শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বৃহস্পতিবার, ০৯ জানুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০০:৫৫, বৃহস্পতিবার, ০৯ জানুয়ারি, ২০২৫

বিএনপি মাইনাসের নীলনকশা

অদিতি করিম
প্রিন্ট ভার্সন
বিএনপি মাইনাসের নীলনকশা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে অনিশ্চয়তা এবং উৎকণ্ঠা নিয়ে বিদায় নিল ২০২৪। নতুন বছর কেমন যাবে? এ বছর নির্বাচন হবে নাকি রাজনীতিতে নতুন করে সংকট এবং সহিংসতা দানা বেঁধে উঠবে? বাংলাদেশ আবার রক্তাক্ত হবে কি না ইত্যাদি নানা প্রশ্ন নিয়েই নতুন বছরকে স্বাগত জানাল বাংলাদেশ। বছরের শেষ দিনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শহীদ মিনারে মার্চ ফর ইউনিটি কর্মসূচি পালন করে। এ কর্মসূচির লক্ষ্য জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র। হঠাৎ করেই বছরের শেষদিকে এসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘোষণা করেন নাউ অর নেভারপ্রোক্লেমেশন অব জুলাই রেভ্যুলেশন নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে। কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা না করেই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং জাতীয় নাগরিক কমিটি কেন এ ধরনের কর্মসূচি ঘোষণা করল? এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হলো তোলপাড়। সরকারের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে পরস্পরবিরোধী অবস্থান লক্ষ্য করা যায়। শুরুতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব আনুষ্ঠানিকভাবে বলেন, জাতীয় নাগরিক কমিটি এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে যে ঘোষণাপত্র দেওয়া হচ্ছে তার সঙ্গে সরকারের কোনো সম্পর্ক নেই। কিন্তু দুই দিন পরই সরকারের অবস্থান পাল্টে যায়। অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, তারা বিপ্লবের ঘোষণাপত্র তৈরি করবে। সরকারের এ অবস্থান পরিবর্তন রাজনৈতিক অস্বস্তি আরও বাড়িয়ে দেয়। এরপরও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং নাগরিক কমিটি তাদের সমাবেশ বাতিল করেনি। কর্মসূচির নাম বদলে রাখা হয়- মার্চ ফর ইউনিটি। কিন্তু বাস্তবতা হলো- ৩১ ডিসেম্বর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচিতে জনগণ সাড়া দেয়নি। একই দিনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সম্মেলন ছিল ঢাকায়। সকালে ওই কর্মসূচিতে আগতরাই বিকালে শহীদ মিনারের সমাবেশে যোগ দেন। সাধারণ জনগণ তো নয়ই, সাধারণ শিক্ষার্থীদেরও এ ব্যাপারে আগ্রহ ছিল না খুব একটা। সমাবেশে সরকারকে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে ঘোষণাপত্র প্রকাশের জন্য। এ সময়সীমার মধ্যে সরকার কি জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে একটি ঘোষণাপত্র তৈরি করতে পারবে? নাকি রাষ্ট্রপতির ইস্যুর মতো এ দাবিও হিমাগারে যাবে?

জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে আওয়ামী লীগের পতন ঘটিয়েছিল গত বছরের ৫ আগস্ট। শেখ হাসিনার পতনের পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি জাতীয় ঐক্য ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমেই গণতন্ত্রের দ্বার উন্মোচিত হওয়ার একমাত্র পথ। কিন্তু দিন যত যাচ্ছে ততই জাতীয় ঐক্যে বিভক্ত রেখা দেখা দিচ্ছে। আর এ বিভক্তি সৃষ্টির পেছনে সুশীল সমাজের একটি অংশের প্রত্যক্ষ ভূমিকা আছে বলেই দৃশ্যমান হচ্ছে। বিশেষ করে সুশীল সমাজ নিয়ন্ত্রিত প্রভাবশালী একটি বাংলা এবং একটি ইংরেজি দৈনিক আবার বাংলাদেশে বিরাজনীতিকরণের খেলায় মেতেছে। পর্দার আড়ালে বিভক্তির সৃষ্টির চেষ্টা করছে এ গোষ্ঠী। আর এ কারণেই তারা বিএনপির সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, জাতীয় নাগরিক কমিটি এবং জামায়াতের বিরোধ সৃষ্টি করার জন্য একটি নিপুণ নীলনকশার বাস্তবায়ন করে চলেছে নীরবে। সেই নীলনকশার অংশ হিসেবেই বছরের শেষদিকে জাতীয় নাগরিক কমিটির নেতা নাসীরুদ্দীনের এক সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয় একটি প্রভাবশালী দৈনিকে। সেই সাক্ষাৎকারে নাগরিক কমিটির নেতা বিএনপিকে কিংস পার্টি হিসেবে অভিহিত করেন। এটি অপ্রয়োজনীয়, অনভিপ্রেত এবং অনাকাঙ্ক্ষিত বিতর্ক। কিন্তু এ সাক্ষাৎকার একটি প্রশ্ন জাতির সামনে এনেছে। সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় কি কোনো কিংস পার্টি গঠিত হতে যাচ্ছে?

