পরিবারের। তামিমের বাবা নূর উদ্দিন জানান, গত বছরের ৩ আগস্ট ছেলে একটা বাংলাদেশের পতাকা চেয়েছে। তাকে আমি কিনে দেই। পরদিন তাকে একা বাসায় রেখে তালা দিয়ে কাজে যাই। ৪ আগস্ট বিকালে একজন ফোনে জানান আপনার ছেলে গুলি খেয়ে পড়ে আছে। ওই দিন চারদিকে গুলি চলছিল। তিনি বলেন, মাত্র ১৩ হাজার টাকা বেতনে ইলেকট্রিক দোকানে চাকরি করি। পরিবারের খাবার জোগাতেই হিমশিম খেতে হয়। ছেলের কীভাবে চিকিৎসা করাবেন-চিন্তায় নির্ঘুম রাত কাটে।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ মামুনুর রশীদ জানান, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আহত তামিমের পরিবারকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হয়েছে। তার চিকিৎসার জন্য আরও সহযোগিতা লাগলে করা হবে।