রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গণঅধিকার পরিষদের সিনিয়র সহসভাপতি মো. ফারুক হাসানের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার দুজন জামিন পেয়েছেন। গতকাল দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলমের আদালত শুনানি শেষে তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, গতকাল ভোর ৪টায় প্রধান আসামি এস কে আবীর আহমেদ শরীফ ও কোরবান শেখ হিল্লোলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক প্রশান্ত কুমার সাহা আসামিদের কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী জামিন চেয়ে আবেদন করেন। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম শুনানি শেষে জামিন মঞ্জুর করেন। একই দিন ভোরে দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের পর দ্রুত তাদের জামিন হয়ে যাওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ।
সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জুলাই গণ অভ্যুত্থানে আহত শিক্ষার্থীদের একাংশের
ফারুক হাসানের ওপর হামলার পেছনের কারণ খুঁজে বের করা এবং হামলার ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের দাবি করেছে জুলাই গণ অভ্যুত্থানে আহত শিক্ষার্থীদের একাংশ। গতকাল জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (নিটোর) অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, একজন মানুষ আরেকজন মানুষের ওপর এমনিতেই হাত তুলবে না। নিশ্চয় এর পেছনে কিছু না কিছু ঘটেছিল। তাই মূল ঘটনা খুঁজে বের করা উচিত।
ফারুক হাসানের ওপর হামলার দায় জুলাই অভ্যুত্থানের সব আহত এবং শহীদ পরিবারের ওপর চাপানোর প্রতিবাদে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন আহত শিক্ষার্থী মো. সৌরভ ইসলাম। তিনি বলেন, নুর ভাইদের সঙ্গে আমাদের কোনো শত্রুতা নেই। তারাও ফ্যাসিস্ট হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছেন। যারা হামলা চালিয়েছে, তাদের সুষ্ঠু বিচার হোক। ওই হামলার ঘটনায় আমাদের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৪ জানুয়ারি বিকাল ৪টায় শহীদ মিনারে মো. ফারুক হাসান বক্তব্য দেওয়ার সময় আসামিরা কয়েকবার বাধা দেয়। বক্তব্য শেষে তারা ফারুকের ওপর হামলা চালায়।