শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ১১:১৪, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

সরকারের ভিতর সরকার!

শামীম আহমেদ
প্রিন্ট ভার্সন
সরকারের ভিতর সরকার!

গত বছরের নভেম্বর থেকে রাজধানীসহ সারা দেশে ভূমিসেবার নাকাল দশা। দিনের পর দিন ভূমি অফিসে দৌড়ঝাঁপ করেও হচ্ছে না নামজারি। পরিশোধ করা যাচ্ছে না খাজনা। পাওয়া যাচ্ছে না খতিয়ান, ডিসিআর। সব ক্ষেত্রে দেখানো হচ্ছে সার্ভার ত্রুটির অজুহাত। স্থবির হয়ে পড়েছে জমি নিবন্ধন কার্যক্রম। ভুক্তভোগী অনেকে ভূমিসেবায় হঠাৎ এমন স্থবিরতার জন্য সরকারকে দায়ী করছেন। কেউ কেউ বলছেন, সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলতে একটা শ্রেণি তৎপর রয়েছে। তারা ইচ্ছাকৃতভাবে জনদুর্ভোগ বাড়াচ্ছে। তবে ভূমিসেবায় ভোগান্তি নিয়ে মাঝেমধ্যে দুঃখ প্রকাশ করে দায় সারছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।

সরকার বাজেট ঘাটতির জন্য শতাধিক পণ্য ও সেবার ওপর ভ্যাট বাড়াচ্ছে অথচ সরকারের পাওনা ভূমিকর সরকারকে দিতে পারছে না জনগণ। এতে একদিকে সরকার রাজস্ববঞ্চিত হচ্ছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে সরকারবিরোধী ক্ষোভ তৈরি হচ্ছে। সরকারের ভিতর আরেকটি সরকার কাজ করছে বলে মন্তব্য করছেন ভুক্তভোগীরা।

বিভিন্ন ভূমি অফিসে সরেজমিনে দেখা গেছে, নামজারি, খাজনা আদায় বন্ধ থাকায় সন্তানকে বিদেশ পাঠাতে, মেয়ের বিয়ে বা জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজনেও নিজের জমি বিক্রি করতে পারছে না মানুষ। ভুক্তভোগীরা বলছেন, দলিল রেজিস্ট্রেশনে হালনাগাদ খাজনা পরিশোধের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। খাজনা পরিশোধ করতে না পারায় অনেক জায়গায় দলিল রেজিস্ট্রেশনও বন্ধ রয়েছে। এ ছাড়া নামজারি ও খাজনা না দিলে সে জমিতে গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানির সংযোগ আনা যায় না। ব্যাংক ঋণ নেওয়া যায় না। একই কারণে অনেক নির্মাণকাজও বন্ধ রয়েছে। এতে নির্মাণশিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রড, সিমেন্ট, শ্রমিক, রং, প্রকৌশলী, পাথর, টাইলস, বিদ্যুৎসামগ্রীসহ উপখাতগুলোও ক্ষতির মুখে। সব মিলে ভূমিসেবায় সারা দেশে হযবরল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

নামজারি ও ট্যাক্স পরিশোধ কেন করা যাচ্ছে না জানতে চাইলে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, গত ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে কিছুটা সমস্যা ছিল। এখন কোনো সমস্যা নেই। তবে সার্ভার আপডেট করা হচ্ছে। যদি এখনো কোনো সমস্যা থাকে আগামী মার্চ থেকে আর থাকবে না। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নামজারি ও খাজনা পরিশোধ বন্ধ থাকা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সিনিয়র সচিব বলেন, আমরা পূর্বাচল এলাকায় রাজউকের প্লটের নামজারি বন্ধ রেখেছি। রাজউক প্লট দিয়েছে, সেখানে কিছু অনিয়ম আছে, খতিয়ানে ভুল আছে। আমরা একটা ডিজিটাল জরিপ করছি। আগামী এক বছরের মধ্যেই সবকিছু একটা সিস্টেমে আনার উদ্যোগ নিচ্ছি।

