শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ১৪ মার্চ, ২০২৫

সংলাপ না রাজপথ

ফাইজুস সালেহীন
প্রিন্ট ভার্সন
সংলাপ না রাজপথ

চারপাশে প্রতিদিন যা ঘটে চলেছে, তার মধ্যে সুসংবাদের অংশ সামান্য। বেশির ভাগ খবরই নৈরাশ্যজনক। যানজটে নাকাল নগর ও নগর উপকণ্ঠের মানুষ। চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, মবোক্র্যাসি, ধর্ষণ, মিছিল, খুনখারাবি, চাঁদাবাজি, দখলবাজি, আন্দোলন-সংগ্রাম ও শয়তান শিকার অভিযান চলছে যেন পাল্লা দিয়ে। অন্যদিকে জুলাই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে জাতীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক ঐক্যের যে পাটাতন তৈরি হয়েছিল, তাতেও ফাটল ধরেছে, প্রতীয়মান হয়। কে কার কোন পারপাস সার্ভ করতে চাইছে, সে এক কঠিন ধাঁধা।

গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর অনুসন্ধান বলছে, সারা দেশে অপরাধকর্ম সংঘটনের পেছনে কাজ করছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও আরও দুয়েকটি গোপন সংগঠন। ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা নানা কৌশলে অপরাধীদের মাঠে নামাচ্ছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তারা নিজেরাও অপরাধের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নিজেও বলেছেন, দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে পতিত স্বৈরাচার বিপুল অর্থ ঢালছে। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

এরূপ পর্যবেক্ষণ অমূলক হয়তো নয়। গণ অভ্যুত্থানের মুখে পরাজিত ও পলায়নপর শক্তি প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার চেষ্টা করতেই পারে। পাশাপাশি ঘোলা পানিতে মাছ শিকারে নেমে পড়তে পারে জাত অপরাধীরাও। রাজনৈতিক দল, এনজিও, সুশীল, সমন্বয়ক, ধার্মিক নানা রঙের চাদর পরে ব্যক্তিগত বা গোষ্ঠীগত মতলব হাসিলের চেষ্টাও যে চলছে না, তেমনটি বলার কোনো সুযোগ নেই।

প্রশ্ন হচ্ছে সমস্যাকীর্ণ এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ সম্ভব কোন পথে? এই পরিস্থিতি সামলানোর দায়িত্ব প্রথমত ও প্রধানত অন্তর্বর্তী সরকারের। নিজেদের যাঁরা জুলাই অভ্যুত্থানের নায়ক বলে দাবি করেন এবং যাঁরা অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে প্রথম থেকে নিবিড়ভাবে কাজ করে চলেছেন তাঁদেরও দায়িত্ব এ ক্ষেত্রে কম নয়। জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে দেশের ছোটবড় প্রায় সব রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের সর্বাত্মক অংশগ্রহণ থাকলেও ছাত্রদের কৃতিত্ব দিতে কখনো কোনো দল কার্পণ্য করেনি। এজন্য রাজনৈতিক দল প্রশংসার দাবিদার। কোনো কোনো পার্টি জাতীয় সরকারের কথা বললেও অন্তর্বর্তী সরকারে তারা শরিকানা চায়নি। কিন্তু আন্দোলনের পাইওনিয়াররা চেয়েছিলেন এবং তাঁরা শরিক হয়েছেন। কাজেই তাঁদের কাঁধেও সেই দায়িত্ব বর্তায়। সেই দায়িত্ব কি তাঁরা পালন করতে পারছেন! নাকি পালন করছেন! জনমনে আজ এই প্রশ্নটি প্রবল হয়ে দেখা দিতে শুরু যে করেছে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। যদি তা-ই না হবে; সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের অনেকে কেন সমন্বয়ক, বৈষম্যবিরোধী- এসব বিশেষণ ব্যবহার করে নেতিবাচক মন্তব্য করছেন? সাম্প্রতিক এক জরিপে ছাত্রদের দলের জনপ্রিয়তা সবচেয়ে কম বলে ফল পাওয়া গেছে। সম্প্রতি দেশের চৌষট্টি জেলার ১০ হাজার ৬০০-এরও বেশি মানুষের মতামত জরিপ করেছে একটি সংস্থা। তাতে দেখা যায়, দল হিসেবে মাত্র ৫ শতাংশ মানুষ ছাত্রদের দ্বারা গঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টিকে সমর্থন করছে। এমন তো হওয়ার কথা ছিল না। কেন এমন হলো?

