মামুলি অপরাধে জড়িত কাগজপত্রহীন অভিবাসীদেরও গ্রেপ্তার করে নিজ দেশে পাঠিয়ে দেওয়ার একটি বিল গত মঙ্গলবার মার্কিন কংগ্রেসে পাস হয়েছে।
এই বিল অনুযায়ী, বাস-রেলে বিনা টিকিটে ভ্রমণের চেষ্টা, স্টোরে ছোটখাটো জিনিস এবং বাড়িঘর থেকে চুরির সময় ধরা পড়া, পকেট কাটা অথবা কাউকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া, ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের জন্যও এই শাস্তির আওয়তায় পড়বেন।
এই বিলে রিপাবলিকান পার্টির সঙ্গে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ৪৮ জন কংগ্রেসম্যানও ভোট দিয়েছেন। বিলটি পাস হয়েছে ২৬৪-১৫৯ ভোটে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, গত নভেম্বরের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের ভোটে আপামর আমেরিকানের আগ্রহে ভাটা পড়ায় সামনের মধ্যবর্তী নির্বাচনেও তার ঢেউ লাগতে পারে। এ জন্য অভিবাসী ইস্যুতে ভোটারের মন রক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে অভিবাসনবিরোধী এই বিলে উপরোক্ত ডেমোক্র্যাটরা ভোট দিয়েছেন। আরও জানা গেছে, প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের দিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণের সীমানা ওপেন করায় গত চার বছরে ২২ লাখের অধিক বিদেশি ঢুকেছে আমেরিকায় এবং তাদের অনেকেই নানা অপকর্মে লিপ্ত থাকায় গ্রেপ্তারও হচ্ছে। টেক্সাস, আরিজোনা স্টেটে ওইসব অবৈধ অভিবাসীদের স্থান সংকুলান না হওয়ায় বাসে ভরে নিউইয়র্ক, বস্টন, ফিলাডেলফিয়া, শিকাগো এবং লসএঞ্জেলেস সিটিতে অনেক বিদেশিকে পাঠানো হয়েছে।
এর ফলে এসব সিটির আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নাজুক হয়ে পড়েছে। সামগ্রিক পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে খেটে খাওয়া মানুষও বিব্রত।
কারণ, বেআইনিভাবে সীমান্ত অতিক্রমকারীদের সরকারি খরচে হোটেল-মোটেলে রাখা হচ্ছে। খাদ্য ক্রয়ের জন্যে ডেবিট কার্ড প্রদান করা হয়েছে বাইডেনের নির্দেশে। এদিকে সামাজিক এবং জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে সীমান্তকে নি-িদ্র নিরাপত্তার আওতায় আনা, তথা দক্ষিণের সাড়ে ৫০০ মাইল সীমানায় দেয়াল নির্মাণের অঙ্গীকার রয়েছে ট্রাম্পের। বেআইনিভাবে একজন বিদেশিও যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকতে পারবে না- এমন একটি ব্যবস্থায় আগ্রহী প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।