খাজনা না নেওয়া বা বিশেষ এলাকায় নামজারি বন্ধে সরকারের কোনো নির্দেশনা আছে কি না-জানতে চাইলে ভূমি ব্যবস্থাপনা অটোমেশন প্রকল্পের পরিচালক মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, এমন নির্দেশনা কোথাও নেই। তবে রাজউকের প্লটগুলোর দাগ-খতিয়ান নেই। তাই সফটওয়্যার এগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে আটকে দিচ্ছে। হঠাৎ সফটওয়্যার পরিবর্তন প্রসঙ্গে বলেন, ভূমিসেবা সহজ করতে আগের ম্যানুয়াল একাধিক সফটওয়্যারকে একটিতে উন্নীত করা হয়েছে। এতে সার্ভারের ভাড়া কমবে। তবে সফটওয়্যারের কিছু ত্রুটি এখনো আছে। এগুলো দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে। ডিসেম্বরের চেয়ে এখন ভালো হয়েছে। আগামী মার্চে প্রধান উপদেষ্টা সময় দিলে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পরিকল্পনা আছে। চেষ্টা করছি তার আগে ঠিক করতে। তবে নিশ্চয়তা দেওয়া যাচ্ছে না। অনেকের জমির তথ্য খুঁজে না পাওয়া, হোল্ডিং না পাওয়া, সফটওয়্যারে ধীরগতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ৩০ ভাগ সমস্যার দায় সফটওয়্যারের, বাকিটা ইন্টারনেটসহ অন্যান্য। এ ছাড়া সফটওয়্যারে এআই পদ্ধতি ব্যবহার করায় কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। তথ্যে সামান্য ভুলত্রুটি হলে অটোমেটিক আটকে যাচ্ছে।

সরেজমিন রাজধানীর ডুমনি ভূমি অফিসে গিয়ে দেখা যায়, অনেকেই নামজারি ও খাজনা দেওয়ার জন্য দিনের পর দিন ঘুরছেন। কর্মকর্তারা সেবাপ্রার্থীদের পাশে বসিয়ে কম্পিউটারের সামনে বসছেন। পরে সার্ভার সমস্যা বলে ফেরত পাঠাচ্ছেন। আবার অনেককে দরজা থেকেই সার্ভার ত্রুটি বলে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। কাজ না থাকায় আড্ডায় সময় পার করছেন কর্তকর্তা-কর্মচারীরা।

রেহানা পারভীন নামে একজন ক্যান্সার রোগী বলেন, নিজের ক্যান্সারের চিকিৎসা করতে তিনি বিদেশ যাবেন। সে কারণে জমি বিক্রির চেষ্টা করছেন কিন্তু কাগজপত্র হালনাগাদ করতে পারছেন না বলে জমি বিক্রি করতে পারছেন না। তিনি বলেন, সরকার যদি কোনো এলাকার ভূমিসেবা বন্ধ রাখে তবে এর কারণ ব্যাখ্যা করে জনগণকে জানাতে হবে।

বাংলাদেশ প্রতিদিনের চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, রংপুর, বরিশাল, বগুড়া, নাটোর, মেহেরপুর, হবিগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, কক্সবাজার, চুয়াডাঙ্গা, বাগেরহাট, কুতুবদিয়াসহ বিভিন্ন এলাকার সংবাদকর্মীর পাঠানো খবরে সারা দেশে ভূমিসেবার বেহাল চিত্র উঠে এসেছে।

মেহেরপুর শহরের হাসানুল মারুফ বলেন, তিন মাস ধরে জমির খাজনা দেওয়ার জন্য ঘুরছি। এর আগে খাজনা দিলেও বর্তমানে সার্ভারে আমার জমির কোনো তথ্যই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। কবে নাগাদ আমার তথ্য যোগ হবে তা-ও বলতে পারছে না। মেহেরপুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) গাজী মূয়ীদুর রহমান বলেন, সার্ভার সমস্যার কারিগরি কারণ আমাদের পক্ষে বলা কঠিন। এ সমস্যার কারণ একমাত্র টেকনিক্যাল পারসনই বলতে পারবেন।

