ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার ২৯তম আসর গত ১ জানুয়ারি থেকে চলছে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের পূর্বাচলে মেলার স্থায়ী প্যাভিলিয়নে। মেলায় গৃহস্থালী, প্লাস্টিক, প্রসাধনী, আসবাবপত্র, পাটপণ্য, থ্রি-পিস ও ইলেকট্রনিক্সসহ নানা ধরনের পণ্যের সমাহার ঘটলেও পাটপণ্যে আকৃষ্ট হচ্ছেন ক্রেতা-দর্শনার্থী। এর অন্যতম কারণ পাটের তৈরি পণ্য পরিবেশবান্ধব। এ পণ্য পরিবেশের কোনো ক্ষতি করে না। এক সময় পাটের ব্যাপক চাহিদা থাকলেও কালের বিবর্তনে তা হারিয়ে যেতে থাকে। বর্তমানে বিভিন্ন বাহারি আইটেম দিয়ে পাটের পণ্য তৈরি করায় পাটের চাহিদা আবারও বাড়ছে। মেলার স্টলগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় দেখা গেছে পাটপণ্য কিনতে। পাটের ব্যাগ, শো-পিস, শতরঞ্জি, কার্পেট, পাটজাত পণ্যের ওপর রয়েছে নানা অফার। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রপ্তানিতে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে পাটজাতপণ্য। তাই এ শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে, তৈরি করতে হবে আরও নতুন উদ্যোক্তা। মেলার ২০ দিন পার হয়েছে। বাকি আছে ১১ দিন। সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে আসা দর্শনার্থী মো. রফিক বলেন, পাট আমাদের দেশীয় পণ্য। পাটজাত পণ্য পরিবেশের জন্য অনেক ভালো। এ পণ্য ব্যবহারে পরিবেশের কোনো ক্ষতি হয় না। এ কারণে কিছু পণ্য কিনেছি।
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থেকে আসা রাসেল মিয়া বলেন, প্রতি বছরই মেলায় এসে পাটপণ্যের স্টল খুঁজে বের করি। পাটের তৈরি পণ্য অনেক ভালো লাগে। তাই পাটের ব্যাগ ও জুতা পরিবারের জন্য কিনে নিয়ে যাচ্ছি। দামও বেশ কম।