মনে রাখতে হবে, দীর্ঘদিন একটি দেশ অনির্বাচিত নেতৃত্ব দ্বারা পরিচালিত হতে পারে না। এটি দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ, সংস্কৃতি সবকিছুকে বিপদগ্রস্ত করবে

বিএনপি মাইনাসের নীলনকশাগত কিছুদিন ধরে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর গুঞ্জন রয়েছে যে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং জাতীয় নাগরিক কমিটি সরকারের সমর্থন নিয়ে একটি রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে চাচ্ছে। আগামী নির্বাচনে তারা প্রধান শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হতে চায়। আর এ কারণেই জাতীয় নাগরিক কমিটির নেতারা বিভিন্ন ফোরামে বিএনপির বিরুদ্ধে সাঁড়াশি বক্তব্য রাখা শুরু করেছেন। বিএনপির নানারকম সমালোচনা করা, বিএনপির অর্জনকে বিতর্কিত করার একটি প্রকাশ্য তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে গত দুই মাসে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জামায়াতও। সাধারণ মানুষ মনে করছে, জাতীয় নাগরিক কমিটি এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এ বিএনপিবিরোধী অবস্থানের পেছনে সুশীল সমাজের একটি অংশের মদত আছে। আর সাধারণ মানুষ এটাও বিশ্বাস করে যে জাতীয় নাগরিক কমিটি এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে প্রধান রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে বিকশিত করার ক্ষেত্রে সরকারের প্রচ্ছন্ন সমর্থন রয়েছে। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত বলা হচ্ছে যে, তারা সম্পূর্ণ নির্দলীয় এবং নিরপেক্ষ। কোনো কিংস পার্টি গঠনের পরিকল্পনা তাদের নেই। কিন্তু বাস্তবতা হলো ৮ আগস্ট শপথ নেওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত সরকার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র সংগঠনের ছাত্রদের কাছে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের প্রবণতা লক্ষণীয়। এ প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে। বিশেষ করে দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই ড. মুহাম্মদ ইউনূস ঘোষণা করেছিলেন যে, তাঁর নিয়োগকর্তা হলো বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিনজনকে সরকারের উপদেষ্টামণ্ডলীতে নেওয়া হয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ইচ্ছা-অনিচ্ছা অনুযায়ী উপদেষ্টামণ্ডলী নিয়োগ করা হয়েছে বলে অনেকে মনে করেন। সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের অপসারণসহ বিভিন্ন বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন যা বলেছে সেটি সরকার করেছে। এমনকি বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের পক্ষ থেকে যখন রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের বিষয়টি আনা হয় তখনো সরকার এ বিষয়ে নীরব ভূমিকা পালন করে। সরকারের দুজন উপদেষ্টা রাষ্ট্রপতি অপসারণের বিষয়ে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। কিন্তু এ সময় রাজনৈতিক দল হিসেবে বিচক্ষণতা এবং দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেয় বিএনপি। মূলত বিএনপির দৃঢ় অবস্থানের ফলেই একটি সম্ভাব্য সাংবিধানিক সংকট থেকে দেশ রক্ষা পায়। বিএনপি একটি পোড় খাওয়া রাজনৈতিক দল। দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এ দলটি এখন ইস্পাতকঠিন ঐক্যে নিজেদের মজবুত করেছে। একটি পরিণত এবং দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপির পুনর্জন্ম হয়েছে। শুধু তাই নয়, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা এবং বিচক্ষণতার দিক থেকে এ দলটি এখন বাংলাদেশে প্রধান রাজনৈতিক শক্তি। শুধু চব্বিশের গণ অভ্যুত্থান নয়, আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে গত ১৫ বছর বিএনপি আন্দোলন করছে নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে। এ সময় বিএনপির প্রায় প্রত্যেক নেতার বিরুদ্ধে শতাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছিল। কিন্তু এসব মামলার পরও বিএনপি হতোদ্যম হয়নি, পথ হারায়নি। বিএনপি কোনো ভুঁইফোড় রাজনৈতিক দল নয়। কাজেই বিএনপিকে কিংস পার্টি বলে তাকে রাজনৈতিক মাঠে কোণঠাসা করার চেষ্টা বিরাজনীতিকরণের নীলনকশা বাস্তবায়নের অংশ বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন। এটি মাইনাস ফর্মুলারই এক বর্ধিত রূপ। বিরাজনীতিকরণ সুশীলদের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ। যার আপাত লক্ষ্য, দেশে গণতন্ত্রের উত্তরণকে বাধাগ্রস্ত করা। আর এ কারণেই আমরা লক্ষ্য করছি যে, ৩১ ডিসেম্বরের শহীদ মিনারে সমাবেশ থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা বলেছেন যে, আগে সংস্কার এবং বিচার, তারপর নির্বাচন। অর্থাৎ নির্বাচনকে তারা বিলম্বিত করতে চাইছেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পৃষ্ঠপোষকতায় রাজনৈতিক সংগঠন, জাতীয় নাগরিক কমিটি আগে থেকেই বলেছে- শেখ হাসিনার বিচার ছাড়া বাংলাদেশে কোনো নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না। অর্থাৎ বাংলাদেশে নির্বাচন প্রক্রিয়া যত পিছিয়ে যাবে তত গণতান্ত্রিক ধারা ব্যাহত হবে। এর ফলে সুশীল সমাজের রাজত্ব আরও দীর্ঘস্থায়ী হবে।

দীর্ঘদিন ধরে সরকারের উপদেষ্টামণ্ডলীর মধ্যে যারা বিরাজনীতিকরণের পৃষ্ঠপোষক, যারা প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টার নিয়ন্ত্রিত তারা এখন প্রকাশ্যে নির্বাচনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। তাদের এ অবস্থান যখন রাজনৈতিক অঙ্গনে ধিকৃত এবং সমালোচিত হচ্ছিল তখনই তারা জাতীয় নাগরিক কমিটি এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে সামনে এনেছেন। এ গোষ্ঠীই বাংলাদেশে ২০০৭ সালে এক- এগারো এনেছিল। একটি অনির্বাচিত সরকারকে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় রাখার সব কলাকৌশল, চেষ্টা করেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা সফল হয়নি। এবার তারা একই চেষ্টা করছেন। লক্ষণীয় ব্যাপার হলো, সরকারের ভিতর যারা নির্বাচনকে বিলম্বিত করতে চান, এখনই নির্বাচন করতে চান না, তারা ইদানীং অত্যন্ত সক্রিয়। তারা দেশে দীর্ঘদিন অনির্বাচিত সুশীলদের রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চান। কিন্তু এ নীলনকশা বাস্তবায়নের পথে প্রধান বাধা হচ্ছে বিএনপি। এ কারণেই বর্তমানে টার্গেট করা হয়েছে বিএনপিকে। এখন শুরু হয়েছে বিএনপি মাইনাসের নীলনকশা। যদি বিএনপিকে চাপে ফেলা যায়, বিএনপিকে কোণঠাসা করা যায় তাহলে বিরাজনীতিকরণের প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করা সম্ভব। আর এখন সেটাই করার চেষ্টা করছে। সুশীল সমাজ বিপুল জনসমর্থনপুষ্ট বিএনপির সঙ্গে জনপ্রিয়তার লড়াইয়ে পেরে উঠবে না। এ কারণে তারা জাতীয় নাগরিক কমিটিকে দিয়ে একটা নতুন রাজনৈতিক বিন্যাস করার চেষ্টা করছে। এ কারণেই কিংস পার্টি হিসেবে জাতীয় নাগরিক কমিটির নাম সামনে এসেছে। আর সরকার যেভাবে নাগরিক কমিটির কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ করছে, তাতে এটা স্পষ্ট যে, জাতীয় নাগরিক কমিটিকে ব্যবহার করে প্রথম আলো, ডেইলি স্টার গোষ্ঠী বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে দীর্ঘমেয়াদে বাধাগ্রস্ত করতে চায়। আর এ নীলনকশা বাস্তবায়নের জন্য রাজনীতিতে একটি অনিশ্চিত পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে বলে অনেকে মনে করেন। এ সরকার বর্তমানে কোনো সংকট নিরসনে সফল হতে পারছে না। কারণ তাদের জনভিত্তি ব্যাপক দুর্বল। আর এ কারণেই তাদের উচিত দ্রুত একটি নির্বাচন দিয়ে জনগণের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা। বিচার এবং সংস্কারের আগে নির্বাচন নয়- এ ধরনের গণতন্ত্রবিরোধী বক্তব্যকে নিয়ে এসে জনগণের ভোটের অধিকার হরণে নতুন ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। বিচার এবং সংস্কারের সঙ্গে নির্বাচনের কোনো দ্বন্দ্ব নেই। সবগুলোই দেশের জন্য জরুরি এবং সব কাজই দ্রুততার সঙ্গে করতে হবে।

