সপ্তাহের ব্যবধানে বগুড়ার বাজারে আবারও কমেছে সবজির দাম। সাত দিন আগে যে সবজির দাম ছিল ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি তা এখন ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এখন স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ ক্রেতার মাঝে। এদিকে সবজির দাম কমায় বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। তারা বলছেন, এক মণ সবজি বিক্রি করে একজন শ্রমিকের খরচ উঠছে না। জানা যায়, উত্তরাঞ্চলের মধ্যে বগুড়ায় তুলনামূলক বেশি সবজি উৎপাদন হয়ে থাকে। কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, শীত মৌসুমে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় আগাম সবজি উৎপাদন হয়েছে ৮০ হাজার টন। ব্যবসায়ী সূত্রে জানা গেছে, বগুড়ার বিভিন্ন বাজারে শীতকালীন সবজির দাম শুরুতে বেশি ছিল। তবে সরবরাহ বেশি থাকায় কমেছে দাম। যে কারণে কেজিপ্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা দাম কমেছে।
গতকাল বগুড়া শহরের ফতেহ আলী, রাজাবাজার, কলোনি, খান্দার ও বকশীবাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকা। যা গত সপ্তাহে ছিল ৩৫ থেকে ৪০ টাকা কেজি। মটরশুঁটি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজি। যা আগে বিক্রি ছিল ১৬০ টাকা কেজি। বেগুনের দাম কমে ২০ থেকে ৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া ফুলকপি ১০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৪০ টাকা, শিম ২০, করলা ৬০, পিঁয়াজ ৪৫, গাজর ৪০, মিষ্টিকুমড়া ৪০ থেকে ৫০, শসা ২৫, বরবটি ৬০, পেঁপে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে পাতাকপি প্রতি পিস বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ১৫ টাকা।
রাজাবাজার পাইকারি আড়তদার ব্যবসায়ী সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাফায়েতুল ইসলাম বাবু জানান, বগুড়ার বৃহত্তর সবজির মোকাম মহাস্থান হাটে আমদানি বাড়ায় খুচরা বাজারে সবজির দাম কমেছে। জেলায় প্রচুর শীতকালীন সবজির আবাদ হয়েছে। যা এখানকার চাহিদা মিটিয়ে দেশের অন্যান্য জেলাতেও নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।