এতদিন মানুষের অন্তরে ছিলেন জাতীয় কবি। এবার নজরুল ইসলাম জাতীয় কবি হিসেবে স্থান পেলেন সরকারি কাগজপত্রে। আগের দিন কবির সরকারি স্বীকৃতি মিলল আর পরের দিন কবির অমিয় বাণীর দ্রোহ, প্রেম ও চেতনা জাগানিয়া সব কবিতায় কবির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন জনপ্রিয় বাচিকশিল্পী তাহসিন রেজা। বলিষ্ঠ কণ্ঠ থেকে ছন্দের সুষমা ছড়িয়ে দিয়ে আবৃত্তির আসরকে নজরুলময় করে তুললেন এ আবৃত্তিকার। একক পরিবেশনায় মিলনায়তনভর্তি আবৃত্তির সমঝদারদের মুগ্ধ করেন এ আবৃত্তিশিল্পী।
এনিগমা মাল্টিমিডিয়া লিমিটেডের আয়োজনে গতকাল পৌষের কনকনে হাড়কাঁপানো শীতের সন্ধ্যায় বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের প্রধান মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় ‘নজরুল অনুরণন’ শিরোনামের এ কবিতার আসর। শিল্পীর পরিবেশনায় হাড়কাঁপানো শীতেও নেমে আসে উষ্ণতা।
‘দাও শৌর্য দাও ধৈর্য হে উদারনাথ’ কবিতাটি আবৃত্তির মধ্য দিয়ে জাতীয় কবির অনবদ্য সৃষ্টির ঝাঁপি খোলেন আবৃত্তিকার তাহসিন রেজা। পরিবেশনার পরতে পরতে জাতীয় কবিকে মূর্ত করে তোলেন জনপ্রিয় এই বাচিকশিল্পী।
এরপর একে একে তিনি পরিবেশন করেন, সাম্যবাদী, বিদায় বেলায়, খেয়াপারের তরণী, লিচু চোর, শাত ইল আরব, দোদুল দুল, আমার কৈফিয়ত, এক আল্লাহ জিন্দাবাদ, কাণ্ডারি হুঁশিয়ার, দৃষ্টিতে আরও পত্রাবলীসহ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মোট ১৩টি কবিতা।
শিল্পীর সঙ্গে সংগীতে সঙ্গত করেন নজরুলসংগীত শিল্পী ইউসুফ আহমেদ খান।
এর আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বক্তৃতা করেন এনিগমা মাল্টিমিডিয়া লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ এইচ এম ফাহমিদুল ইসলাম শান্তনু ও একুশে পদকপ্রাপ্ত বাচিকশিল্পী ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়।