জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিসিএস (তথ্য-সাধারণ) ক্যাডাররা। গতকাল অ্যাসোসিয়েশনের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উদ্বেগ জানিয়ে বলা হয়, ভিন্ন প্রকৃতির তিনটি গ্রুপ ‘সাধারণ’, ‘অনুষ্ঠান’ ও ‘বার্তা’ নিয়ে একীভূত করে বাংলাদেশ তথ্য সার্ভিস নামে যে সার্ভিস গঠনের কথা বলা হয়েছে এটি এই ক্যাডারের সদস্যদের উদ্বেগের কারণ। গ্রুপ তিনটির কর্মপ্রকৃতি এতটাই ভিন্ন যে এগুলোকে কোনো একক সার্ভিসে একীভূত করা হলে তা একটি অকার্যকর সার্ভিসে পরিণত হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে তিনটি গ্রুপের ভিন্ন ভিন্ন কাজের কথা উল্লেখ করে ছয়টি বিষয় তুলে ধরা হয় বিজ্ঞপ্তিতে। তারা জানান, বিসিএস (তথ্য-সাধারণ) এবং বাংলাদেশ বেতারের ‘অনুষ্ঠান’ ও ‘বার্তা’ তিনটি গ্রুপের কম্পোজিশন, ক্যাডার রুলস্, রিক্রুটমেন্ট রুলস্, ক্যাডার তফসিল, পদনাম ও পদসোপান, কার্যবণ্টন এবং পদোন্নতির যোগ্যতা/শর্তাবলি ও প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ আলাদা। বিসিএস (তথ্য-সাধারণ) ক্যাডারের সঙ্গে বাংলাদেশ বেতারের কোনো অংশকে একীভূত করা সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর কাজের মান বৃদ্ধি, কর্মকর্তাদের কল্যাণ কিংবা জনস্বার্থ কোনোটির জন্যই যৌক্তিক বলে মনে করে না অ্যাসোসিয়েশন।
অ্যাসোসিয়েশন জানায়, বিসিএস (তথ্য-সাধারণ) গ্রুপকে নিয়ে বাংলাদেশ তথ্য সার্ভিস করা, বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের জন্য একটি স্বতন্ত্র ‘সম্প্রচার সার্ভিস’ গঠন করা যেতে পারে বলেও জানান সংগঠনটি।