দিনাজপুরে একই জমিতে বিভিন্ন ফসল আবাদ করছেন চাষিরা। এতে বাজারের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি লাভবান হচ্ছেন কৃষক। কলাবাগানের ফাঁকা জায়গায় সারি সারি বাঁধাকপি, ফুলকপি চারা রোপণ করেছেন কেউ কেউ। তাদের একজন বিরল উপজেলার কাশিডাঙ্গা গ্রামের কিষানি সাবিনা খাতুন। কলাবাগানে সাথী ফসল হিসেবে বাঁধাকপি চাষ করে সবার দৃষ্টি কেড়েছেন তিনি।
সাবিনার সফলতা দেখে প্রান্তিক পর্যায়ের অনেক কৃষক উদ্বুদ্ধ হয়ে একই জমিতে বিভিন্ন প্রকার ফসল আবাদ শুরু করেছেন। জানা যায়, সাবিনা ৫০ শতক জমিতে ১০ হাজার টাকা খরচ করে ৩৫০টি কলা গাছ রোপণ করেন। পাশাপাশি ওই জমিতে লাগিয়েছেন ৫৫০০ পিচ বাঁধাকপি চারা। ভালো ফলন হওয়ায় এরই মধ্যে ৫০ হাজার টাকার বাঁধাকপি বিক্রি করেছেন। আরও বিক্রি করতে পারবেন জানান সাবিনার স্বামী তাকছুর রহমান। সাবিনা বলেন, কলা চাষে দীর্ঘ সময় লাগে। কলা গাছ রোপণের পর ফাঁকা জায়গায় বাঁধাকপি লাগিয়েছি। বাঁধাকপির ফলন তিন থেকে চার মাসের মধ্যে পাওয়া যায়। কলাগাছও ধীরে ধীরে বেড়ে উঠছে। আশা করছি এবার ৫০ শতক জমি থেকে ৮০ হাজার টাকার সবজি বিক্রি করতে পারব। যা হবে আমার বাড়তি আয়। এ থেকেই কলা বাগানের যাবতীয় খরচ বহন করা যাবে। বিরল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোস্তফা হাসান ইমাম জানান, বিরলের বসতবাড়ী ও আশপাশের জমিতে ফল ও সবজি বাগান তুলনামূলক কম। অল্প পুঁজিতে বেশি লাভবান হতে চাইলে সাবিনার মতো সবাইকে উদ্যোগী হতে হবে। এ ব্যাপারে কৃষকদের বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি বিভাগ।