আগামী মার্চে দেশে প্রথমবারের মতো কমোডিটি এক্সচেঞ্জে মক ট্রেড শুরু হতে পারে। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) উদ্যোগে আয়োজিত কর্মশালায় বক্তারা এ আশা প্রকাশ করেছেন। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) মাল্টিপারপাস হলে ‘এস্টাবলিশমেন্ট অব কমোডিটি এক্সচেঞ্জ-বাংলাদেশ পারস্পেক্টিভ’ বিষয়ক এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, এনবিআর, বাংলাদেশ ব্যাংক, বিএসইসি ও সিএসইর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন। অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন বিএসইসির কমিশনার ফারজানা লালারুখ এবং সভাপতিত্ব করেন সিএসইর চেয়ারম্যান একেএম হাবিবুর রহমান। আরও উপস্থিত ছিলেন সিএসইর পরিচালক মেজর (অব.) এমদাদুল ইসলাম, ফরিদা ইয়াসমিন, প্রফেসর ডক্টর মো. সাইফুল ইসলাম ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক, এম সাইফুর রহমান মজুমদার। কর্মশালায় কমোডিটি এক্সচেঞ্জ স্থাপনের জন্য রেগুলেটরি, বিজনেস এবং টেকনোলজি বিষয়ক উপস্থাপনা করেন সিএসইর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। কর্মশালায় বাংলাদেশে প্রথম কমোডিটি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠার জন্য এর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি তুলে ধরা হয়। আশা প্রকাশ করা হয়, ন্যাশনাল পলিসির মাধ্যমে দ্রুত গতিতে কাজটি শেষ করতে সব মন্ত্রণালয় এবং রেগুলেটরি প্রতিষ্ঠানের সর্বাত্মক সহযোগিতা থাকবে। কমোডিটি এক্সচেঞ্জ বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের উপযোগী কমোডিটি প্রোডাক্টের লেনদেন করা সম্ভব হবে।
সিএসই ২০২৪ সালে বিএসইসি থেকে কমোডিটি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠার জন্য লাইসেন্স প্রাপ্ত হয়। আশা করছে মার্চের শেষ দিকে মক ট্রেড শুরু করা যাবে।
সিএসইর চেয়ারম্যান একেএম হাবিবুর রহমান বলেন, এক্সচেঞ্জ স্থাপনের শুরুর জন্য, প্রস্তাবনাতে ছয়টি প্রোডাক্টের ব্যাপারে বলা হয়েছে। প্রথম ধাপে দু-একটি প্রোডাক্টের মাধ্যমে কমোডিটি এক্সচেঞ্জ শুরু হলে, তা পরবর্তীতে ধীরে ধীরে মূল বাজার কাঠামোর সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। কমোডিটি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা বাংলাদেশের জন্য সিএসই মাইলফলক হয়ে থাকবে।