সময়ের পরিক্রমায় সমৃদ্ধ হচ্ছে চট্টগ্রামের প্রকাশনা সংস্থা। বর্তমানে চট্টগ্রামের ৭৩টি প্রকাশনী সংস্থা থেকে বিষয়-বৈচিত্র্যের প্রায় ৪ হাজার নতুন বই বের হয়েছে। বইগুলো থাকবে মেলায়। চট্টগ্রাম নগরের জিমনেসিয়াম মাঠে অমর একুশে বইমেলা আজ শুরু হয়ে চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। উদ্বোধন করবেন গৃহায়ন, গণপূর্ত ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) উদ্যোগে এবং চট্টগাম সৃজনশীল প্রকাশক পরিষদের ব্যবস্থাপনায় মেলার আয়োজন করা হয়। অতীতে চট্টগ্রামের বইমেলা ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে শুরু হলেও এবার প্রথম দিন থেকেই শুরু হচ্ছে। জানা যায়, এবারের বইমেলা সাজানো হয়েছে জুলাই বিপ্লবকে উপজীব্য করে। পরিবর্তিত পরিস্থিতির আবহের নানা প্রেক্ষাপট ও পরিপ্রেক্ষিতের ওপর ভিত্তি করে উপস্থাপন করা হবে বিভিন্ন প্রদর্শনী, ভিডিও এবং বিপ্লব সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিকে প্রাধান্য দিয়ে। বইমেলা মঞ্চে দেওয়া হবে জুলাই বিপ্লবে আহত-নিহত পরিবারকে সম্মাননা। প্রায় ১ লাখ বর্গফুটের মাঠজুড়ে ১৪০টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামের স্টল ৭৪টি ও ঢাকার ৪৪টি। জানা যায়, অতীতে চট্টগ্রামে ২১ ফেব্রুয়ারি, ২৬ মার্চ এবং ১৬ ডিসেম্বরে ছোট ছোট পরিসরে ভিন্ন ভিন্ন স্থানে বইমেলার আয়োজন করা হতো। এসব বইমেলা থাকত অনেকটা প্রাণহীন। দেখা মিলত না পাঠক-ক্রেতার। নিষ্প্রাণ সেসব মেলায় অংশ নিত না বড় প্রকাশনা সংস্থাগুলো। থাকত না পাঠক চাহিদার কাক্সিক্ষত বই। ব্যবস্থাপনায় থাকত বিশৃঙ্খলা। ২০১৯ সালে জিমনেসিয়াম মাঠে চসিকের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো বৃহত্তম পরিসরে বইমেলার আয়োজন করে। প্রথম বছরই ১১৫টি প্রকাশনা সংস্থা মেলায় অংশগ্রহণ করে। ২০২১ সালে করোনার কারণে বইমেলা অনুষ্ঠিত হয়নি। ২০২২, ২০২৩ ও ২০২৪ সালেও বড় পরিসরে সফল বইমেলা অনুষ্ঠিত হয়।