মসুর ডাল, সার কেনা ও চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে পানি শোধনাগার স্থাপনসহ ১২টি ক্রয়প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। এতে মোট ব্যয় হবে ২ হাজার ৩৯৮ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। গতকাল সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত ক্রয় কমিটির বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থ উপষ্টো ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। বৈঠক শেষে জানানো হয়, সভায় বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) বাস্তবায়নাধীন ‘জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে পানি শোধনাগার ও গভীর নলকূপ স্থাপন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ১ নম্বর ৫০ এমএলডি ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট স্থাপনে ঠিকাদার নিয়োগের একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ৫১৮ কোটি ৬১ লাখ ২১ হাজার টাকা।
সভায় রাষ্ট্রীয় চুক্তির আওতায় বাংলাশে কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি)-এর জন্য সৌদি আরবের মা’এডেন থেকে দ্বিতীয় লটে ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার এবং বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)-এর জন্য একই দেশের সাবিক অ্যাগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি থেকে ১৬তম লটে ৩০ হাজার টন বাল্ক গ্র্যানুলার (অপশনাল) ইউরিয়া সার আমদানির দুটি পৃথক প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রতি মেট্রিক টন ৬১১ ডলার দরে ৪০ হাজার টন ডিএপি সার আমদানিতে বাংলাদেশি মুদ্রায় ব্যয় হবে ২৯৮ কোটি ১৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা। অন্যদিকে প্রতি মেট্রিক টন ৩৯৫.১৬ ডলার দরে ৩০ হাজার টন বাল্ক গ্র্যানুলার (অপশনাল) ইউরিয়া সার আমদানিতে বাংলাদেশি মুদ্রায় ব্যয় হবে ১৪৪ কোটি ৬২ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। এ ছাড়া কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) থেকে ১২তম লটে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ব্যাগড গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার কেনার পৃথক আরেকটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রতি মেট্রিক টন ৩৮৯.৭৫ ডলার দরে বাংলাদেশি মুদ্রায় এতে ব্যয় হবে ১৪২ কোটি ৬৪ লাখ ৮৫ হাজার টাকা।