৯ বছরেরও বেশি সময় পর ঢাকা-৮ আসনের সাবেক এমপি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক নাসিরুদ্দিন আহমেদ পিন্টুকে হত্যার অভিযোগে রাজশাহীর আদালতে মামলা। গতকাল দুপুরে পিন্টুর ভাই নাসিম আহমেদ রিন্টু বাদী হয়ে রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ আদালতে মামলাটি করেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, মেয়র ফজলে নূর তাপস, যুবলীগ সভাপতি ফজলে শামস পরশসহ ২৭ জনকে আসামি করা হয়েছে।
পিন্টু কারাগারে থাকাকালীন ২০১৫ সালের ৩ মে অসুস্থ হলে তাকে রাজশাহী মেডিকেলে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, তৎকালীন পিপি মোশারফ হোসেন কাজল, সাবেক এমপি হাজী মো. সেলিম, সোলায়মান সেলিম, ইরফান সেলিম, পুলিশের তৎকালীন আইজিপি, তৎকালীন ডিআইজি প্রিজন গোলাম হায়দার, আইজি প্রিজন ব্রিগেডিয়ার ইফতেখার, জেলার ফোরকান ওয়াহিদ, রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের তৎকালীন জেলার শাহাদাত, সিনিয়র জেলসুপার শফিকুল ইসলাম, ডেপুটি জেলার হোসেনুজ্জামান, রাজশাহী কারাগারের চিকিৎসক আবু সায়েম, সাজাপ্রাপ্ত আসামি রাব্বানী, হাজারীবাগের মনির হোসেন, এ এস শরিফ উদ্দিন ওরফে ব্ল্যাক শরিফ, আলী আহাম্মদ, হিরু কামাল, সাবেক কাউন্সিলর হাজী হাসান পিল্লু, বিপ্লব আহমেদ, বিডিআর হত্যামামলার তদন্ত কর্মকর্তা আবদুল কাহার আকন্দ ও রাজশাহীর তৎকালীন ডিআইজি প্রিজন বজলুর রহমান। এ ছাড়া অজ্ঞাত আরও আসামি আছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, নাসিরুদ্দিন আহমেদ পিন্টুর রাজনৈতিক উত্থানে ঈর্ষান্বিত হয়ে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে নেতৃত্বশূন্য করার উদ্দেশে আসামিরা তাকে হত্যা করে এবং হত্যায় সহযোগিতা করে ঘটনা ধামাচাপা দেয়। বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন জানান, বিচারক অভিযোগটি আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।