শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ আপডেট: ০৩:০৩, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচনের স্থপতি

বিশেষ প্রতিনিধি
প্রিন্ট ভার্সন
বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচনের স্থপতি

১৯৭৬ সাল। মুক্তিযুদ্ধের চার বছর অতিক্রান্ত হয়েছে কিন্তু হতদরিদ্র বাংলাদেশের চেহারা পাল্টায়নি। বরং চারপাশে হতাশার চিহ্ন। যে আকাঙ্ক্ষা নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল, সেই স্বপ্নগুলো ক্রমশ ফিকে হয়ে যাচ্ছে। মানুষ দারিদ্র্যের কশাঘাতে জর্জরিত, মনে হচ্ছিল হেনরি কিসিঞ্জার কিংবা মার্কিন অর্থনীতিবিদের সেই ভবিষ্যদ্বাণীগুলোই যেন বাংলাদেশের ক্ষেত্রে অমোঘ নিয়তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্বাধীনতার পর মার্কিন অর্থনীতিবিদরা বলেছিলেন, বাংলাদেশ হবে দারিদ্র্যের মডেল। তাঁরা বলেছিলেন, বাংলাদেশ হবে দুর্ভিক্ষের প্রতীক। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ চুয়াত্তরে এক ভয়ংকর দুর্ভিক্ষের অভিজ্ঞতা বরণ করে। সেই দুর্ভিক্ষের ক্ষত এখনো শুকায়নি। স্বপ্নহীন, বিবর্ণ হতদরিদ্র মানুষের মানচিত্র যেন বাংলাদেশ। ৭০ ভাগের বেশি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে। বাংলাদেশ টিকবে কি না, বাংলাদেশ কি ভবিষ্যতে দারিদ্র্যের মডেল রাষ্ট্র হবে নাকি একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রের তকমা নিয়ে শেষ পর্যন্ত বিশ্বের মানচিত্র থেকে বিদায় নেবে- এ নিয়ে তখনো চলছে নানা আলোচনা। ঠিক এ সময় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক উদ্যমী তরুণ শিক্ষক গ্রামীণ অর্থনীতি পাল্টে দেওয়ার এক স্বপ্নকে বুকে ধারণ করে মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করলেন। তাঁর উদ্যোগ ছিল খুব ছোট, কিন্তু স্বপ্ন ছিল বিশাল। ১৯৭৬ সালে ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাঁর কয়েকজন সহকর্মী এবং শিক্ষার্থীদের নিয়ে ছুটে গেলেন চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত জোবরা গ্রামে। উদ্দেশ্য একটি গবেষণা। তিনি বুঝতে চাইলেন গ্রামীণ দারিদ্র্যের কারণ এবং তার উত্তরণের পথ। গ্রামের গরিবদের ব্যাংকিং সেবা প্রদান করা যায় কি না। তাদের যদি ঋণ দেওয়া যায় সেই ঋণ প্রদানের ফলাফল কী হবে? তারা ঋণের টাকায় কি সঠিক প্রয়োগ করবে নাকি সে টাকা খরচ করবে ভাত-কাপড়ের জন্য। বাংলাদেশে প্রচলিত ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ঋণ গ্রহণ অত্যন্ত জটিল একটি বিষয়। এটি মূলত তেলে মাথায় তেল দেওয়ার মতো। ঋণ দেওয়ার জন্য লাগে জামানত বা কোল্যাটারাল সিকিউরিটি। গ্রামের গরিব মানুষের এ ধরনের কিছুই নেই। তাদের শুধু আছে অফুরন্ত প্রাণশক্তি, সাহস, উদ্যম। দরিদ্র মানুষের কর্মশক্তি এবং সৃজনশীলতাকে পুঁজি করে সেটিকে জামানত হিসেবে বিবেচনা করে তাকে ঋণ দেওয়ার কথা প্রচলিত ব্যাংকিং ব্যবস্থায় কেউ কল্পনাও করতে পারেনি। কিন্তু ড. ইউনূস সেই জোবরা গ্রামে গবেষণা প্রকল্পের মাধ্যমে জামানতবিহীন ঋণের একটি নতুন ধারার সূচনা করলেন। এ গবেষণা থেকে তিনি যেমন উৎসাহিত হলেন, উৎসাহিত হলো ওই শিক্ষার্থীরা এবং গ্রামের মানুষ। সামান্য কিছু আর্থিক সহায়তা পেলে গরিব মানুষ তাদের নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে। ঋণ শোধের ক্ষেত্রে অনেক বড় বড় ব্যক্তির চেয়েও তারা অনেক বেশি তৎপর, আগ্রহী- এটি প্রথম আবিষ্কার করলেন ড. ইউনূস। আর এখান থেকেই উদ্দীপ্ত হয়ে শুরু হলো তাঁর গ্রামীণ জনপদের ভাগ্য বদলের গল্প। বাংলাদেশে গ্রামীণ দারিদ্র্য দূর করার ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে, যে বাংলাদেশকে মনে করা হতো দারিদ্র্যের রোল মডেল, যে বাংলাদেশকে মনে করা হতো একটি ক্ষুধা দারিদ্রমুক্ত দেশ হিসেবে বিশ্বে গবেষণার বস্তু হবে, সেই বাংলাদেশ দারিদ্র্য বিমোচনে এক অনন্য সাফল্য অর্জন করল। এ সাফল্যের মূল কারিগর হলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ১৯৭৬ সালে এ গবেষণার মাধ্যমে তিনি আস্তে আস্তে গ্রামীণ জনপদের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য গ্রামীণ ব্যাংকের ধারণার সূচনা করেন। এরপর তিনি সরকারের কাছে যান তাঁর দারিদ্র্য বিমোচনের আবিষ্কার নিয়ে। গ্রামীণ ব্যাংকের ধারণার কথা সরকারের অনেকেই মানতে রাজি হননি। কোল্যাটারাল সিকিউরিটি বা জামানত ছাড়া ঋণ দেওয়া প্রচলিত ধারণায় নিরাপদ নয়। এটিকে অনেকে অবাস্তব একটা পরিকল্পনা হিসেবেও বিবেচনা করেছিলেন। কিন্তু ড. মুহাম্মদ ইউনূস হতোদ্যম হওয়ার পাত্র নন। তিনি তাঁর চেষ্টা অব্যাহত রাখলেন এবং তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল হিসেবে ১৯৮৩ সালের ৪ সেপ্টেম্বর সরকার গ্রামীণ ব্যাংক অধ্যাদেশ নামে একটি আইন তৈরি করল। যাত্রা শুরু হলো গ্রামীণ ব্যাংকের। সেই সময় মাত্র ৩ কোটি টাকার মূলধন নিয়ে গ্রামীণ ব্যাংকের যাত্রা শুরু হয়। এর মধ্যে ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা দিয়েছিল সরকার। আর ১ কোটি ২০ লাখ টাকা ছিল ঋণগ্রহীতাদের। এখান থেকেই শুরু। তারপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। গ্রামীণ ব্যাংক কেবল বাংলাদেশ এবং সারা বিশ্বের গরিব মানুষের জন্য জামানতবিহীন ঋণ বিতরণ করে না, বরং গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশ এবং বিশ্বের দরিদ্র মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের এক অনন্য প্রতিষ্ঠান। গ্রামীণ ব্যাংকের মূল বৈশিষ্ট্যগুলোর একটি হলো এ ব্যাংকের সদস্যপদ প্রাপ্তির প্রধান যোগ্যতা হলো তাকে নারী হতে হবে। এর মাধ্যমে তিনি নারীর ক্ষমতায়নকে সামনে নিয়ে এসেছেন। নারীর ক্ষমতায়ন ও কর্মসংস্থান হলো অর্থনৈতিক মুক্তি এবং দারিদ্র্য বিমোচনের অন্যতম চাবি। ১৯৮৪ সাল থেকে গ্রামীণ ব্যাংক আস্তে আস্তে বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচনের সংগ্রামের মূল শক্তিতে পরিণত হয়। এর নেপথ্যের নায়ক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এই গ্রামীণ ব্যাংকের বহুমাত্রিক কার্যক্রমের মাধ্যমে একটি সুবিন্যস্ত গ্রামীণ অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে উঠেছে। যা দেশের দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেতৃত্ব দিচ্ছে। এখন গ্রামীণ ব্যাংক কেবল ক্ষুদ্রঋণ দেয় না, দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধে বিজয়ী তৈরি করে। তৈরি করে আধুনিক শিক্ষিত, কর্মক্ষম মানুষ।