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা মনিমোহন ম ল তিন মাস আগে নামজারির জন্য আবেদন করেছেন। সার্ভার জটিলতায় আজও মিউটেশন হয়নি। জানা গেছে, ডুমুরিয়া ভূমি অফিসে সার্ভার জটিলতায় ২ হাজারের বেশি মিউটেশন পেন্ডিং রয়েছে।

সার্ভার জটিলতায় বরিশালে জমির খাজনা আদায় অন্তত ৮০ ভাগ কমে গেছে। সদর উপজেলার চরবাড়িয়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. শাহিন আলম বলেন, সার্ভারে জটিলতায় গত আড়াই মাসে মাত্র ২০ ভাগ খাজনা আদায় করা গেছে। এ ছাড়া যারা বিদেশে রয়েছেন, যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র নেই তারা পাসপোর্ট বা জন্মনিবন্ধন দিয়ে খাজনা দিতে পারেন না। কারও পক্ষে বা প্রতিনিধি হয়ে খাজনা পরিশোধ করা যায় না। একটি খতিয়ানে ১০ জন মালিক থাকলে আংশিক খাজনা দেওয়া যায় না। আবেদনকারী টাকা পরিশোধ করলে অনলাইনে দাখিল পাওয়া যায় না।

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় সদ্য বদলি হয়ে যাওয়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইয়াসীন সাদেক বলেন, নামজারিসংক্রান্ত বিষয়ে মোট জমির পরিমাণ ও দাগের মোট খতিয়ানের অংশ শূন্য দেখায়। সাফ কবালা লেখা অটো আসে না। আদেশপত্রে কেস নম্বর উল্লেখ থাকা আবশ্যক, কিন্তু আদেশপত্রে কেস নম্বর আসে না। আবেদিত নামজারিতে একাধিক দাগে আবেদনের পর যদি কোনো একটি দাগে জমি না থাকে, তবে ওই দাগের জমি শূন্য করা বা বাদ দেওয়া যায় না। এ ছাড়া একাধিক নামের ক্ষেত্রে হিস্সা সংশোধন করা যাচ্ছে না। সমন্বয় করার পর নাগরিক আইডিতে দেখা যাচ্ছে না। সংস্থার ভূমি উন্নয়ন কর নেওয়া যাচ্ছে না। সেখানে ব্যক্তির নামে আসে। নাগরিক লগইন স্বাভাবিক হলেও প্রশাসনিক লগইন অনেক স্লো। দাগ সংশোধনের জন্য বিস্তারিত অপশনে ক্লিক করলে দুঃখিত, সার্ভিসটি সাময়িকভাবে বিঘিœত হয়েছে লেখা আসে। ভূমি উন্নয়ন কর গ্রাহকের আইডিতে এক বছর বকেয়া বেশি দেখায়। ভূমি উন্নয়ন করে নাগরিক কর্তৃক আবেদিত খতিয়ান দাগ এবং সংযুক্তিতে কোনো প্রকার ভুল সংযুক্তি থাকলে ও বাতিল করা হলেও বাতিল হয় না। ভূমি উন্নয়ন করে একই ব্যক্তি একই খতিয়ান দুবার তিনবার আবেদন করলে একটি অনুমোদন দেওয়ার পর বাকিগুলো বাতিল করা হলে বাতিল হয় না। খতিয়ানের ফি পরিশোধের পর খতিয়ান নম্বর এলে দেখা যায়, জমি এন্ট্রি দেওয়া ০৫ অযুতাংশ, নামজারি হয়েছে ০৫ শতাংশের।

ছেলের চিকিৎসার জন্য জরুরি টাকা দরকার কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলার উত্তর ধূরুং ইউনিয়নের নুরুল কবিরের। এজন্য কয়েক মাস ধরে পৈতৃকসূত্রে পাওয়া জমিটি বিক্রির চেষ্টা করছেন। তবে সার্ভার সমস্যার কারণে আজও বিক্রি করতে পারেননি। কুতুবদিয়া উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার পূর্বাশা বডুয়া বলেন, আগে সপ্তাহে ২৫-৩০টি জমির দলিল রেজিস্ট্রেশন হতো। ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে সপ্তাহে হতো মাত্র দু-তিনটি। এখন কিছুটা বাড়ছে।

