শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

যমজ বিজ্ঞানী

রণজিৎ সরকার
প্রিন্ট ভার্সন
যমজ বিজ্ঞানী

শ্রেষ্ঠা আরিত্রিকা আর আদ্রিকা সৃজা দুই বোন। ওরা স্কুল ড্রেস পরা ছাড়াও সব সময় এক রঙের পোশাক পরে। ওরা এক শ্রেণিতে পড়ে। তৃতীয় শ্রেণিতে। ওরা একসঙ্গে স্কুলে যায়। আজও স্কুলে যাচ্ছে। রাস্তায় এক বৃদ্ধা ওদের বললেন, মামণিরা, একটু দাঁড়াবে?

দুই বোন একজন অন্যজনের দিকে তাকাল। বোঝা যাচ্ছে ওরা মুহূর্তে সিদ্ধান্ত নিল দাঁড়াবে কি দাঁড়াবে না। তখন বৃদ্ধাটি আবার বললেন, তোমরা কি ভয় পাচ্ছ, নাকি ভাবছ দাঁড়ালে স্কুলে যাওয়ার জন্য দেরি হয়ে যাবে?

বিনয়ের সঙ্গে শ্রেষ্ঠা আরিত্রিকা বলল, দাঁড়ালে তো দেরি হবেই। কী বলতে চান?

বৃদ্ধা বুঝতে পারলেন, সত্যিই তো তাই। দাঁড়ালে তো ওদের দেরি হবে। আমি কেন ওদের দেরি করাব? তার চেয়ে ওদের সঙ্গে হেঁটে যেতে যেতে কথা বলি।

আদ্রিকা সৃজা বলল, আপনি কিছু ভাবছেন? কিছু বললে আমাদের সঙ্গে চলুন।

বৃদ্ধা মনে মনে যা ভাবছেন তাই সৃজা বলে ফেলল। তিনি একটু মুচকি হাসি দিয়ে খুশি হয়ে বললেন, আমিও তাই ভাবছিলাম। তোমাদের পথে দেরি না করে তোমাদের সঙ্গে গল্প করতে করতে যাওয়াটা ভালো হবে। তোমাদের আর সময় নষ্ট হবে না।

শ্রেষ্ঠা আরিত্রিকা বলল, আমাদের সঙ্গে আপনি গেলে আপনার আবার দেরি হয়ে যাবে না তো? আমাদের তো স্কুলে যাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট সময় আছে। নির্দিষ্ট সময় ক্লাসে উপস্থিত থাকতে হবে।

বৃদ্ধা বললেন, তা ঠিক বুঝতে পেরেছি। সে জন্য আমি তোমাদের সঙ্গে যাব। এখানে আর দাঁড়িয়ে দেরি না করি, চল।

শ্রেষ্ঠা আরিত্রিকা বলল, আচ্ছা। চলুন।

ওরা তিনজন হাঁটতে লাগল। পেছনে থেকে ওদের বন্ধু অনিক দৌড়ে এসে বলল, আমার দেরি হয়ে গেছে রে।

শ্রেষ্ঠা আরিত্রিকা বলল, কেন রে?

অনিক বলল, টেবিলের ওপর স্কেল রেখেছিলাম। আসার আগমুহূর্তে দেখি স্কেল টেবিলে নেই। তাই খুঁজতে দেরি হয়ে গেল।

আদ্রিকা সৃজা বলল, স্কুল থেকে বাসায় গিয়ে দেখবি, তোর মা ঠিকই স্কেল বের করে রেখেছেন। টেনশন করিস না।

বৃদ্ধা বললেন, তুমি ঠিকই বলেছ। স্কেল যদি হারিয়ে যায়, তাহলে দেখবে তোমার মা নতুন করে একটি স্কেল কিনে নিয়ে টেবিলে রেখে দেবেন।

তা ঠিক বলেছেন। মায়েরা এমনই হন। সন্তানের সব ইচ্ছা পূরণ করেন।

বৃদ্ধার দিকে তাকিয়ে অনিক বলল, আচ্ছা, আপনি আমাদের সঙ্গে কেন যাচ্ছেন? আপনি আমাদের স্কুলের ছাত্রী না, আমাদের স্কুলের শিক্ষকও না।

বৃদ্ধা বললেন, কারণ আছে।

অনিক বলল, কী কারণ?

বৃদ্ধা বললেন, শ্রেষ্ঠা, তুমি বড় হয়ে কী হতে চাও?