পক্ষান্তরে জরিপে উত্তরদাতাদের ৪১ শতাংশের পছন্দ বিএনপি, ৩১ শতাংশের পছন্দ জামায়াতে ইসলামী। ১৪ শতাংশ মানুষ এখনো আওয়ামী লীগের সমর্থক বলে এই জরিপ ফলাফলে বলা হয়েছে।

চারপাশে প্রতিদিন যা ঘটে চলেছে, তার মধ্যে সুসংবাদের অংশ সামান্যপরিসংখ্যান বা জরিপ ফলাফলকে ধ্রুব সত্য বলে মেনে নেওয়া জরুরি নয়। মার্ক টোয়েনের সেই বিখ্যাত উক্তিটি এখনো অসার প্রমাণিত হয়নি। তিনি বলেছিলেন, মিথ্যা তিন প্রকার; ১. মিথ্যা ২. ডাহা মিথ্যা ৩. পরিসংখ্যান। এই বাণীটি মাথায় রেখেও যে কেউ স্বীকার করবেন, আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া ছাত্রদের জুলাই-আগস্টের জনপ্রিয়তা এখন আর নেই। যাঁরা ছিলেন তুঙ্গে, তাঁদের জনপ্রিয়তা আজ নিম্নগামী কেন? আত্মসমালোচনা প্রয়োজন। কবিরা তারুণ্যের জয়গান যতই গেয়ে থাকুন না কেন, দিন শেষে প্রবীণের বৈদগ্ধের শক্তি উপেক্ষা করা বাঞ্ছনীয় নয়।

১৯৭২ সালে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে একদল তুখোড় তরুণ জাসদ গঠন করেছিলেন। তাঁরা মাঠে নেমেছিলেন চকচকে ধারালো সেøাগান নিয়ে। বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র, শ্রেণিসংগ্রাম, লড়াই লড়াই লড়াই চাই, লড়াই করে বাঁচতে চাই। এসব সেøাগানের মধ্যে নতুনত্ব ছিল, তার চেয়ে বেশি ছিল অ্যাডভেঞ্চারিজম, তাত্ত্বিক ভিত্তিও ছিল। চে গুয়েভারাকে তখন জীবনের আইডল বানিয়ে নিয়েছিলেন বাবরি দোলানো অনেক তরুণ। সেই সময়ের তরুণদের মধ্যে দলটি বাস্তবিক পক্ষেই বেশ একটা আলোড়ন তুলতে পেরেছিল। কিন্তু ১৯৭৩ সালের জেনারেল ইলেকশনে মধুপুরে আবদুস সাত্তার ছাড়া জাসদের মশাল মার্কার আর কেউই জিততে পারেননি। অবশ্য বেশ কয়েকটি আসনে কারচুপির অভিযোগ উঠেছিল। সেবারের নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের হিসাবে জাসদ তৃতীয় হয়েছিল। মোট ভোটের মাত্র সাড়ে ৬ শতাংশ পড়েছিল এই দলের মার্কায়।

স্বীকার্য সেই সময়ের জাসদ ও আজকের নবগঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টি গঠনের প্রেক্ষাপট এক নয়। জাসদ ছিল কট্টর সরকারবিরোধী। পক্ষান্তরে জাতীয় নাগরিক পার্টি বর্তমান সরকারের নিকটতর। তাদের প্রতিনিধিরা সরকারে আছেন। অনেকে এই দলকে কিংস পার্টি বলছেন। তবে মিলের জায়গাটি হলো জাসদ নতুন সেøাগান দিয়েছিল, এই দলেরও নতুন সেøাগান রয়েছে। তারা চান সেকেন্ড রিপাবলিক। জাসদ চেয়েছিল বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র।

