শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০০:১১, সোমবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৫

মাইনাস টু নিয়ে আবার কেন আলোচনা

গোলাম মাওলা রনি
প্রিন্ট ভার্সন
মাইনাস টু নিয়ে আবার কেন আলোচনা

কোনটি দিয়ে যে শুরু করব তা ভেবে পাচ্ছি না। আওয়ামী লীগের কথা বলব নাকি বিএনপির। অথবা জামায়াত কিংবা অন্তর্বর্তী সরকার। জনগণ আসলে কাদের কথা শুনতে চায়। তারা কী হেলিকপ্টার হুজুর-ভণ্ডপীর-মাজার ব্যবসায়ী কিংবা ইউটিউবে যারা পর্ন ভিডিও বানায় তাদের কথায় বেশি প্রভাবিত হয় নাকি নিজস্ব জ্ঞান-বুদ্ধি-বিবেক মানবতা ইত্যাদি দ্বারা পরিচালিত হয়। চলমান দুর্বোধ্য সময়ের কবলে পড়ে লাখো-কোটি আমজনতার মতো আমিও দিশাহারা হয়ে পড়েছি। ফলে যা দেখছি তা বিশ্বাস হচ্ছে না, যা শুনছি তা কর্ণরোগের কারণ হয়ে পড়ছে এবং জীবনজীবিকার স্বাভাবিক গতি স্তব্ধ করে দিচ্ছে। আর এসব জটিল পরিস্থিতির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে হাজারো গল্প-গুজব, গালাগাল-গলাবাজি এবং ছোট মুখের বড় আওয়াজ এবং বড় মুখের নীরবতা দৈনন্দিন জীবনে বেঁচে থাকার স্বাদ-আহ্লাদ কেড়ে নিয়ে একরাশ হতাশা আতঙ্ক-মনোবেদনা আমজনতার ওপর জেঁকে বসেছে।

উল্লিখিত অবস্থায়, হঠাৎ লালসালু উপন্যাসের কথা মনে পড়ল। ব্রিটিশ আমলে বাংলার ধর্ম ব্যবসায়ীদের ভণ্ডামি-নষ্টামি সমাজের যে সর্বনাশ করেছিল তা অমর কথাসাতিহ্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ তাঁর অনবদ্য সৃষ্টিকর্ম ‘লালসালু’ উপন্যাসে ফুটিয়ে তুলেছিলেন। ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত লালসালুর বিষবাষ্প ২০২৪ সালে আমাদের কীভাবে গ্রাস করেছে তা যদি বলতে চাই তবে সেই গল্পের নায়ক ভণ্ড মাজার ব্যবসায়ী মসজিদের প্রেতাত্মারা হেলিকপ্টারে উড়ে এসে আমার বাড়ির ওপর কীভাবে আক্রমণ চালাতে পারে, তা কল্পনা করলে নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যায়। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ভাগ্য ভালো যে তিনি সুদূর ফ্রান্সে বসে ব্রিটিশ জমানায় এসব অমর উপন্যাস রচনা করেছিলেন এবং ১৯৭১ সালের অক্টোবর মাসে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ইহধাম ত্যাগ করেছিলেন। তিনি যদি জীবিত থাকতেন অথবা বাংলার মাটিতে যদি তাঁর কবর থাকত তবে কথায় কথায় কাকের ফতোয়া দেওয়া ভণ্ডের দলেরা কী লঙ্কাকাণ্ড ঘটাত তা কেবল মহান আল্লাহই বলতে পারেন।

আলোচনার শুরুতে বলেছি, সমাজের সীমাহীন অস্থিরতা অন্য সবার মতো আমাকেও এলোমেলো করে দিয়েছে। ফলে শিরোনাম প্রসঙ্গে আলোচনা করতে গিয়ে কোন ফাঁকে যে অন্য আলোচনায় ঢুকে পড়েছি তা টেরও পাইনি। এখন মাইনাস টু এবং এর সঙ্গে উগ্রবাদ, জঙ্গিবাদ, ধর্ম ব্যবসা ইত্যাদির সংযোগ ঘটিয়ে কীভাবে একখানা গদ্য রচনা করব তা ভেবে পাচ্ছি না। তবে যেহেতু শুরু করেছি তাই আল্লাহর ওপর ভরসা করে এগোনোর চেষ্টা করি। আলোচনার গভীরে যাওয়ার আগে চলমান সময়ের উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলি সংক্ষিপ্ত আকারে বলে নেওয়া আবশ্যক।

