পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, ক্যান্সারসহ অন্যান্য রোগ এবং পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতির জন্য দায়ী পলিথিন ও সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক আমাদের বর্জন করতে হবে। আইনে নিষিদ্ধ বলেই শুধু নয়, সন্তানদের সুস্থ ভবিষ্যৎ এবং প্রজন্মের স্বার্থেই পলিথিন ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।
পলিথিন শপিং ব্যাগের ব্যবহার বন্ধে ব্যর্থ হলে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অকল্পনীয় ক্ষতি বয়ে আনবে। গতকাল সকালে চট্টগ্রাম থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ‘পলিথিন বিরোধী এবং পরিবেশ সংরক্ষণ’ বিষয়ে স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি। সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি আহসান হাবিব পলাশ, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো. হুমায়ুন কবির, চসিকের প্রধান নির্বাহী শেখ মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম প্রমুখ। সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (দূষণ নিয়ন্ত্রণ) সিদ্ধার্থ শংকর কু ু। পরে পরিবেশ উপদেষ্টা চট্টগ্রামের কাজির দেউড়ি কাঁচাবাজার পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি দোকানদার ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, পলিথিনের ক্ষতিকর প্রভাব আমাদের স্বাস্থ্যকে হুমকির মুখে ফেলেছে। নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিনের ব্যবহার বন্ধ করতে সরকার, ব্যবসায়ী, ভোক্তা এবং স্থানীয় জনগণের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। তিনি বলেন, ঢাকা শহরের সুপার শপিংমলগুলো থেকে ৯০ শতাংশ পলিথিন দূর করা গেছে। সেখানে কাপড়, কাগজ ও পাটের ব্যাগ ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে যে পাটের দাম ছিল ২৮ টাকা, কিন্তু যখন বলা হলো পলিথিন বন্ধ করে পাট আসবে, তখনই পাটের দাম হয়ে গেল ৪০ টাকা। তিনি বলেন, এটা তো বাংলাদেশ। আমাদের দেশটাকে তো আমরা চিনি। জিনিসগুলো প্রশ্রয় দিলে কিন্তু পলিথিন ব্যবসায়ীরাই সামনে আসবে। তাই এগুলোকে আমরা প্রশ্রয় দেব না।