আপাত বিচারে মনে হচ্ছে, জাতীয নাগরিক পার্টি সবার আগে জাতীয় নির্বাচনপ্রত্যাশী রাজনৈতিক দল ও জনমতের বিপরীত অবস্থান গ্রহণ করেছে। বিএনপি চাইছে ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। যদিও দলটি বলছে, তারা সংস্কারের বিপক্ষে নয়। সুষ্ঠু ইলেকশনের জন্য দরকারি সংস্কারগুলো করে আগে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে নির্বাচিত সরকার গঠিত হোক। নির্বাচিত সরকার বাকি সব সংস্কার করবে। সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া। বিএনপির মিত্রদলগুলোর অভিমতও অনুরূপ। বামধারার প্রধান দলগুলোও মনে করে, সংকট উত্তরণে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন নির্বাচিত সরকার। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বাংলাদেশ প্রতিদিনের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, আমরা আশা করি, সরকার ক্ষমতা আঁকড়ে না থেকে দ্রুত নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করবে। সিপিবি এ মাসের মধ্যেই ইলেকশনের রোডম্যাপ চায়। বর্তমানে বামধারার রাজনীতি যথেষ্ট বেগবান না হলেও এ কথা অনস্বীকার্য যে এই দলগুলোর নেটওয়ার্ক বিস্তৃত রয়েছে সারা দেশে। নির্বাচন প্রশ্নে জামায়াতে ইসলামী কৌশলী অবস্থান গ্রহণ করে চলেছে।

পক্ষান্তরে নাগরিক পার্টির প্রধান নাহিদ ইসলাম বিচার, সংস্কার ও গণপরিষদ নির্বাচনের দাবি আদায়ের জন্য আবারও সম্মিলিতভাবে রাজপথে নামবেন বলে জানিয়েছেন। এই দাবির ব্যাখ্যায় দলের নেতারা বলছেন, তাঁরা সাধারণ নির্বাচন বিলম্বিত করতে চান না। এই পার্টির অন্তত একজন নেতাকে বলতে শুনেছি, জাতীয় সংসদ ও গণপরিষদ নির্বাচন একই দিনে হতে পারে। নাগরিক পার্টির একজন দিন কয়েক আগে বলেছেন, গণহত্যাকারীর বিচারের আগে দলগুলো যেন ইলেকশনের নাম মুখে না আনে। পরে অবশ্য তিনি এই বক্তব্যের ভিন্ন তাৎপর্য ব্যাখ্যা করেছেন। নাগরিক পার্টির সাবেক প্ল্যাটফর্ম থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে স্থানীয় ইলেকশনের দাবিও করা হয়েছিল। এদিকে আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানের পক্ষে জনমত গঠনের চেষ্টাও চলছে।

সম্প্রতি জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংলাপের আয়োজন করেছিল সেন্টার ফর পলিসি অ্যানালাইসিস অ্যান্ড অ্যাডভোকেসি। পর্যবেক্ষক মহলের অনেকে বলছেন, সরাসরি, খুব স্পষ্টভাবে ডিসেম্বরে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিপক্ষে অবস্থান না নিলেও যেসব দাবি উঠছে তাতে জাতীয় নির্বাচন আপনাতেই পিছিয়ে যাবে। একজন ইলেকশন কমিশনারও বলেছেন, স্থানীয় সরকার ভোট আগে করতে হলে জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিলম্বিত হবে। সাধারণ নির্বাচন বিলম্বিত করার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ, কৌশলগত কিংবা সাদামনে যা যা করা ও বলা হচ্ছে তা জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার পথেও বড় কাঁটা হয়ে দেখা দিতে পারে।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ঈদের আগেই রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ডায়ালগ শুরু করতে চায়। ৩৪টি রাজনৈতিক দলের কাছে ১৬৬টি বিষয়ে মাল্টিপল চয়েস পদ্ধতিতে মত চাওয়া হয়েছে। কমিশন আশা করেছিল, ১৩ মার্চের মধ্যে সবাই তাদের মতামত জানাবে। তবে সময় চেয়েছে কয়েকটি দল। ঐকমত্য কমিশনের উদ্দেশ্য একটি সর্বসম্মত সনদ তৈরি করা। সংশ্লিষ্ট দলসমূহের প্রতিনিধিরা ওই সনদে স্বাক্ষর করবেন। ইলেকশনের আগে বা পরে সনদ নির্দেশিত সংস্কার করা হবে। সংকট উত্তরণের নিমিত্ত জাতীয় ঐকমত্যের প্রয়োজনীয়তার প্রশ্নে কেউ দ্বিমত করবে বলে মনে হয় না। কাজেই এই উদ্যোগ সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য। সাধুবাদ জানাই। কিন্তু সালিশ মানি, তালগাছটা আমার এই নীতি ধরে রাজনৈতিক পক্ষগুলো সংলাপে বসলে ঐক্যের সম্ভাবনা ক্ষীণ। নাগরিক পার্টি জাতীয় নির্বাচনের আগে গণহত্যার বিচার, সংস্কার ও গণপরিষদ গঠনের দাবি নিয়ে রাজপথে আন্দোলন করতে চায়। বিএনপি ও তার মিত্ররাও আন্দোলনে নামবে দ্রুত জেনারেল ইলেকশনের দাবিতে। ফয়সালার জন্য যদি রাজপথই বেছে নেওয়া হয়, তাহলে সংলাপে কী ফল দেবে?

দেশে যে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে, তা রুখে দেওয়ার জন্য প্রয়োজন নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকার। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সর্বসম্মত সংস্কার চাই, তা চিহ্নিত করে জাতীয় ঐক্যের সনদও দরকার। দেশের মানুষ এখন শান্তি ও স্থিতি চায়, নৈরাজ্যের অবসান চায়, রাজপথের আন্দোলন নয়। জাতীয় ঐক্য জনগণের প্রত্যাশা পূরণের পথে অন্তর্বর্তী ও ভবিষ্যতের নির্বাচিত সরকারের হাতকে শক্তিশালী করবে।

    লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক

এই বিভাগের আরও খবর
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
সর্বশেষ খবর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

৫০ মিনিট আগে | পাঁচফোড়ন

টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে
টিকফার মাধ্যমে অবস্থান তুলে ধরে শুল্ক কমানোর আলোচনা করতে হবে

১ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

জলবসন্তে সতর্কতা
জলবসন্তে সতর্কতা

২ ঘণ্টা আগে | হেলথ কর্নার

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার
যৌথ অভিযানে এক সপ্তাহে ৩৪১ অপরাধী গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫
ভোলায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ২৫

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গুলশানে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা
বিগত দিনে মানুষ ভোট দিতে পারে নাই : ধর্ম উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি
কটিয়াদীতে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩
যশোরে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালো বাবা-মেয়ে, আহত ৩

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা
আইপিএল ছেড়ে হঠাৎ দেশে ফিরলেন রাবাদা

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু
মিঠামইনে পানিতে ডুবে গৃহবধূর মৃত্যু

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে
গাজায় দেড় বছরে প্রায় ৪০ হাজার শিশু এতিম হয়েছে

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী
আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা
সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌবাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়
নাটোরে বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

৬ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম, সম্পাদক বেলাল

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান
লাঙ্গলবন্দে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী মহাষ্টমী পুণ্যস্নান

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১
খোকসায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত ১

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান
লিবিয়ার জিম্মি দশা থেকে দেশে ফিরলেন লোকমান

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা নিহত

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

১১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

৮ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা
ইসরায়েলের বিমান হামলায় কেঁপে উঠল দামেস্ক ও হামা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা
ভারতকে রুখে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে সুখবর পেল হামজারা, শীর্ষে মেসির আর্জেন্টিনা

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির
নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারে পরোয়ানা: আইসিসি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হাঙ্গেরির

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী
‘স্বাধীনতা ২.০’ নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ফারুকী

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?
কেন ট্রাম্পের নতুন শুল্কের তালিকায় নেই রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার নাম?

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন কূটনীতিকদের জন্য চীনাদের সঙ্গে প্রেমে নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস
মাস্কের ‘বিদায়’ নিয়ে প্রতিবেদনকে ‘আবর্জনা’ বলল হোয়াইট হাউস

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনা ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি

১৩ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
শ্রীপুরে ট্রেনে আগুন, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

১৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় যা বলছেন বিশ্ব নেতারা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা
২০৩৫ ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় হবে, জানাল ফিফা

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত
মিয়ানমারে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে উদ্ধারকারী টিমের অভিযান অব্যাহত

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক
শচীনকন্যা সারা এবার ক্রিকেট দলের মালিক

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই-আগস্টের বিচার বানচালে ষড়যন্ত্রের তথ্য-প্রমাণ পেয়েছি : চিফ প্রসিকিউটর

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার
বিশ্ব মিডিয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

পেছনের পৃষ্ঠা

ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!
ডেকে নিয়ে ভবন থেকে ফেলে হত্যা!

পেছনের পৃষ্ঠা

পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা
পেছানোর সুযোগ নেই ১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা

পেছনের পৃষ্ঠা

ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে
ফুল ও ফল ধরেছে নাগলিঙ্গম গাছে

পেছনের পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস
বাড়তি তাপমাত্রায় বৃষ্টির আভাস

পেছনের পৃষ্ঠা