প্রায় ৮ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ৬০ কোটি টাকার সন্দেহভাজন লেনদেনের অভিযোগে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি এবং তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে পৃথক মামলা করেছে দুদক। গতকাল সেগুনবাগিচায় সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানান দুদক মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন। তিনি বলেন, দীপু মনি দায়িত্ব পালনকালে অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ৫ কোটি ৯২ লাখ ২ হাজার ৫৩০ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। এ ছাড়া তাঁর নিজ নামে বিভিন্ন ব্যাংকে পরিচালিত ২৮টি হিসাবে ৫৯ কোটি ৭৯ লাখ ৯২ হাজার ৭৩১ টাকা হস্তান্তর, রূপান্তর, স্থানান্তরের মাধ্যমে সন্দেহজনক লেনদেন করেছেন।
আরেকটি মামলায় তাঁর স্বামী তাওফিক নেওয়াজ ও দীপু মনিকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে পরস্পর যোগসাজশে ১ কোটি ৯৬ লাখ ৩৯ হাজার ২০৫ টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎসবহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়।
গত বছরের ১৯ আগস্ট দীপু মনিকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এর আগে চাঁদপুর জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় করা মামলায় ডা. দীপু মনি ও তাঁর বড় ভাই ডা. জে আর ওয়াদুদ টিপুকে আসামি করা হয়। গত আগস্টেই দীপু মনি, তাঁর স্বামী তাওফিক নেওয়াজ এবং বড় ভাই ডা. জে আর ওয়াদুদ টিপুর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁদের মালিকানাধীন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবের লেনদেন স্থগিত করা হয়।