শ্রেষ্ঠা বলল, এ প্রশ্ন তো সবাই করে দেখি। আমার ইচ্ছার কথা কাউকে বলব না। কারণ আমি এখন যদি একটা হওয়ার কথা বলে রাখি, পরবর্তী সময় যদি হতে না পারি তাহলে মিথ্যা কথা বলা হবে। তাই বলতে চাই না। আমি মনের ভিতরের কথা ভিতরে রেখে দিয়েছি।

তাই, তুমি তো দেখি অনেক বুদ্ধিমতী। এবার তাহলে সৃজা বল, তুমি বড় হয়ে কী হবে?

আমিও কিছু বলব না। শ্রেষ্ঠা যা বলেছে, আমি তাই বললাম।

বৃদ্ধা বললেন, তোমরা তো যমজ? তোমাদের স্কুলে মনে হয় আর যমজ কেউ নেই, তাই না?

শ্রেষ্ঠা বলল, হ্যাঁ।

বৃদ্ধা বললেন, শোনো, তোমাদের দেখে আমার একটি ঘটনার কথা মনে পড়েছে। ঘটনাটি হলো- যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের নিধাম এলাকার পোলার্ড মিডল স্কুলে অষ্টম শ্রেণির গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠানে দেখা যায় ২৩ জোড়া বা ৪৬ যমজ। আরও একজন ছাত্রী আছে যমজ, কিন্তু তার ভাই পড়ে অন্য একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। তাই তোমায় জিজ্ঞেস করলাম তোমাদের স্কুলে কতজন যমজ।

সৃজা বলল, বলে কী! সত্যি ঘটনা!

বৃদ্ধা বললেন, হ্যাঁ, সত্যি ঘটনা। এবার বল, ভবিষ্যতে কী হবে বলে মনে মনে ঠিক করে রেখেছ?

শ্রেষ্ঠা বলল, ধরে নিতে পারেন।

অনিক বলল, শুনুন, আমি কী হব জিজ্ঞেস করলেন না তো!

বৃদ্ধা বললেন, আচ্ছা, বল কী হবে?

অনিক বলল, আমি একজন উপকারী মানুষ হব। সবার উপকার করব।

বৃদ্ধা বললেন, এটা কোনো কথা! পড়ালেখা করে মানুষ কি না কি হতে চায় আর তুমি ভালো হতে চাও। পেশা কী হবে তোমার! মানুষের তো পেশার পাশাপাশি ভালো মানুষ হওয়া যায়। অন্যের উপকার করা যায়। তুমি কি ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, নাকি ব্যারিস্টার বা বিজ্ঞানী, নাকি ব্যবসায়ী হবে? এখন প্রযুক্তির যুগ। পৃথিবীর মানুষ কত এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু আমাদের তো তেমন বিজ্ঞানী তৈরি হচ্ছে না। তোমরা কি বিজ্ঞানী হতে পার না?

শ্রেষ্ঠা আর সৃজা দুজন একে অপরের দিকে তাকাল। ওদের মনের কথা ওরা বুঝতে পেরেছে। ওরা যে দুই বোন বিজ্ঞানী হতে চায় তা শুধু ওরা দুজনই জানে। আর কাউকে বলেনি। বিজ্ঞানী হওয়ার জন্য পড়ালেখা গভীর মনোযোগ দিয়ে করতে হবে। পড়ালেখা করে বিজ্ঞানী হওয়া যায়।

অনিক বলল, কী রে, তোর দুই বোন কী ভাবছিস? সেদিন ক্লাসে যে আমরা বড় হয়ে কে কী হতে চাই, সবারটা প্রকাশ করলাম। কিন্তু তোরা দুজন তো প্রকাশ করলি না। তোদের দুই বোনের কি কোনো লক্ষ্য নেই?

শ্রেষ্ঠা আরিত্রিকা বলল, সবার জীবনেই লক্ষ্য আছে। তাই আমাদেরও আছে। এখন কিছু বলতে চাই না। আমাদের একই লক্ষ্য।

অনিক বলল, তোরা দুই বোন আমাদের ক্লাসের ভালো ছাত্রী। শুধু ক্লাস বললে ভুল হবে, তোরা তো দুজন স্কুলের সেরা ছাত্রী। তাই তোদের কিন্তু অনেকেই অনুকরণ করে। তাদের আবার প্রতিযোগী হিসেবে ভাবিস না।

সৃজা বলল, তা ঠিক আছে। আমি মিথ্যা কথা বলতে পছন্দ করি না। এখন বললে যদি পরবর্তী সময়ে হতে না পারি, তাহলে অনেকে আমাদের মিথ্যুক মনে করবে। তাই বলব না।

বৃদ্ধা বললেন, শোন, তোমরা বল বা না বল, আমি তোমাদের একটি কথা বলতে চাই।

ওরা তিনজন একসঙ্গে বলে উঠল, কী কথা?