কক্সবাজারের নবসৃষ্ট সদর উপজেলার খুরুশকুল ও চৌফলদ ী, চকরিয়ার খুটাখালী, পেকুয়ার মগনামা ও উজানটিয়া ইউনিয়নের ভূমিসেবা প্রার্থীরা চরম ভোগান্তিতে আছেন। সার্ভার জটিলতায় ভূমিসেবা এক প্রকার বন্ধ রয়েছে।

রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার বাটিকামারীর শামীম হোসেন দীর্ঘদিন ঘুরে তিন দিন আগে অনলাইনে নিজের জমির খাজনা পরিশোধ করতে পারলেও ভূমি অফিসের সার্ভারে তা পরিশোধ দেখাচ্ছে না। তখন থেকে ঘুরছেন বিষয়টি সমাধানের জন্য।

গোপালপুরের নূরজাহান বেগম সার্ভার জটিলতায় জমির খাজনা পরিশোধ করতে পারছেন না।

রংপুর সদর উপজেলার হরিদেবপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা আলমগীর ইসলাম একমাত্র ছেলের বিদেশ যাওয়ার খরচ মেটাতে জমি বিক্রি করবেন। রংপুর সদর ভূমি অফিসে ১৫ দিন ধরনা দিয়েও নামজারি করাতে পারেননি। তাই জমিও বিক্রি করতে পারেননি। ছেলের চিন্তায় দিশাহারা তিনি।

বগুড়া জেলা রেজিস্ট্রার মো. সিরাজুল করিম জানান, সার্ভার জটিলতার কারণে খাজনা ও নামজারি ঠিকমতো করতে পারছেন না জমি বিক্রেতারা। ফলে জমির দলিল রেজিস্ট্রি কমে যাওয়ায় সরকারের রাজস্ব আদায় কম হচ্ছে। শিগগিরই সার্ভার জটিলতার সমাধান না হলে আরও ভোগান্তিতে পড়বেন জমি ক্রেতা-বিক্রেতারা। বগুড়া সদর ভূমি অফিসের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ চন্দ্র জানান, সার্ভার জটিলতায় নানা সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।

নাটোরেও ভূমি উন্নয়ন কর, নামজারি ও জমি রেজিস্ট্রেশন এক প্রকার বন্ধ হয়ে গেছে। ফুলবাগান এলাকার বাসিন্দা আলিফ হোসেন বলেন, কয়েক মাস ধরে ভূমিকর দিতে ঘুরছি। এসে খালি হাতে ফিরে যাই। সার্ভার নাকি কাজই করে না। হুগলবাড়িয়ার কৃষক আফাজ উদ্দিন বলেন, জমি বিক্রি করব, সেজন্য খারিজের আবেদন করতে এসে শুনি সার্ভার কাজ করছে না। তিন দিন এসেও কাজ করতে পারিনি।

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার ভাটি শৈলজুড়া গ্রামের বাসিন্দা শামীম আহমেদ দুই মাস ধরে ২৪ শতক জমি বিক্রির জন্য উপজেলা ভূমি অফিসে ঘুরছেন। সার্ভার জটিলতায় নামজারি করাতে পারছেন না। তিনি বলেন, আমার ভাগনেকে সার্বিয়া পাঠানোর জন্য এজেন্সির সঙ্গে ১০ লাখ টাকার চুক্তি হয়েছে। ৪ লাখ টাকা পরিশোধ করেছি। বাকি ৬ লাখ জমি বিক্রি করে দেওয়ার কথা। অথচ দুই মাসেও নামজারি করতে পারিনি। শায়েস্তাগঞ্জ ভূমি অফিসের নাজির চয়ন কুমার দাস বলেন, সার্ভার জটিলতার কারণে আমরা এখন অনেক কাজ করতে পারছি না। আমার এলাকার ৪৩টি মৌজার মধ্যে একটিতেও নতুন করে নামজারি করা যাচ্ছে না।

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কোলাগাঁও ইউনিয়নের চাপড়া মৌজার একটি জায়গার নামজারির জন্য ফাইল জমা দেওয়া হয় ডিসেম্বরের শুরুতে। সার্ভার সমস্যা দেখিয়ে সে আবেদন গ্রহণ হয় ১২ জানুয়ারি। আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি শুনানির জন্য খুদে বার্তা এসেছে। আবেদনকারী মো. সেলিম উল্লাহ বলেন, চিকিৎসার টাকার জন্য জমিটি বিক্রি জরুরি হয়ে পড়েছিল। অথচ দুই মাসেও নামজারি হলো না!

বাগেরহাটে ভূমিসেবা সার্ভার কাজ না করায় ১৫০ ধারায় মিউটেশনের মিসকেস ও খতিয়ানে নাম পরিবর্তনের কোনো কাজই হচ্ছে না। অমীমাংসিত অবস্থায় পড়ে আছে হাজারো কেস। জমির নামজারি বন্ধ থাকায় খাজনা দেওয়া ও জমি কেনাবেচা করা যাচ্ছে না। বাগেহাটে সরকারি হিসাবে গত ২৮ দিনে আবেদন নিষ্পত্তি হয়েছে ফকিরহাটে ৪৪, মোরেলগঞ্জে ৬২, সদরে ৫৮, মোল্লাহাটে ৬৬, রামপালে ৬৪, মোংলায় ৭৫, চিতলমারীতে ৮৩, কচুয়ায় ৭৯ ও শরণখোলা উপজেলায় ৫৮ শতাংশ।

এই বিভাগের আরও খবর
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
সর্বশেষ খবর
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

এই মাত্র | শোবিজ

নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ
নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ

১ মিনিট আগে | পরবাস

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি
বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি

৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত
গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত

১৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১৭ মিনিট আগে | রাজনীতি

তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত
তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'
'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'

৩৩ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ

৩৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

তুরস্ক–গ্রিস উপকূলে পৃথক নৌকাডুবিতে ১৬ জনের প্রাণহানি
তুরস্ক–গ্রিস উপকূলে পৃথক নৌকাডুবিতে ১৬ জনের প্রাণহানি

৩৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুর্নীতি দমনে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড চুক্তি স্বাক্ষর
দুর্নীতি দমনে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড চুক্তি স্বাক্ষর

৪৮ মিনিট আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার
রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার
গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩
বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু
দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান
যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র
ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম
বনদস্যু আতঙ্কের মাঝেই সুন্দরবনে শুরু মধু আহরণ মৌসুম

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় খুন ও ডাকাতি মামলার আসামিকে হত্যা
কুমিল্লায় খুন ও ডাকাতি মামলার আসামিকে হত্যা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কোটালীপাড়ায় ইউপি সদস্যের পদত্যাগ দাবি
কোটালীপাড়ায় ইউপি সদস্যের পদত্যাগ দাবি

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদারীপুরে এক ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার
মাদারীপুরে এক ডজন মামলার আসামি গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুমকিতে মাকে কুপিয়ে জখম করায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা
দুমকিতে মাকে কুপিয়ে জখম করায় ছেলের বিরুদ্ধে মামলা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাণিজ্য সংকটকে আরও গভীর করবে : চীন
ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ বাণিজ্য সংকটকে আরও গভীর করবে : চীন

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভাঙ্গায় ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু
ভাঙ্গায় ভ্যানের নিচে চাপা পড়ে একজনের মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সময় যুবক গ্রেফতার
শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সময় যুবক গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সর্বাধিক পঠিত
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর সমাধান করা হবে : প্রধান উপদেষ্টা

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই
১১ বছরেও মিলল না সন্ধান, এমএইচ৩৭০ নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার
ব্যাংককে ড. ইউনূস-নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শুক্রবার

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন
ট্রাম্পের শুল্কারোপ: ১০০ বছরে বিশ্ব বাণিজ্যে বড় পরিবর্তন

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

১০ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী
শৈশবে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা, নৃত্যগুরুর হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

১৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত
ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা

শোবিজ

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য

সম্পাদকীয়

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা