আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেছেন, ৫ আগস্টের ঐক্য ধরে রাখুন। ঐক্য ধরে রাখতে না পারলে ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করবে না। ফ্যাসিস্ট হাসিনার পলায়নের মধ্য দিয়ে দেশবাসীর মধ্যে যে ঐক্য তৈরি হয়েছিল সেই ঐক্য ধরে রাখা এখন খুবই জরুরি। না পারলে ভারত প্রতিনিয়ত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জাল বুনে যাবে। ষড়যন্ত্র করতে থাকবে। রাজনীতিবিদ-ছাত্রজনতার মধ্যে ঐক্যের ফাটল ধরায় ভারত একের পর এক ষড়যন্ত্র কার্ড খেলে যাচ্ছে। গত দুদিন ধরে তারা আরেকটি নতুন কার্ড খেলছে, সেটি হলো প্রফেসর ইউনূস সরকারের ভুয়া পদত্যাগ। আজ চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবর্ধনা ও সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন আমার দেশ পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক এম আব্দুল্লাহ, দৈনিক আমার দেশের মফস্বল সম্পাদক আবু দারদা জোবায়ের, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ শাহনওয়াজ, সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান, মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত, শামসুল হক হায়দারী, মুস্তফা নঈম, গোলাম মাওলা মুরাদ, শাহনেওয়াজ রিটন, পেশাজীবী নেতা ডা. খুরশিদ জামিল, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট চট্টগ্রামের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মানজার এ খোরশেদ আলম, ইঞ্জিনিয়র সেলিম মোহাম্মদ জানে আলম প্রমুখ।
মাহমুদুর রহমান বলেন, ভারত ইউনূস সরকারের ভুয়া পদত্যাগ তৈরি করে, সেটি ভাইরাল করার চেষ্টা করেছে। বিভিন্ন ইয়ং উপদেষ্টাদের বিষয়ে বলেছে, তারা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। কোনো কোনো জায়গায় ফ্যাসিবাদের ক্যাডাররা মিছিল করারও চেষ্টা করেছে। দুয়েক জায়গায় গ্রেফতারও হয়েছে। এগুলো সবই ভারতের কার্ড। কিন্তু তারা পরাজিত হচ্ছে। ৫ আগস্টের ঐক্য ধরে রাখতে পারলে ভারত এতদিন দেশের পরিবর্তন মেনে নিতো বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, ১/১১ পর রাজনীতিতে সম্পৃক্ততা হওয়ার প্রধান কারণ ছিলো, আমি বুঝতে পেরেছিলাম জেনারেল মইন যে আর্মি ক্যু-টা করেছিলেন, সেটি ভারতের নির্দেশে করা হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যে ভারতের কাছে বিকিয়ে দেওয়া হচ্ছে, এটি আমি বুঝতে পেরেছিলাম। সেসময় আমি রাজনৈতিক মাঠে আসলাম। ওইসময় আমার মনে আছে দেশের মধ্যে একমাত্র চট্টগ্রামে প্রথম প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছিল। ওই সমাবেশের আয়োজনে ছিলেন বর্তমান সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। সেটিই ছিল ১/১১ সরকারের বিরুদ্ধে প্রথম প্রতিবাদ সমাবেশ। পেশাজীবী পরিষদের ব্যানারে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য দীর্ঘ লড়াই করেছি।
বিডি প্রতিদিন/এএ