প্রায় দুই মাস ধরে নতুন করে মাইনাস টু, নতুন এক-এগারো বা দুই-বারো নিয়ে ব্যাপক আলোচনা, তর্কবিতর্ক চলছে। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের পর মানুষের যে সীমাহীন আশা-আকাক্সক্ষা ছিল, তা ফিকে হতে হতে এখন ক্রমশ দুঃস্বপ্নে পরিণত হচ্ছে। সরকারের অনভিজ্ঞতা, অলসতা, অযোগ্যতা, অথর্বতা ইত্যাদি আড়াল করার জন্য তারা ইচ্ছে করে যেসব অপ্রয়োজনীয় এবং বাহুল্যময় প্রসঙ্গ নিয়ে টানাটানি করছে তার ফলে মানুষের সন্দেহ-অবিশ্বাস বেড়েই চলেছে। আইনশৃঙ্খলার অবনতি যে মানব সৃষ্ট এবং তা উন্নয়নের জন্য মানবের কোনো চেষ্টা-তদবির যে নেই তা রাস্তার বদ্ধ উন্মাদ-নাবালক থেকে শুরু করে পথেঘাটে খাদ্যের খোঁজে ঘুরে বেড়ানো প্রকৃতির অবোলা প্রাণীরাও বুঝতে পারে।

আপনি যদি দেখেন কোনো একটি ঘরে আগুন লেগেছে এবং ঘরের লোকজন তা নেভানোর চেষ্টা না করে শুধু নাচছে অথবা যদি দেখেন মাঝনদীতে নৌকা ফুটো হয়ে গেছে, যা মাইনাস টুজানার পরও কেউ ফুটো বন্ধ করছে না বরং ছেলেরা গান গাইছে এবং মেয়েরা চুল বাঁধছে, তখন আপনি কী বলবেন! এসব ঘটনা নিয়ে মনোবিজ্ঞানীরা বহু গবেষণা করেছেন এবং অনুসিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে ঘটনার আকস্মিকতায় মানুষ যখন ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে তখন ভয় কাটানোর জন্য তারা অদ্ভুত আচরণ করে। রোমান সম্রাট নিরো যখন দেখলেন তার রাজধানীতে আগুন লেগেছে তখন তিনি ততটা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়লেন যে ভয় কাটানোর জন্য বাঁশি বাজাতে আরম্ভ করলেন। সম্রাট নিরোর সেই অদ্ভুত কাণ্ড নিয়ে আজ প্রায় দুই হাজার বছর ধরে বহু গল্প, কবিতা, উপন্যাস রচিত হয়েছে। প্রায় সব ক্ষেত্রে তাকে বদ্ধ উন্মাদ বলে বর্ণনা করা হয়েছে। অনেকে অভিযোগ করেছেন যে তিনি নিজেই রোম নগরীতে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিলেন। ফলে আগুনের সর্বগ্রাসী লেলিহান শিখা দেখে মনের আনন্দে বাঁশি বাজিয়েছিলেন।

সম্রাট ফ্রডিয়াস নিরো ইতিহাসের অন্যতম সফলতম রাষ্ট্রনায়ক। তাঁর জমানায় রোমের যে উন্নয়ন, রাষ্ট্রের যে সংহতি এবং পুড়ে যাওয়া রোম নগরী বিনির্মাণে তিনি যে সফলতা দেখিয়েছেন, তা বিশ্ব ইতিহাসে বিরল। দ্বিতীয়ত তাঁর সৎপিতা এবং তাঁর শিক্ষক ছিলেন পৃথিবীর সর্বকালের সেরা দার্শনিক। বিশেষজ্ঞ তাঁর শিক্ষক সেনেকার শ্রেষ্ঠত্বের কারণে সম্রাট নিরোর যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন করার সুযোগ নেই। অথচ এত বড় একজন রাষ্ট্রনায়ক আকস্মিকভাবে কীভাবে বাঁশি বাজিয়েছিলেন, তা যদি ২০২৪ সালের বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনায় নিযুক্ত ব্যক্তিরা ভাবতেন তবে নতুন এক-এগারো বা নতুন মাইনাস টু নিয়ে বিতর্ক শুরু হতো না।

মৃত্যুভয়ে সম্রাট নিরোর বাঁশি বাজানো ছাড়াও আরও একটি ঐতিহাসিক অর্কেস্ট্রার অর্থাৎ অনেকগুলো মোহনবাঁশি-বাদ্যযন্ত্রের সুরের ঘটনা আপনাদের বলব। আপনারা অনেকেই হলিউডের ব্লক ব্লাস্টার সিনেমা ‘টাইটানিক’ দেখেছেন। জাহাজের ক্যাপ্টেন যখন শতভাগ নিশ্চিত হলেন যে জাহাজটি ডুবে যাচ্ছে এবং বাঁচার কোনো উপায় নেই তখন মৃত্যুকে আনন্দমুখর করার জন্য তিনি একটি অর্কেস্ট্রার আয়োজন করেন। টাইটানিক ছাড়াও আরেকটি সিনেমার দৃশ্যের কথা বলছি। গৌতম ঘোষ পরিচালিত বিখ্যাত বাংলা সিনেমা ‘অন্তর্জলী যাত্রা’য় মৃত্যুপথযাত্রী বৃদ্ধকে শাস্তি দেওয়ার জন্য তাকে গঙ্গার তীরে নিয়ে যাওয়া এবং সেখানে শুরু হয় গানবাজনা।

