দেশের কয়েকটি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এতে হিম শীতল বাতাসের সঙ্গে আবারও জেঁকে বসেছে শীত। উত্তরের হিমেল বাতাসে জবুথবু জনজীবন। খেটে খাওয়ার নিম্ন আয়ের মানুষ পড়েছে বিপাকে। হাসপাতালে বাড়ছে শিশু ও বৃদ্ধ রোগীর সংখ্যা। দিনাজপুরে গতকাল সকাল ৯টায় ৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। সূর্যের দেখা মিললেও উষ্ণাতা ছিল ম্লান। বিকালের পর থেকে কনকনে শীতের তীব্রতা বাড়তে থাকে। রিকশাচালক মোবারক আলী বলেন, ‘শীতে রিকশা চালাতে খুব কষ্ট হচ্ছে। তবুও শীতের মধ্যে বাইরে বের হয়েছি। এদিকে টানা দুই দিন ধরে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ চলছে দক্ষিণ-পশ্চিমের জেলা চুয়াডাঙ্গায়। একই সঙ্গে এ জেলায় গতকাল মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও রেকর্ড হয়। এ দিন সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয় ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে গত ১৪ ডিসেম্বর জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয় ৮ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শৈতপ্রবাহের কারণে চুয়াডাঙ্গার জনজীবনে দুর্ভোগ নেমে এসেছে। বিশেষ করে শ্রমজীবী মানুষ বিপাকে পড়েছেন। তারা বলছেন, কনকনে ঠান্ডায় সকালে কাজে যোগ দিতে অনেকটা কষ্ট পেতে হচ্ছে। হাড়কাপানো শীতে ঘরের বাইরে যাওয়া দুরূহ হয়ে পড়ছে।
চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, মূলত উত্তরের হিমেল হাওয়ার প্রভাবে বেশি শীত অনুভূত হচ্ছে। দুই-এক দিন জেলার তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।