এই যে তথ্য-প্রযুক্তির যুগে দিনকে দিন মানুষের পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে, উন্নতি করছে। এটা কীসের জন্য পারছে? একমাত্র পড়ালেখা করে এবং তোমাদের বিজ্ঞানী হতে হবে। এমন কিছু আবিষ্কার করতে হবে, যা সারা পৃথিবীর মানুষের উপকারে আসতে পারে।

বৃদ্ধার কথা শুনে ওরা অবাক হলো। ওরা দুজন ভাবছে- তিনি তো আমাদের মনের কথা বলেছেন। আমরা যমজ দুই বোন মানুষের জন্য কিছু করতে চাই।

গল্পে গল্পে স্কুল পর্যন্ত এসে পৌঁছল সবাই। স্কুলের মাঠে ঢোকার আগে বৃদ্ধা বিদায় নিয়ে চলে গেলেন। ওরা স্বপ্ন বাস্তবায়নের প্রতিজ্ঞা নিয়ে ক্লাসরুমে ঢুকে গেল।

এই বিভাগের আরও খবর
লিখতে পারো তুমিও
লিখতে পারো তুমিও
ভালো লাগে
ভালো লাগে
গোপাল ভাঁড়
গোপাল ভাঁড়
রুপালি পাখি
রুপালি পাখি
কানামাছি
কানামাছি
ভোঁদড় ছানা
ভোঁদড় ছানা
শিশুর হাসি
শিশুর হাসি
নয় মাসের লড়াই
নয় মাসের লড়াই
চিরঋণী
চিরঋণী
ফুল বাগিচায়
ফুল বাগিচায়
চৈত্র হাওয়ায়
চৈত্র হাওয়ায়
আঁকি বুকি
আঁকি বুকি
সর্বশেষ খবর
তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত
তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত

৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'
'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'

১৪ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

তুরস্ক–গ্রিস উপকূলে পৃথক নৌকাডুবিতে ১৬ জনের প্রাণহানি
তুরস্ক–গ্রিস উপকূলে পৃথক নৌকাডুবিতে ১৬ জনের প্রাণহানি

১৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুর্নীতি দমনে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড চুক্তি স্বাক্ষর
দুর্নীতি দমনে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড চুক্তি স্বাক্ষর

২৮ মিনিট আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার
রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার
গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩
বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু
দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান
যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র
ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম
বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় খুন ও ডাকাতি মামলার আসামিকে হত্যা
কুমিল্লায় খুন ও ডাকাতি মামলার আসামিকে হত্যা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কোটালীপাড়ায় ইউপি সদস্যের পদত্যাগ দাবি
কোটালীপাড়ায় ইউপি সদস্যের পদত্যাগ দাবি

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদারীপুরে এক ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার
মাদারীপুরে এক ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুমকিতে মাকে কুপিয়ে জখম করায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা
দুমকিতে মাকে কুপিয়ে জখম করায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাণিজ্য সংকটকে আরও গভীর করবে : চীন
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাণিজ্য সংকটকে আরও গভীর করবে : চীন

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু
ভাঙ্গায় ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সময় যুবক গ্রেফতার
শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সময় যুবক গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

বিমসটেকে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে যুব উৎসব আয়োজনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
বিমসটেকে তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়াতে যুব উৎসব আয়োজনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দেশীয় শিল্পীদের মূল্যায়ন করতেই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’র আয়োজন : টুকু
দেশীয় শিল্পীদের মূল্যায়ন করতেই ‘স্বাধীনতা কনসার্ট’র আয়োজন : টুকু

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাবনায় যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে জরিমানা
পাবনায় যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগে জরিমানা

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা, ভ্রমণ গাইড
অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা, ভ্রমণ গাইড

৩ ঘণ্টা আগে | পর্যটন

সর্বাধিক পঠিত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের যুবক নিহত

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

৬ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

৯ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

১৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত
ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা

শোবিজ

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য

সম্পাদকীয়

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা