শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

আলো ছায়াময় দিনের কথা

ইমদাদুল হক মিলন
প্রিন্ট ভার্সন
আলো ছায়াময় দিনের কথা

তখন নাসিমা ও ফাতেমাকে পড়াতে যাওয়ার কোনো নির্দিষ্ট সময় ছিল না। অনেক সময় সকাল ৯টা-১০টার দিকে যেতাম। অনেক সময় দুপুরের পর যেতাম। বিকাল-সন্ধ্যায়ও গিয়েছি। মুক্তিযুদ্ধ শেষ পর্যায়ে। ঢাকা প্রায় অবরুদ্ধ। সারা রাতই ঢাকার আশপাশে বা ঢাকা শহরের ভিতরেই গোলাগুলির শব্দ পাওয়া যায়। আমার টুনুমামাদের পুরো পরিবার বিক্রমপুরে। টুনুমামাও চলে গিয়েছিলেন। একা একা ফিরে এসেছেন। দীননাথ সেন রোডের বাড়িটা শূন্য পড়ে আছে। ভাড়াটিয়ারাও চলে গেছে। টুনুমামা একা দোতলার একটা রুমে থাকেন। আমি গিয়ে রাতে তাঁর সঙ্গে থাকি। এক রাতে ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে টুনুমামা আমাকে ডেকে তুললেন। বাড়ির পুবদিককার পুকুরের ওপারেই রেললাইন। দক্ষিণে কিছুদূর এগোলেই গেন্ডারিয়া স্টেশন। সেদিকটায় তুমুল গোলাগুলির শব্দ। ঘুম ভাঙার পর আমিও আতঙ্কিত। মামা-ভাগ্নে ভয়ে জড়সড় হয়ে বসে রইলাম। নিশ্চয় পাকিস্তানিদের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের মুখোমুখি যুদ্ধ হচ্ছে। পরদিনই বাড়ি ফেলে টুনুমামা আবার বিক্রমপুরে চলে গেলেন। আমাদের পরিবারটি যাওয়ার উপায় নেই। বাড়িঘর সবই আছে বিক্রমপুরে। কিন্তু টাকাপয়সা তো নেই। খাব কী? ওই অবস্থাতেই বড় ভাই একটা চাকরি করে টঙ্গীতে। গেন্ডারিয়া থেকে সাইকেল চালিয়ে টঙ্গী যায়। অফিসে থাকার ব্যবস্থা আছে। একদিন দুদিন পরপর ফিরে আসে। মা আতঙ্কে দিশাহারা হয়ে থাকেন ছেলের জন্য। ছেলে ফিরে আসতে পারবে কি পারবে না। পাকিস্তানিরা তাকে ধরে নিয়ে যায় কি না! মেরে ফেলে কি না! ওই অফিসের চাকরির ফাঁকে ফাঁকে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে ভাইয়ের। সে তাদের হয়ে ইনফরমারের কাজ করে। এসব কথা বিস্তারিত লিখেছি আমার ‘একাত্তর ও একজন মা’ উপন্যাসে।

এ রকম পরিস্থিতিতেই পরিচয় হয়েছিল কামালদের পরিবারের সঙ্গে। আমার ছাত্রীরা থাকে বাড়িটির তিনতলায়। কামালদের পরিবারটি থাকে দোতলায়। ছাত্রী পড়াতে যাওয়ার সময় ওদের ফ্ল্যাটের পাশ দিয়েই সিঁড়ি ভাঙতে হয়। ফুটফুটে সুন্দর একটি ছেলেকে দেখি সারাক্ষণই অতি চঞ্চল ভঙ্গিতে ছোটাছুটি করছে। খেলাধুলা দুষ্টুমি করছে। সঙ্গে ছোট একটি ভাই আর পুতুলের মতো দেখতে একটি বোন। মাকে ‘আম্মা’ ডাকে কামাল। আম্মাকে দেখি মাস ছয়েকের বাচ্চা ছেলে কোলে নিয়ে ফ্ল্যাটের দরজায় দাঁড়িয়ে থাকেন। অতি চঞ্চল তিন ছেলেমেয়েকে স্নেহের গলায় শাসন করছেন। তিনি বেশ লম্বা। টকটকে সুন্দর গায়ের রং। মাথাভর্তি চুল। ব্যক্তিত্বময়ী চেহারা। কণ্ঠে সব সময় প্রায় আদেশ-নির্দেশের স্বর। পরে দেখেছিলাম কী অসামান্য মায়াবতী মানুষ তিনি। স্নেহ-মমতা আর ভালোবাসায় তাঁর হৃদয় পরিপূর্ণ।

তখন নভেম্বর মাসের শুরু। এক সকালে গিয়েছি নাসিমা-ফাতেমাকে পড়াতে। নেমে আসার সময় দেখি কামালের আম্মা দাঁড়িয়ে আছেন দরজার সামনে। আমাকে ডাকলেন। সরাসরি বললেন, ‘তোমার সম্পর্কে আমি সবই জানি। কাল থেকে আমার তিন ছেলেমেয়েকেও পড়াও।’ নাসিমা-ফাতেমাকে পড়িয়ে ২৫ টাকা পেতাম। আম্মাও সেই টাকাটা দেবেন। ওই অবস্থায় মাসে ৫০ টাকা রোজগার খুবই বড় ব্যাপার। একই বাড়িতে দুটো টিউশনি। সুবিধাও অনেক। একই সময়ে পড়াতে গেলেই হবে। একটি শেষ করে আরেকটি টিউশনি। এ দুই পরিবারের মধ্যে আরেকটা মিলও আছে। তারা মানিকগঞ্জের লোক। পরদিন থেকে দ্বিতীয় টিউশনি শুরু হলো আমার। কামালদের পরিবারটি অত্যন্ত ছিমছাম। গোছানো। স্নিগ্ধ সুন্দর পরিবেশ ফ্ল্যাটের ভিতর। কামাল ক্লাস সিক্সে পড়ে বাংলাবাজারের জুবিলী হাইস্কুলে। মেজো ছেলেটির নাম শোয়েব। মেয়েটির নাম বামনি। ওরা পড়ে ক্লাস টুতে। আমরা পড়তাম গেন্ডারিয়া হাইস্কুলে। গেন্ডারিয়া হাইস্কুলে একটা মর্নিং শিফট চালু করা হয়েছে। শোয়েব আর বামনি সেখানে পড়ে। বাড়ির কর্তা আজিজুল হক সাহেব ফুড ডিপার্টমেন্টে চাকরি করেন। ফুড ইন্সপেক্টর। অত্যন্ত নম্র বিনয়ী সজ্জন মানুষ। ব্যক্তিত্ববান। কথা বলেন কম। ধীরে ধীরে জানলাম আম্মার ডাকনাম ‘ননী’। ভালোনাম ‘মাকসুদা হক’। কামালদের মতো আমিও তাঁকে ‘আম্মা’ ডাকতে শুরু করেছি। কিন্তু আব্বাকে ডাকি ‘খালুজান’। কামাল অতি চঞ্চল স্বভাবের। ছটফটে। শোয়েব একটু ধীর। বামনি বেশ চুপচাপ শিশু। পড়াতে গিয়ে দেখি ওরা তিন ভাইবোনই আমাকে বেশ মান্য করছে। বয়সে কামালের চেয়ে আমি বছর পাঁচেকের বড়। আমার শরীর স্বাস্থ্যও তেমন ভালো নয়। এ রকম একটা ছেলেকে শিক্ষক হিসেবে মেনে নেওয়া কঠিন। কিন্তু কামালরা মেনে নিয়েছে। পড়াতে গেলে আম্মা যত্ন করে চা-বিস্কুট খাওয়ান। দুপুর হয়ে গেলে ভাত না খেয়ে বেরোতে দেন না। নাসিমা-ফাতেমাদের বাসায়ও একই অবস্থা। ওরাও খাওয়ায়। অর্থাৎ দুটো পরিবারের কাছেই অনেক বাড়তি স্নেহ-মমতা আমি পেতে শুরু করেছি। এ বয়সে এসে যখন সেই জীবনটার দিকে ফিরে তাকাই, তখন অনেক ছোট ছোট ঘটনা মনে পড়ে। গেন্ডারিয়ার অনেক বাড়িতে পালাক্রমে ভাড়া থেকেছি আমরা। মুরগিটোলা থেকে গিয়েছিলাম রজনী চৌধুরী রোডের বাড়িটায়। সেই বাড়ির কর্ত্রী একটু রাগী ধরনের। সামান্য কিছু এদিক-ওদিক হলে খুব ধমকাধমকি করতেন। আমরা তাঁকে খুব ভয় পেতাম। পরবর্তীকালে তিনি আমার বড় বোনের শাশুড়ি। তার ছোট ছেলের সঙ্গে আমার বড় বোনের বিয়ে হয়। আমার দুলাভাইয়ের ডাকনাম ‘নবনূর’। ভদ্রমহিলাকে সবাই বলতেন ‘নবনূরের মা’। আমরা ডাকতাম খালাম্মা। ’৬৯ সালে সেই বাড়িতে প্রথমবার কয়েক মাস থেকেছি। ’৭০ সালের শেষ কিংবা ’৭১-এর শুরুর দিকে অনেক বাড়ি ঘুরে চলে এসেছিলাম সাবেক শরাফতগঞ্জ লেনের বাড়িতে। আব্বা মারা গেলেন সেই বাড়িতে। যে খালাম্মাকে আমরা এত ভয় পেতাম, সেই রাগী খেপাটে মানুষটির তখন অদ্ভুত এক চেহারা দেখলাম আমরা। আমাদের কথা তাঁর মনে রাখারই কথা নয়। কিছুদিন তাঁর ভাড়াটে ছিলাম। শরাফতগঞ্জ লেনের ওই বাড়ি থেকে চার-পাঁচটা বাড়ির দক্ষিণে তাঁদের বাড়ি। আব্বার মৃত্যুশোকে ধসে পড়া পরিবার আমাদের। মাকে ঘিরে সব ভাইবোন সকালবেলায় বসে আছি বড় রুমটায়। এ সময় সেই খালাম্মা এসে হাজির। সঙ্গে সবচেয়ে বড় সাইজের তিনটা পাউরুটি আর বড় কেটলি ভরা চা। নিজেই আমাদের রুম থেকে চায়ের কাপ বের করলেন। পাউরুটি ভাগ করে দিলেন আমাদের। সামনে বসিয়ে জোর করে অনাথ ছেলেমেয়েগুলোকে খাওয়ালেন। প্রায় দিন দশেক, প্রতিদিন এ কাজটা তিনি করেছেন। গেন্ডারিয়ার মানুষ আমাদের খুব ভালোবেসেছে। যে বাড়িতে ভাড়া থেকেছি, তাঁদের সঙ্গেই এক ধরনের ভালোবাসার সম্পর্কে জড়িয়ে গেছি। ফেরদৌস ওয়াহিদদের বাড়ি কিনেছিলেন পরে বড় ব্যবসায়ী শাজাহান সাহেব। সেই পরিবারের মানুষ আজও আমাদের সঙ্গে সম্পর্কিত। আমাদের  বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাঁরা আসেন। ধারাভাষ্যকার হামিদ ভাইদের পরিবারটিও স্নেহ-মমতায় ভরিয়ে রেখেছিলেন আমাদের। যদিও তাঁদের বাড়িতে আমরা কোনো দিন ভাড়া থাকিনি। যে বাড়িতে থাকতাম সেই বাড়ির উল্টো দিকে ছিল তাঁদের বাড়ি। রজনী চৌধুরী রোডে। এখন সেসব দিনের কথা ভাবলে মনে হয় তখনকার মানুষ খুবই মানবিক ছিল। যত দিন গেছে, ধীরে ধীরে আমরা অমানবিক হয়ে গেছি। আমাদের ভালোবাসা কমে গেছে, স্নেহ-মমতা কমে গেছে। আমরা নিষ্ঠুর ও স্বার্থপর হয়ে গেছি।

নাসিমা-ফাতেমাদের পড়াতে পেরেছিলাম মাস দুয়েকের কম সময়। কামালদের বোধ হয় এক মাস কয়েক দিন হবে। ডিসেম্বর মাস এলো। আমাদের মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে ভারতীয় সেনাবাহিনী যুক্ত হয়ে যৌথ বাহিনী তৈরি হয়েছে। ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করল পাকিস্তান। ঢাকায় বিমান হামলা শুরু হলো। ওই বাড়ির ছাদে দুপুরের দিকে নাসিমা-ফাতেমাদের পরিবার আর কামালদের পরিবারের সঙ্গে দাঁড়িয়ে দুদেশের ফাইটার বিমানের ককফাইট দেখলাম একদিন। তারপরই ঢাকা ছেড়ে মানিকগঞ্জে চলে গেল ওই দুটো পরিবার। কয়েক দিন পর আমিও চলে গেলাম বিক্রমপুরে। সেই যাত্রা ও ফিরে আসার বর্ণনা বিস্তারিত লিখেছিলাম ‘একাত্তর ও একজন মা’ উপন্যাসে। স্বাধীন বাংলাদেশ। চারদিকে উৎসব আনন্দ। কিন্তু আমাদের পরিবারে কোনো আনন্দ উৎসব নেই। মায়ের চোখে হতাশা। দশ ছেলেমেয়ে নিয়ে কেমন করে বেঁচে থাকবেন সেই দুশ্চিন্তা। বড় ভাইয়ের টঙ্গীর চাকরিটা আছে। কিন্তু অফিস বন্ধ। বেতন অনিশ্চিত। যে বাড়িতে টিউশনি করি সেই দুই বাড়ির কেউ তখনো ঢাকায় ফেরেননি। আমি এদিক-ওদিক ঘুরে বেড়াই। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিই। হিন্দু বন্ধুদের পরিবারগুলো ধীরে ধীরে ঢাকায় ফিরছে। তাদের সঙ্গে দেখাসাক্ষাৎ আড্ডা হয়। হামিদুল নিয়মিত আছে আমার সঙ্গে। বেলালের বড় ভাই মহিউদ্দিন ভাই ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার। স্বাধীনতার আনন্দে বেলালদের বাড়িতে সারাক্ষণই উৎসব। মাঝেমাঝে বেলালদের বাড়িতেও যাই। কলুটোলায় মিনুখালার বাড়ি। তাঁরাও বিক্রমপুর থেকে ফিরেছেন। টুনুমামাদের বাড়ির সবাই ফিরে এসেছেন। ঘুরে ঘুরে সবার খবর নিই। অনুমামা পাকিস্তান এয়ারফোর্সে চাকরি করতেন। থাকতেন করাচিতে। তিনি সেখানে আটকা পড়েছেন। এজন্য টুনুমামাদের বাড়িতে কোনো আনন্দ নেই। নানা-নানি, মামা-খালারা উদ্বিগ্ন। অনুমামার বড় বোন মিনুখালা। ভাইয়ের জন্য তিনি প্রতিদিন রোজা রাখছেন। খালু অবস্থাপন্ন। বড় ছেলেটির নাম দিপু। ছয়-সাত বছর বয়স। তাকে পড়ানোর দায়িত্ব পড়ল। দিপু অসম্ভব দুষ্টু। একটা মিনিট স্থির হয়ে বসে না। কারও কথা শোনে না। আমার খালু গমগমে গলার প্রচণ্ড রাগী মানুষ। যৌথ পরিবার। এক সন্ধ্যায় দিপুকে পড়াতে গেছি। দিপু কিছুতেই পড়তে বসবে না। আমার কথা শুনছেই না। খালা এসে দুয়েকবার চেষ্টা করে গেলেন। কাজ হলো না। শেষ পর্যন্ত খালু এসে ওই অতটুক ছেলেটাকে নির্দয়ভাবে পেটাতে শুরু করলেন। তাঁর তখন এমন ভয়ংকর এবং মারমুখো চেহারা, যে তাঁকে আটকাতে যাবে তার ওপরই চড়াও হবেন। আমি ভয়ে পালিয়ে এলাম। সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় শুনি বাপের হাতে বেধড়ক মার খাচ্ছে আর ত্রাহিস্বরে ‘বাবাগো মাগো’ বলে ডাক ছাড়ছে দিপু। সেদিনই ওই টিউশনি আমার শেষ। আমি আর কখনো দিপুকে পড়াতে যাইনি।

কামালরা ফিরে এলো কয়েক দিনের মধ্যেই। খবর পেয়ে গেছি দেখা করতে। আম্মা বললেন, ‘কাল থেকেই পড়াও।’ পরদিন থেকে শুরু করলাম। ওপরতলার ছাত্রী দুজন ফিরল আরও দিন দশেক পর। তাদেরও পড়াতে যাই। শোনা যাচ্ছে এপ্রিলের দিকে আমাদের এসএসসি পরীক্ষা হবে। তার প্রিপারেশনও শুরু করেছি। অন্যদিকে প্রায় প্রতিদিনই যাচ্ছি লক্ষ্মীবাজারের মিউনিসিপ্যালিটি অফিসে। আব্বার প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুয়েটি ইত্যাদির টাকা কীভাবে তোলা যায় সেসব জানা-বোঝার চেষ্টা করছি। বড় ভাই টঙ্গীর চাকরিটা চালিয়ে যাচ্ছে। মিউনিসিপ্যালিটিতে আব্বার যাঁরা কলিগ তাঁরা নানা রকমভাবে আমাদের সহযোগিতা করার চেষ্টা করছেন। তবে কোর্ট থেকে সাকসেশন সার্টিফিকেট বের করতে হবে। ওই সার্টিফিকেট হাতে না এলে আব্বার প্রাপ্য টাকাটা তোলা যাবে না। আমার সেই খালু একজন উকিল নিয়োগ করে দিলেন। তখনো জানি না যে সাকসেশন সার্টিফিকেট জিনিসটা এত জটিল। এবং সেটা পেতে এক দেড় বছর লেগে যাবে। সদ্য স্বাধীন হওয়া দেশ। সবকিছু এলোমেলো। মাকে নিয়ে প্রায়ই কোর্টে গিয়ে বসে থাকি। কখনো কখনো আমি যেতে পারি না। আমার ছোট ভাই খোকনকে নিয়ে মা যান। খোকনের তখন সাত বছর বয়স। কোর্ট থেকে একদিন সে হারিয়ে গেল। আহা রে আমার মায়ের যে তখন কী দিশাহারা ভাব! কী উদ্বিগ্নতা আর কান্না! মিনিট পনেরো-কুড়ি পর খোকনকে পাওয়া গেল। জজ কোর্টের আঙিনায় নিজেকে হারিয়ে আমার সেই শিশু ভাইটিও এক জায়গায় দাঁড়িয়ে কাঁদছিল। চারপাশে ভিড় করেছিল মানুষ। মিউনিসিপ্যালিটিতে আব্বার প্রাপ্য ছয় হাজার টাকা আমরা পেয়েছিলাম। সেই পুরো টাকাটাই খেয়ে ফেলল মায়ের এক টাউট চাচাতো ভাই। আমার সেই মামাটি ব্যবসার নাম করে টাকাটা নিল। প্রতি মাসে লভ্যাংশের অর্ধেক দেবে আমাদের। দেড়-দুই শ টাকা যা-ই পাওয়া যাবে মাসে তাতে আমাদের সংসারের অনেকটা সাশ্রয় হবে। মাস তিনেক বোধ হয় টাকাটা সে দিয়েছিল। তারপর উধাও হয়ে গেল। না ঢাকায় তাকে খুঁজে পাওয়া যায়, না গ্রামের বাড়িতে। এ জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে আমি উপলব্ধি করেছি, বিপদের দিনে এমন একেকটা সময় আসে, খড়কুটো আঁকড়ে ধরলেও সেটা হাতের ফাঁক দিয়ে গলে যায়। আবার সুসময়ে খড়কুটো হাত দিয়ে ছুঁলেও তা সোনা হয়ে যায়।

এসএসসি পরীক্ষা এসে গেল। নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধের পর স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম এসএসসি পরীক্ষা। সব সাবজেক্টে পরীক্ষা হবে না। হবে পাঁচ সাবজেক্টে। আমি সায়েন্সের ছাত্র। বাংলা ইংরেজি অঙ্ক ফিজিক্স আর কেমিস্ট্রি পরীক্ষা হবে। তা-ও একশ নম্বরে নয়, পঞ্চাশ নম্বরে। ‘পগোজ স্কুল’-এ সিট পড়ল। রেজাল্ট বেরোবার পর দেখা গেল অঙ্ক, ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি এই তিনটাতে লেটার মার্কস পেয়েছি। অঙ্কে পঞ্চাশে পঞ্চাশ। কেমিস্ট্রিতে উনপঞ্চাশ। ফিজিক্সে আটচল্লিশ। বাংলা-ইংরেজিতেও ও রকমই নাম্বার। অর্থাৎ স্টার মার্কস পেয়েছি। আমার বড় বোন মণিও পরীক্ষা দিয়েছিল। সে-ও ফার্স্ট ডিভিশন পেয়েছে। তারপরও আমাদের পরিবারে আনন্দ নেই। মা চিন্তা করছেন ছেলেমেয়ে দুটিকে কলেজে ভর্তি করাবেন কেমন করে? টাকা পাবেন কোথায়? অন্যদিকে আমার দুই ছাত্রী নাসিমা ও ফাতেমা খুব খুশি। তাদের টিচার ভালো রেজাল্ট করেছে। কামালদের পরিবারেরও একই অবস্থা। আম্মা খুবই খুশি। তত দিনে আমি লক্ষ করেছি, কামালের বেশ গানবাজনার দিকে ঝোঁক। যে ঝোঁক আমারও ছেলেবেলা থেকে। আমার মায়ের হারমোনিয়াম, কলের গানটা টুনুমামাদের বাসায় রয়ে গিয়েছিল। মা আর কোনো দিন তা ফিরিয়ে আনেননি। সেই বাড়িতে গেলেই দেখতাম, আমার খালারা কেউ কেউ সেই হারমোনিয়াম বাজিয়ে গান করে। মামারা কলের গানের রেকর্ড চাপিয়ে দুপুরের পর গান শোনে। সেই অতীতকাল থেকে কলের গানে শোনা কোনো কোনো গানের লাইন এখনো উদাস নির্জন কোনো দুপুরে আমাকে বিষন্ন করে তোলে। হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের একটা গানের রেকর্ড বাজাতেন টুনুমামা। সেই গানের দুটো লাইন মনে পড়ে। ‘আমিও পথের মতো হারিয়ে যাব, আমিও নদীর মতো আসব না ফিরে আর, আসব না ফিরে কোনো দিন।’ 

♦ লেখক : কথাসাহিত্যিক

 

এই বিভাগের আরও খবর
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
সর্বশেষ খবর
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক
মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতেও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান
ঈদের ছুটিতেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি
খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ
নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ

২ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি
বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত
গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত
তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'
'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তুরস্ক–গ্রিস উপকূলে পৃথক নৌকাডুবিতে ১৬ জনের প্রাণহানি
তুরস্ক–গ্রিস উপকূলে পৃথক নৌকাডুবিতে ১৬ জনের প্রাণহানি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুর্নীতি দমনে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড চুক্তি স্বাক্ষর
দুর্নীতি দমনে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড চুক্তি স্বাক্ষর

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার
রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার
গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩
বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু
দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান
যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

১২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

২০ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

৬ ঘণ্টা আগে | পরবাস

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত
ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত

পেছনের পৃষ্ঠা

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা

শোবিজ

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য

সম্পাদকীয়

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা