সার দিতে ব্যর্থ হওয়ায় কৃষকদের তোপের মুখে পড়ে অবরুদ্ধ হয়েছেন লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ আজাদ। গতকাল দুপুরে উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়ন পরিষদে সারের জন্য টোকেন দিতে গিয়ে উপস্থিত কৃষকদের কাছে অবরুদ্ধ হন তিনি। পরে কৌশলে পালিয়ে রক্ষা হয় তার।
কৃষকরা জানান, চলতি রবি মৌসুমে আলু, সরিষা, ভুট্টা ও তামাকসহ বিভিন্ন জাতের সবজি চাষাবাদে প্রচুর সারের প্রয়োজন হয়। এ সময় কিছু অসাধু বিক্রেতা সার গোপনে মজুদ করে কালোবাজারে বেশি দামে বিক্রি করছে। ফলে সারের কৃত্রিমসংকট তৈরি হয়েছে। সরকারের নিবন্ধিত সার বিক্রেতাদের কাছে মিলছে না ন্যায্যমূল্যের সার। অথচ অনিবন্ধিত খুচরা বিক্রেতাদের অতিরিক্ত দাম দিলে সার মিলছে। সারের সংকট নিরসনে কৃষকদের চাহিদা বিবেচনা করে বিশেষ টোকেন চালু করে কৃষি বিভাগ।
কৃষি বিভাগের স্থানীয় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের স্বাক্ষরিত টোকেন নিয়ে ডিলার পয়েন্টে গেলে সরকারি দামে সার মিলছে। নয়তো অনিবন্ধিত বিক্রেতার কাছ থেকে বস্তাপ্রতি ৫০০ থেকে হাজার টাকা বেশি দামে কিনতে হয়। তাই ন্যায্যমূল্যে সার পেতে কৃষকরা কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের পিছু ছুটছেন। তারা ইউনিয়ন পরিষদে বসে কৃষকদের টোকেন দিচ্ছেন। সে টোকেনের আলোকে সরকারি দামে সার কিনছেন চাষিরা।