ফরিদপুর সদরের আলিয়াবাদ ইউনিয়নের গুচ্ছগ্রামে মিরান খান (৩৮) নামে এক যুবদল নেতাকে চোখ উপড়ে ও পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। সদর উপজেলার গুচ্ছগ্রাম এলাকায় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মিরান খান আলিয়াবাদ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবদল যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পদ্মার চরের বালু, মাছ ও ইন্টারনেট ব্যবসা করতেন তিনি। মিরান আলিয়াবাদ ইউনিয়নের পূর্ব সাদীপুর এলাকার জালাল খানের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, মিরান খান ডাকাতি ও মাদক কারবারে জড়িত ছিলেন। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ডাকাতি করতে গেলে গণপিটুনিতে মৃত্যু হয় তার। ঘটনাস্থল থেকে একটি এয়ারগান ও একটি ?দা উদ্ধার দেখিছেন এলাকাবাসী। মিরানের ভাই ইরান খান বলেন, ভাইকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তিন মাস আগে মাছ ধরা নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ঠ তন্ময়ের সঙ্গে আমার ভাইয়ের দ্বন্দ্ব হয়। তখন আমরা থানায় জিডি করেছিলাম। তারাই আমার ভাইকে হত্যা করেছে। ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের ওয়ার্ড মাস্টার ফায়েকুজ্জামান জানান, শুক্রবার ভোর ৬টার দিকে মিরানকে মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। কিছুক্ষণ পর তিনি মারা যান।