হঠাৎ করে বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিএনপিবিরোধী একটি অবস্থান লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সুশীলদের কেউ কেউ বিএনপিকে নাগরিক কমিটির মুখোমুখি দাঁড় করাচ্ছে। কিন্তু একটি কথা ভুলে গেলে চলবে না যে, চব্বিশের অভ্যুত্থান কোনোদিনই সফল হতো না, যদি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো তিল তিল করে আন্দোলন গড়ে না তুলত। তাদের ধারাবাহিক আন্দোলনের পথ ধরেই শেষ পর্যন্ত জুলাই বিপ্লব সফল করেছে। শেষ ৩৬ দিনের আন্দোলনে অবশ্যই ছাত্রসমাজ সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছে। কিন্তু সেই আন্দোলনের পটভূমি তৈরি করে দিয়েছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো। এখন বাংলাদেশে বিএনপির সঙ্গে জাতীয় নাগরিক কমিটিকে মুখোমুখি দাঁড় করানোর ফলে একদিকে যেমন অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে, অন্যদিকে গণতন্ত্রের পথ বন্ধুর হয়ে যাচ্ছে। রাজনীতি সম্পর্কে মানুষের মধ্যে নেতিবাচক ধারণা সৃষ্টি হচ্ছে। এটিই হলো সুশীল সমাজের লক্ষ্য। তারা যেমন ২০০৭ সালে রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে অনির্বাচিত সরকারকে দীর্ঘদিন রাখার পরিকল্পনা করেছিল, ঠিক এবারও সেরকম বিএনপিকে মাইনাস করার একটা নীলনকশা বাস্তবায়ন নীরবে চলছে। কিন্তু মনে রাখতে হবে- দীর্ঘদিন একটি দেশ অনির্বাচিত নেতৃত্ব দ্বারা পরিচালিত হতে পারে না। এটি দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ, সংস্কৃতি সবকিছুকে বিপদগ্রস্ত করবে।

লেখক : নাট্যকার ও কলাম লেখক

ইমেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
ভোটের আলোচনা
ভোটের আলোচনা
বিমসটেক সম্মেলন
বিমসটেক সম্মেলন
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
ডিজিটাল সংস্কৃতি : ভার্চুয়াল উৎসব
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
ব্যাংককে বৈঠক, ঢাকা-দিল্লিতে গুঞ্জন
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
সর্বশেষ খবর
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী
এখনো ফাঁকা বন্দরনগরী

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
৫ মিলিয়ন ডলারের ‘গোল্ড কার্ড’ ভিসা উন্মোচন করলেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক
মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতেও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান
ঈদের ছুটিতেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

১ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি
খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ
নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ

২ ঘণ্টা আগে | পরবাস

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি
বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত
গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত
তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'
'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তুরস্ক–গ্রিস উপকূলে পৃথক নৌকাডুবিতে ১৬ জনের প্রাণহানি
তুরস্ক–গ্রিস উপকূলে পৃথক নৌকাডুবিতে ১৬ জনের প্রাণহানি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুর্নীতি দমনে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড চুক্তি স্বাক্ষর
দুর্নীতি দমনে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড চুক্তি স্বাক্ষর

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার
রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার
গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩
বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু
দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান
যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

১২ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

৫ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

২০ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

৬ ঘণ্টা আগে | পরবাস

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত
ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত

পেছনের পৃষ্ঠা

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা

শোবিজ

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য

সম্পাদকীয়

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা