ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির পূজা উদযাপন কমিটির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো বর্ণাঢ্য বাণী অর্চনা-২০২৫। বসুন্ধরা খাতার পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত এ উৎসব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা এবং বিশিষ্টজনদের উপস্থিতিতে এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। গতকাল পূজার অনুষ্ঠানের সূচনা হয় সকাল ৭টায় প্রতিমা স্থাপনের মাধ্যমে। এর পর ধূপ আরতি, পুষ্পাঞ্জলি, প্রসাদ বিতরণসহ বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর শামস রহমান, প্রো-ভিসি প্রফেসর মোহাম্মদ আশিক মোসাদ্দেক, ট্রেজারার এয়ার কমান্ডার (রিটায়ার্ড) ইশফাক ইলাহী চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। উৎসবে অংশগ্রহণকারীদের উচ্ছ্বাস ও আন্তরিক সহযোগিতায় পূজা উদ্যাপন আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত রাখার প্রত্যয়ে আয়োজক কমিটি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। পূজা শেষে জমকালো সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা পরিবেশিত হয়। যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের পাশাপাশি বিশিষ্ট শিল্পীরাও সংগীত ও নৃত্য পরিবেশন করেন।
ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি দেবাশীষ রায় বলেন, এই পূজা শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি বাঙালি সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। সবার অংশগ্রহণে এটি এক আনন্দঘন মিলনোৎসবে পরিণত হয়েছে, যা আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করে। তিনি বসুন্ধরা খাতাকে ধন্যবাদ জানান তাদের পাশে থেকে দিনটিকে আরও সুন্দর করে তোলার জন্য।
ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির পূজা উদ্যাপন কমিটির উপদেষ্টা এবং প্রাক্তন ছাত্র সৌরভ সাহা বলেন, আমরা একমাত্র বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে টানা ১৪ বছর পূজা উদযাপন করে আসছি। এই পূজা বর্তমান এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাহায্যে হয়ে থাকে। এ বছর বসুন্ধরা গ্রুপের সহায়তায় বড় পরিসরে আয়োজিত হচ্ছে। আমরা আশা করব ভবিষ্যতেও বসুন্ধরা গ্রুপ এরকম সহায়তা অব্যাহত রাখবে।
বসুন্ধরা গ্রুপের সেক্টর-সি (মার্কেটিং)-এর সিনিয়র এক্সিকিউটিভ সৈয়দ জুলকার নাইন বলেন, শিক্ষা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে এই আয়োজন করা হয়েছে। সরস্বতী পূজার এই বিশেষ দিনে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য বসুন্ধরা পেপারের খাতা বিতরণের পাশাপাশি একটি সেলস স্টল স্থাপন করা হয়েছে। স্টলে টিস্যু, স্যানিটারি প্যাড, হাইজিন পণ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস বাজারমূল্যের চেয়ে সাশ্রয়ী দামে বিক্রি করা হয়।