সপ্তাহের তৃতীয় দিনেও দরপতন হয়েছে শেয়ারবাজারে। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্যসূচক কমেছে। সেই সঙ্গে কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) দাম বাড়ার তালিকায় রয়েছে বেশি প্রতিষ্ঠান। ফলে এ বাজারটিতে মূল্যসূচক বেড়েছে। তবে কমেছে লেনদেনের পরিমাণ।
দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে দাম বেড়েছে ১৭৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের। বিপরীতে দাম কমেছে ১৫২টির এবং ৭৭টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। এরপরও ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৩ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ১২৬ পয়েন্টে নেমেছে। ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণও কমেছে। দিনভর ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩২৮ কোটি ৩১ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৩৪৪ কোটি ৩ টাকা। সে হিসাবে আগের কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেন কমেছে ১৫ কোটি ৭২ লাখ টাকা। লেনদেনের শীর্ষে ছিল ব্র্যাক ব্যাংকের শেয়ার। টাকার অঙ্কে কোম্পানিটির ১৩ কোটি ৭৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা এডিএন টেলিকমের ১২ কোটি ৭২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ১০ কোটি ১৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ওরিয়ন ইনফিউশন। বিনিয়োগ তহবিলের মেয়াদ বৃদ্ধি চায় ডিবিএ : তফসিলি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোকে শেয়ারবাজারে নিজস্ব পোর্টফোলিওতে বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ তহবিলের মেয়াদ ২০২৩ সাল পর্যন্ত বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)। একই সঙ্গে এ বিশেষ তহবিলের আকার প্রতিটি তফসিলি ব্যাংকের জন্য ২০০ কোটি টাকা বাড়িয়ে ৩০০ কোটি টাকা করার দাবি জানিয়েছে স্টক ব্রোকারদের সংগঠন। চলতি বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি এ বিশেষ তহবিলের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের বরাবর চিঠি পাঠিয়ে এ বিশেষ তহবিলের মেয়াদ ও আকার বাড়ানোর দাবি জানানো হয়েছে।