ফরিদপুরে কাঠমিস্ত্রি ওবায়দুর খানকে (২৮) নৃশংস নির্যাতনে হত্যা মামলায় সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান শাহ মুহাম্মদ আলতাফ হুসাইন (৫৪)-সহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। বুধবার মধ্য রাতে ঢাকার মিরপুর থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। ওবায়দুর হত্যা মামলায় এ পর্যন্ত তিনজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার অপর ব্যক্তি হলেন কানাইপুর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের জাহিদ শেখ (৪০)। দুজনই হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি বলে জানিয়েছে র্যাব। র্যাব-১০ ফরিদপুর ক্যাম্পের স্কট কমান্ডার মো. আলী আরশাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, হত্যাকান্ডের পর গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা আত্মগোপনে চলে যান। প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে তাদের কোতোয়ালি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এর আগে ১০ জানুয়ারি ওবায়দুর খানকে তুলে নিয়ে নির্যাতন করার অভিযোগ ওঠে ইউপি চেয়ারম্যানের ছোট ভাই খায়রুজ্জামান খাজার নেতৃত্বে ১০-১৫ জনের বিরুদ্ধে। এ সময় ওবায়দুরের দুই চোখে পেরেকে ঢুকিয়ে খোঁচানো হয় এবং রগ কেটে ফেলা হয়।
রাত ৯টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে সে মারা যায়। নিহত ওবায়দুর জেলা সদরের কানাইপুর ইউনিয়নের ঝাউখোলা গ্রামের বিল্লাল খানের ছোট ছেলে। তিনি পেশায় ছিলেন কাঠমিস্ত্রি। এ ঘটনার পর ১১ জানুয়ারি রাতে খায়রুজ্জামান খাজাকে প্রধান আসামি করে ১৫ জনের নাম উল্লেখসহ কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন ওবায়দুরের বাবা বিল্লাল খান।