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস এমন একজন বিরল ব্যক্তিত্ব, যিনি শুধু অর্থনৈতিকভাবে গ্রামীণ জনপদকে স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ নেননি, বরং সার্বিকভাবে দারিদ্র্য বিমোচন এবং গ্রামীণ কল্যাণের জন্য কাজ করেছেন। আর সেজন্যই তিনি তাঁর নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছেন। সারাক্ষণ চিন্তা করছেন এবং তাঁর চিন্তার বাস্তবায়ন ঘটিয়েছেন। তিনি যখন দেখলেন যে গ্রামীণ ব্যাংকের কার্যক্রম এগিয়ে যাচ্ছে, তখন তিনি আস্তে আস্তে গ্রামীণ জনপদের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য একের পর এক নানামুখী উদ্যোগ নিলেন। কারণ তিনি বুঝতে পারেন দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য দরকার দক্ষতা বৃদ্ধি, শিক্ষা প্রশিক্ষণ এবং কর্মসংস্থানের নানা পথ উন্মুক্ত করে দেওয়া। দারিদ্র্য বিমোচনের সমন্বিত উদ্যোগের অংশ হিসেবে গড়ে তোলেন ২৮টি বিভিন্ন রকম প্রতিষ্ঠান। যে প্রতিষ্ঠানগুলোর একমাত্র কাজ হলো গ্রামীণ জনপদের দারিদ্র্য বিমোচন এবং সর্বজনীন উন্নয়ন। এসব প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য ছিল বিভিন্ন প্রকল্প এবং উদ্যোগ গ্রহণ করে গ্রামীণ জনপদের বিশেষ করে দরিদ্র মানুষের সামগ্রিক এবং সমন্বিত উন্নয়ন সাধন করা। মাঠে কাজ করতে গিয়েই ড. ইউনূস আবিষ্কার করেন যে, শুধু ঋণ প্রদানের মাধ্যমে ভাগ্য পরিবর্তন সম্ভব নয়। দারিদ্র্য বিমোচনে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থানসহ নানারকম উদ্যোগ সমন্বিতভাবে গ্রহণ করা দরকার। এর অংশ হিসেবে ১৯৯৬ সালের ২৫ এপ্রিল গঠিত হয় গ্রামীণ কল্যাণ। এর মাধ্যমে গ্রামীণ সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়। এর মধ্যে ছিল গ্রামীণ টেলিকম, গ্রামীণ ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেড, গ্রামীণ শিক্ষা, গ্রামীণ নেটওয়ার্ক লিমিটেড, গ্রামীণ বিকাশ, গ্রামীণ আইটি পার্ক, গ্রামীণ ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট, গ্রামীণ সল্যুশন, গ্রামীণ ডানোন ফুডস লিমিটেড, গ্রামীণ হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস, গ্রামীণ স্টার এডুকেশন লিমিটেড, গ্রামীণ ফেব্রিক অ্যান্ড ফ্যাশন লিমিটেড, গ্রামীণ কৃষি ফাউন্ডেশন। একটু লক্ষ্য করলেই দেখা যাবে, প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য ছিল শূন্য দারিদ্র্যতা। দারিদ্র্যের শৃঙ্খল থেকে মানুষের মুক্তি। আজ যে বাংলাদেশের গ্রামে গ্রামে বদলে যাওয়ার গল্প, সেই গল্পের স্রষ্টা আসলে ড. ইউনূস। দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য তথ্যপ্রযুক্তির প্রয়োজনীয়তা ড. ইউনূসই প্রথম অনুধাবন করেন। এজন্য তিনি তৈরি করেছিলেন গ্রামীণ টেলিকম, যেখানে গ্রামের নারীরা প্রায় বিনা খরচে তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে এবং টেলিফোন ব্যবহার করে তাদের যেমন অর্থনৈতিক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করবেন, তাদের কাজগুলোকে সহজে এগিয়ে নিতে শুরু করেন। গ্রামীণ টেলিকমের সঙ্গে পরবর্তীতে নরওয়ের টেলিনর কোম্পানির চুক্তি স্বাক্ষর হয়। যাত্রা শুরু করে গ্রামীণফোন, যেটি বাংলাদেশে টেলিকম শিল্পে একটি বিপ্লব। গ্রামীণফোনের মাধ্যমেই বাংলাদেশে আসলে তথ্যপ্রযুক্তির নীরব বিপ্লব ঘটেছে এবং যে বিপ্লবের নেপথ্য নায়ক হলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। গ্রামীণফোন না হলে আজকে সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা তৃণমূলের উদ্যোক্তা এবং বিশেষ করে নারীর কর্মসংস্থানের যে বিস্তৃতি ঘটেছে সেটি সম্ভব হতো না। ড. মুহাম্মদ ইউনূস চিন্তা করেছিলেন যে দারিদ্র্য থেকে গ্রামীণ জনপদকে মুক্ত করার একটি বড় উপায় হলো গ্রামের দরিদ্র মানুষের জন্য শিক্ষার ব্যবস্থা করা। এ কারণে তিনি গ্রামীণ শিক্ষা প্রকল্প তৈরি করেছিলেন। গ্রামীণ ব্যাংকের কাজের মাধ্যমে ড. ইউনূস আবিষ্কার করেন যে, গ্রামীণ জনপদের মানুষের পোশাকশিল্পের কাজে তাদের একটা সহজাত দক্ষতা রয়েছে। এ দক্ষতাকে কাজে লাগানোর জন্য গঠিত হয় গ্রামীণ নিটওয়্যার লিমিটেড। গ্রামীণ মানুষের হাতের কাজের সহজাত দক্ষতাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়ে তৈরি হয় গ্রামীণ সামগ্রী। প্রত্যন্ত অঞ্চলের গরিব মানুষের তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার এবং তথ্যপ্রযুক্তি-নির্ভর উদ্যোগে সহায়তার জন্য তিনি গ্রামীণ আইটি পার্ক তৈরি করেন। তিনি একটা জিনিস বুঝতে পেরেছিলেন যে, পুষ্টি এবং স্বাস্থ্য নিশ্চিত না হলে তখন ওই গ্রামের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন হবে না। এজন্যই তিনি গ্রামের শিশুদের নিরাপদ এবং মানসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করার জন্য গ্রামীণ ডানোন ফুডস প্রকল্প হাতে নেন। গ্রামীণ হেলথ সার্ভিসের মাধ্যমে তিনি গ্রামীণ জনপদের মানুষের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিশ্চিত করার এক অভূতপূর্ব মহতী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলেন। আর গ্রামীণ ব্যাংকের সদস্যের সন্তানরা যেন উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়, আগামী দিনে নেতৃত্ব গ্রহণ করতে পারে সেজন্যই গ্রামীণ স্টার এডুকেশন প্রকল্প কাজ করে চলেছে নীরবে। গ্রামীণ কৃষিতে বিপ্লব আনার জন্য তিনি প্রতিষ্ঠা করেন গ্রামীণ কৃষি ফাউন্ডেশন। বাংলাদেশে কৃষি এবং লাইভস্টক খাতে নীরবে কাজ করছে এ প্রতিষ্ঠানটি। গ্রামীণ ব্যবসা সেবা লিমিটেড, গ্রামীণ বাইটেক লিমিটেড, গ্রামীণ সাইবারনেট লিমিটেড, গ্রামীণ নিটওয়্যার লিমিটেড, গ্রামীণ ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড, গ্রামীণ সল্যুশনস লিমিটেড, গ্রামীণ আইটি পার্ক লিমিটেড, টিউলিপ ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেড, গ্লোব কিডস ডিজিটাল লিমিটেড, গ্রামীণ ইনফরমেশন হাইওয়ে লিমিটেড, গ্রামীণ স্টার এডুকেশন লিমিটেড, রফিক অটোভ্যান ম্যানুফ্যাকচারিং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, গ্রামীণ উদ্যোগ, গ্রামীণ শিক্ষা ও গ্রামীণ সামগ্রী ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ বাংলাদেশের দরিদ্র মানুষকে দেখিয়েছেন মুক্তির পথ। এসব প্রতিষ্ঠানের পথ ধরে এগিয়ে এসেছে আরও বহু বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। বদলে গেছে বাংলাদেশের দৃশ্যপট। এসব উদ্যোগের কারণেই আত্মকর্মসংস্থানে ভরপুর আজ গ্রামীণ জনপদ। দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধে এক অসাধারণ উদাহরণ আজ বাংলাদেশ। আর এ যুদ্ধের বিজয়ী অধিনায়কের নাম ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এক নিভৃতচারী স্বপ্নদ্রষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

আমরা যদি এ প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম একটু গভীরভাবে বিশ্লেষণ করি, তাহলে দেখা যাবে যে, এর মাধ্যমে ড. মুহাম্মদ ইউনূস একদিকে যেমন দারিদ্র্য বিমোচন করেছেন, অন্যদিকে তিনি গ্রামীণ জনপদের মানুষকে নানারকম কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত করেছেন। তাদের যুক্ত করেছেন পরিবর্তিত বিশ্বের অগ্রগতির সঙ্গে। পাশাপাশি তিনি তরুণ এবং নারীদের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য কাজের ব্যবস্থা করেছেন এসব প্রকল্পের মাধ্যমে। গ্রামের তরুণরা নিজেরাই উদ্যোক্তা হবেন, তারা চাকরি দেবেন এবং মুনাফার টাকা দিয়ে বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগ গ্রহণ করবেন, মানবকল্যাণ করবেন। এরকম একটি ধারণা থেকেই এসব প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। তিনি একদিকে যেমন কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে আনার জন্য গ্রামীণ শক্তির মতো প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন, তেমনি গ্রামীণ মানুষের অন্ন, বস্ত্র, চিকিৎসা, বাসস্থানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছেন। আজকে ৪৯ বছর পর এসে যখন জোবরা গ্রামে ইউনূসের এই ক্ষুদ্রঋণের গবেষণার কথা আমরা স্মরণ করি, তখন আমরা দেখব যে, এ ৪৯ বছরে বাংলাদেশে কী বিপুল পরিবর্তন হয়েছে। বদলে যাওয়া এ বাংলাদেশের আসল কারিগর হলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি এমন একজন ব্যক্তি, যিনি গ্রামীণ জনপদের দরিদ্র মানুষের ভাগ্য পাল্টে দিয়েছেন। গ্রামীণ জনপদের যে দরিদ্র, হতদরিদ্র, নিঃস্ব, দুর্ভিক্ষের চেহারা সেটি বদলে দিয়ে তিনি এক সম্ভাবনাময় বাংলাদেশের বিকাশ ঘটিয়েছেন। আর এ কারণেই তিনি গ্রামীণ জনগণের একমাত্র বন্ধু। গরিবের বন্ধু। দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধে তিনিই সেনাপতি। আর যুদ্ধকে তিনি শুধু দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখেননি, বিশ্বের ৬৪টি দেশ এখন গ্রামীণ ব্যাংকের ধারণাকে গ্রহণ করেছে এবং গ্রামীণ ব্যাংকের এ ধারণা থেকেই আস্তে আস্তে গড়ে উঠেছে সামাজিক ব্যবসার তত্ত্ব। যে তত্ত্বের মাধ্যমে বিশ্বের অর্থনীতিতে এক বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। এ পরিবর্তনের মূল কারিগর হলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

এই বিভাগের আরও খবর
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
সর্বশেষ খবর
মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিরোধী মিছিল ও প্রতিবাদ সভা

৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন
ঐশ্বরিয়া আমার মেয়ে নয়, কেবল ছেলের বউ : জয়া বচ্চন

১০ মিনিট আগে | শোবিজ

বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

২০ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক
মাদকসহ এয়ারপোর্টে আটক কানাডার অধিনায়ক

২২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীতে মাছ ব্যবসায়ীকে হত্যার পর গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঈদের ছুটিতেও
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান
ঈদের ছুটিতেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা প্রদান

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’
‘প্রয়োজনে জোটগতভাবে নির্বাচন করবে এনসিপি’

২৫ মিনিট আগে | রাজনীতি

ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা
ট্রাম্পের শুল্ক বৃদ্ধিতে আইফোনের দাম হতে পারে ৩ লাখ টাকা

২৭ মিনিট আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি
খোলপেটুয়া নদীর ভেঙে যাওয়া বাঁধ মেরামত, এলাকায় স্বস্তি

৩৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার
পর্দায় নয়, এবার সত্যিই বিয়ে করলেন শামীম হাসান সরকার

৪৯ মিনিট আগে | শোবিজ

নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ
নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশের ঐতিহ্য উদযাপনী’ সমাবেশ

৫১ মিনিট আগে | পরবাস

ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

৫৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি
বগুড়ার কথিত মিনি জাফলং: স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীর প্রাণহানি

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত
গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতাসহ ৪ জনকে পিটিয়ে আহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল
ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক আশার আলো তৈরি করেছে: মির্জা ফখরুল

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত
তিন বন্ধু মোটরসাইকেলে ঘুরতে গিয়ে দুর্ঘটনা, একজন নিহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'
'জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে জনগণ জামায়াতের প্রার্থীকে বিজয়ী করবে'

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ে বন্ধ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

তুরস্ক–গ্রিস উপকূলে পৃথক নৌকাডুবিতে ১৬ জনের প্রাণহানি
তুরস্ক–গ্রিস উপকূলে পৃথক নৌকাডুবিতে ১৬ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুর্নীতি দমনে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড চুক্তি স্বাক্ষর
দুর্নীতি দমনে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড চুক্তি স্বাক্ষর

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার
রড ও কাঠ দিয়ে স্ত্রীকে বেধড়ক মারধর, স্বামী গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার
গাইবান্ধায় ইয়াবাসহ একজন গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩
বাগেরহাটে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু
দিনাজপুর জিলা স্কুল এক্স-স্টুডেন্ট সোসাইটির যাত্রা শুরু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান
যমুনার চরাঞ্চলে আগুনে পুড়ল ৩ দোকান

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস
ইউনূসের সঙ্গে মোদির বৈঠক প্রয়োজন ছিল: মির্জা আব্বাস

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র
ঈদের ছুটিতেও সেবা দিল বগুড়ার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
নরেন্দ্র মোদিকে যে উপহার দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া
ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদির বৈঠক

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার
প্রথম দফায় ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা
ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা
সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরল গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ শিশু মুসা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩
খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩

৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি
‘ডাবল সেঞ্চুরিতে’ নারাইনের দারুণ কীর্তি

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে
ড. ইউনূস-মোদির ৪০ মিনিটের বৈঠক, আলাপ হলো কী নিয়ে

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ বিমসটেকের পরবর্তী চেয়ারম্যান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব
ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক নিয়ে যা জানালেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ
প্রতিশোধ নিল চীন, মার্কিন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৩৪% শুল্ক আরোপ

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী
অভ্যুত্থানের সময় গ্রেফতার, সৌদিতে জেল খেটে দেশে ফিরলেন ১০ প্রবাসী

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব
ইউনূস-মোদি বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে: প্রেস সচিব

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস
ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস

১১ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী
স্ত্রীর উপর রাগ করে নিজ বাড়িতে আগুন দিলেন স্বামী

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে
শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’
‘যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার’

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা
আসিয়ান সদস্যপদের জন্য থাইল্যান্ডের সমর্থন চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৪ এপ্রিল)

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল
শনিবার ঢাকায় আসছে আইএমএফের প্রতিনিধি দল

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস
৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত এনসিপি: সারজিস

৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর
পছন্দ না হওয়ায় ভাড়াটিয়া খুনি দিয়ে হবু বরকে হত্যাচেষ্টা তরুণীর

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য
মিঠামইনে কৃষকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রহস্য

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে থাই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে থাই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে
দীর্ঘ ১৫ বছর পর বঞ্চিত কমিউনিটি নেতারা দাওয়াত পেলেন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে

৫ ঘণ্টা আগে | পরবাস

দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী
দুই দিন ধরে তুর্কি বিমানবন্দরে আটকা ২৫০ যাত্রী

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া
আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন
ইউনূসের বক্তব্যে জয়শঙ্কর যা বললেন

প্রথম পৃষ্ঠা

মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে
মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে

প্রথম পৃষ্ঠা

মহাবিপদে রপ্তানি খাত
মহাবিপদে রপ্তানি খাত

প্রথম পৃষ্ঠা

আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন
আমানতের সুরক্ষা দিতে বাতিল হচ্ছে শেখ হাসিনার আইন

পেছনের পৃষ্ঠা

সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি
সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জে এনসিপি

প্রথম পৃষ্ঠা

নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ
নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ

প্রথম পৃষ্ঠা

পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা
পাঁচজনকে হারিয়ে শোকে দিশাহারা স্বজনরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে
শতকোটি টাকার বাণিজ্য বগুড়ার দই-মিষ্টিতে

পেছনের পৃষ্ঠা

যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল
যেভাবে বদলে যাচ্ছে ফুটবল

মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে
যুক্তরাষ্ট্রকে বড় মূল্য দিতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান
তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান

প্রথম পৃষ্ঠা

বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়
বিচার বানচালে মোটা অঙ্কের অর্থ ব্যয়

প্রথম পৃষ্ঠা

পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা
পরিচয় মিলেছে নিহত ১০ জনের একজন সমন্বয়ক তানিফা

নগর জীবন

ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও
ট্রাম্পের ট্যারিফ নীতিতে বিপাকে মার্কিন জনগণও

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনী নিয়ে জামায়াতের নিন্দা

প্রথম পৃষ্ঠা

সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক
সিয়ামে কেন কাঁদছে দর্শক

শোবিজ

নেতারা সবাই গ্রামে
নেতারা সবাই গ্রামে

প্রথম পৃষ্ঠা

সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার
সজল-ফারিয়ার কন্যার জয়জয়কার

শোবিজ

এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ
এই সময়ের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

সম্পাদকীয়

ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত
ময়মনসিংহের যুবক ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত

পেছনের পৃষ্ঠা

হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী
হারিয়েছে ৭ ধুঁকছে ১১ নদী

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রশিক্ষক মিলা
প্রশিক্ষক মিলা

শোবিজ

ব্যাংকক বৈঠকে নজর
ব্যাংকক বৈঠকে নজর

প্রথম পৃষ্ঠা

কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা
কেন নামল শাকিবের অন্তরাত্মা

শোবিজ

পাল্টা শুল্কের ভাবনা
পাল্টা শুল্কের ভাবনা

প্রথম পৃষ্ঠা

রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা
রাজধানীতে ফিরছেন কর্মজীবীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য
শাওয়াল মাসের ছয় রোজার পুণ্য

সম্পাদকীয়

বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়
বিশ্ববাণিজ্যে নতুন মোড়

প্রথম পৃষ্ঠা