পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলায় রাস্তার ওপর কাঠের সাঁকো তৈরি করে চলাচল করছেন একালাকাবাসী। পানির স্রোতে উপজেলার গাওখালী বাজার থেকে ত্রি-গ্রাম পর্যন্ত রাস্তার বেশকিছু অংশ ধসে গেছে। সেখানে স্থানীয়রা সাঁকো বানিয়ে চলাচলের ব্যবস্থা করেছেন। সাঁকোর ওপর দিয়ে চলতে গিয়ে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন দেউলবাড়ী ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষ। পিরোজপুর জেলার মধ্যে নাজিরপুর উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা নানা কারণে অনুন্নত। উপজেলার দেউলবাড়ী ইউনিয়নের গাওখালি বাজার থেকে ত্রি-গ্রাম মাধ্যমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত প্রায় সাত কিলোমিটার রাস্তার কোথাও ইটের সলিং আবার কোথাও কাঁচা। এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন চার গ্রামের মানুষ যাতায়াত করেন। এ রাস্তা দিয়ে চলাচলে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হয় শিক্ষার্থীদের।
স্থানীয়রা জানান, রাস্তাটি কোথাও কোথাও ভেঙে গেছে। কিছু স্থানে জোয়ারের পানি ওঠায় কাদা হয়ে যায়। চলাচলের সময় কাদায় নষ্ট হয় জামা-কাপড়। বাধ্য হয়ে তারা কাঠের সাঁকো বানিয়ে চলাচল করেন। বর্ষা মৌসুমে সাঁকোয় শেওলা জমে পিচ্ছিল হওয়ায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা দেয়। স্থানীয় ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম জানান, ভাঙ্গা রাস্তায় চলার অনুপযোগী হওয়ায় স্থানীয়দের সহায়তায় ওপরে সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে। রাস্তাটি সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আর্কষণ করছি। নাজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অরুপ রতন সিংহ জানান, রাস্তাটি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।