সীমান্ত নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের পরস্পরের সম্মতির ভিত্তিতে হওয়া বিদ্যমান সব চুক্তির প্রতি সম্মান দেখানো হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল। গতকাল নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, আমরা আশা করি, পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে হওয়া সব চুক্তির প্রতি সম্মান দেখানো হবে। ভারত ও বাংলাদেশ এবং বস্তুত দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে কাঠামোগত সম্পর্কের ভিত্তিতে এসব চুক্তি হয়েছে। রণধীর জয়সোয়াল আরও বলেন, এসব চুক্তি ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্তে উভয়ের জন্য সুবিধাজনক নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও অবকাঠামো তৈরির সুযোগ এনে দিয়েছে। তাই আমরা আশা করি, সব চুক্তির প্রতি সম্মান জানানো হবে।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) মহাপরিচালক পর্যায়ের সম্মেলন সামনে রেখে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র দেশটির এ অবস্থান তুলে ধরলেন। ১৭ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি নয়াদিল্লিতে ৫৫তম বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। ভারতের সঙ্গে চারটি চুক্তি হওয়ার কথা উল্লেখ করে গত বুধবার বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, ২০১০ সালে যে চুক্তিটি হয়েছে, সেটির ভিতরে বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছে। চুক্তিটি কিছুটা অসম। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার এ বক্তব্যের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করলে রণধীর জয়সোয়াল সাংবাদিকদের বলেন, দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মহাপরিচালক পর্যায়ের সম্মেলনে সীমান্ত সম্পর্কিত সব বিষয় নিয়ে আলোচনার প্রস্তাব করা হয়েছে।