২০২৪ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বর কিংবা-২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসের বাংলাদেশের পিলে চমকানো সব সমস্যার বিপরীতে বড় বড় কনসার্ট, বড় বড় ধর্মসভা এবং এই মুহূর্তে যার কোনো প্রয়োজন নেই সেসব বিষয় ও বস্তুকে গুরুত্বপূর্ণ আখ্যা দিয়ে তা বাস্তবায়নের জন্য যারা লম্ফঝম্ফ করছেন তারা কী নিজেদের ভয়কে জয় করার চেষ্টা করছেন নাকি নিজেদের ব্যর্থতা-অকর্মণ্যতা-অলসতাকে আড়াল করার জন্য অহেতুক ব্যস্ততা দেখাচ্ছেন তা নিয়ে বিস্তর আলোচনা-সমালোচনায় সারা দেশ মুখর।

আমরা আজকের আলোচনার প্রায় শেষ পর্যায়ে চলে এসেছি। উপসংস্থারে যাওয়ার আগে প্রকৃতির কিছু বিশেষ এবং মানুষের কিছু আচরণ নিয়ে আলোচনা করছি। আপনি যখন বেশি ভয় পাবেন এবং জ্ঞান হারানোর পর্যায়ে পৌঁছে যাবেন তখন হঠাৎ হঠাৎ খিলখিলিয়ে হেসে উঠবেন এবং মাঝেমধ্যে অকারণে কাঁদবেন। আপনি সবাইকে খুশি করার চেষ্টা করবেন এবং নিজের বুদ্ধিবিবেক বন্ধ করে যে যা বলে বিশেষত যারা ধমক দিতে পারে অথবা প্রহার করতে পারে তাদের খুশি করার জন্য যাচ্ছেতাই করবেন। অনেকে এসব পরিস্থিতিতে প্রহার থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য স্বেচ্ছায় নিজেদের পোশাক খুলে ফেলে এবং ত্রাস সৃষ্টিকারীর হুকুমে ধ্যাতাং ধ্যাতাং নাচতে থাকে।

ভয়ের কারণে মানুষ শুধু হাসিকান্নাই করে না। তারা হম্বিতম্বিও করে। মিথ্যা কথা বলে এবং সর্বশক্তি দিয়ে জুলুম অত্যাচার করে। বিষধর গোখরা সাপ যাদের দংশন করে সেখানে শতকরা ৯৯.৯৯% ক্ষেত্রে কোনো আঘাতপ্রাপ্ত না হয়ে কেবল আতঙ্ক বা ভয় থেকেই ছোবল মারে। ভয়ের কারণে মানুষের মধ্যে আরও কয়েকটি বিবর্তন দেখা দেয়। শিশুরা বৃদ্ধের মতো আচরণ করে আর বৃদ্ধরা অবুঝ শিশুর মতো যুক্তিহীন কথাবার্তা বলতে থাকে। নারীরা পুরুষের মতো ভাব নেয় আর পুরুষরা নারীর মতো লজ্জাবতী ও স্বল্পভাষী হয়ে পর্দার আড়ালে চলে যায়।

উল্লিখিত অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে সমাজ-সংস্কার রাষ্ট্রে নিদারুণ শূন্যতা দেখা দেয় এবং প্রকৃতি শূন্যতা একদম সহ্য করে না। ফলে নরমের পর গরম অথবা গরমের পর নরম দ্বারা প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করে। বাংলাদেশের অতীতের ্এক-এগারো বা অতীতের মাইনাস টু কোনো একক ব্যক্তির সৃষ্টি নয়। বহুজনের বহু কর্ম বহু জটিল পরিস্থিতি বহু অন্যায় বহু পাপের কারণে যে অরাজকতা-অস্থিরতা-শূন্যতা তৈরি হয়েছিল তা প্রকৃতির লীলাখেলায় এক-এগারো বা মাইনাস টুতে এসে ঠেকেছিল। তো অতীতের সেই গ্লানি আবার কেন নতুন করে দেখা দিচ্ছে তা বোধ করি ইতোমধ্যে সম্মানিত পাঠক বুঝতে পেরেছেন।

লেখক : সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক

এই বিভাগের আরও খবর
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
সর্বশেষ খবর
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক
মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতেও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান
ঈদের ছুটিতেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি
খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ
নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ

২ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি
বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত
গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত
তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'
'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'

৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তুরস্ক–গ্রিস উপকূলে পৃথক নৌকাডুবিতে ১৬ জনের প্রাণহানি
তুরস্ক–গ্রিস উপকূলে পৃথক নৌকাডুবিতে ১৬ জনের প্রাণহানি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুর্নীতি দমনে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড চুক্তি স্বাক্ষর
দুর্নীতি দমনে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড চুক্তি স্বাক্ষর

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার
রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার
গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩
বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু
দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান
যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান

৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

১২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

২০ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

৬ ঘণ্টা আগে | পরবাস

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত
ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত

পেছনের পৃষ্ঠা

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা

শোবিজ

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য

সম্পাদকীয়

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা