শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

আইয়ুব খানের মোনায়েম ও কাউয়া কাহিনি

সুমন পালিত
প্রিন্ট ভার্সন
আইয়ুব খানের মোনায়েম ও কাউয়া কাহিনি

আমার মতো সত্তরের ওপর যাঁদের বয়স, মোনায়েম খানের নামটি তাঁদের মনে থাকার কথা। ষাটের দশকে তিনি ছিলেন পূর্ব পাকিস্তানের ডাকসাইটে গভর্নর। আইয়ুব খানের একান্ত বশংবদ অনুচর। কথায় কথায় বলতেন ‘আমার প্রেসিডেন্ট’। আইয়ুব খান দিনকে রাত বললে মোনায়েম খানও নাকি রাত ভাবা শুরু করতেন। এমনই মোসাহেব ছিলেন তিনি, নিজ দল মুসলিম লীগের অনেক নেতাও ছিলেন তাঁর ওপর বিরক্ত।

পাকিস্তানের সামরিক শাসনামলে স্বঘোষিত ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খানের এই বশংবদ অনুচর সম্পর্কে অনেক চুটকি প্রচলিত ছিল। বিশেষত আইয়ুবের স্বৈরাচারী শাসনের প্রতিবাদ করতে গিয়ে যেসব বাঙালি বন্দি ছিলেন, তাঁরা জেলখানায় বসে মোনায়েমের মোসাহেবি নিয়ে খোশগল্পে সময় কাটাতেন। এ প্রসঙ্গে মনে পড়ছে, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার অন্যতম প্রধান আসামি লে. কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেনের কাছ থেকে শোনা চুটকি। চুটকিটি পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর নিয়োগসংক্রান্ত। সেই কিশোর বয়সে শোনা গল্পটি হুবহু মনে আছে কি না, জানি না। তবে ভাষার রদবদল হলেও তার মূলটি ছিল এরকম।

মশরেকি পাকিস্তানের গভর্নর নিয়োগের জন্য জেনারেল আইয়ুব খান ইন্টারভিউ নিচ্ছেন। ইন্টারভিউ দিতে এসেছেন চট্টগ্রামের ডাকসাইটে মুসলিম লীগ নেতা ফজলুল কাদের চৌধুরী, খুলনার খান এ সবুর খান এবং ময়মনসিংহের বটতলার উকিল মোনায়েম খান। প্রথমেই ইন্টারভিউর জন্য ডাকা হলো খান এ সবুর খানকে। আইয়ুব শরাবের পেয়ালা মুখ থেকে নামিয়ে নেশা ঢুলু ঢুলু চোখে বললেন, ‘সবুর তুম পারনে সাকে গা?’ খান এ সবুর খান বাহাদুরের মতো বলে উঠলেন, ‘হুজুর জরুর পারে গা! হ্যাম খুলনাকো জ্যায়সে মডার্ন সিটি বানাইয়া ওই সে মশরেকি পাকিস্তান কো মডার্ন বানায় গা।’ আইয়ুব সঙ্গে সঙ্গে বলে উঠলেন, ‘নেহি তোম সাকে গা নেহি।’ গেটআউট বলে তাঁকে চলে যেতে বললেন। খান এ সবুর হতাশ হয়ে ঢুলতে ঢুলতে বের হলেন ইন্টারভিউ রুম থেকে। এবার ডাকা হলো ফজলুল কাদের চৌধুরীকে। হামবড়া হিসেবে তাঁর ‘দুর্নাম’ ছিল। বলা হতো চট্টগ্রামের বাঘ নামে পরিচিত এ নেতাটি প্রেসিডেন্টকেও খুব একটা তোয়াক্কা করতেন না। আইয়ুবের সন্দেহ ছিল ফজলুল কাদের চৌধুরী হয়তো নিজেকে প্রেসিডেন্টের চেয়েও বড় মনে করেন।

যা হোক ফজলুল কাদের চৌধুরী সামনে আসতেই শরাবে চুর  আইয়ুব তাঁকেও একই প্রশ্ন করলেন। বললেন, ‘ফ.কা.চৌ. তুম পারনে সাকে গা?’ কোনো রকম দ্বিধা না করে ফজলুল কাদের চৌধুরী জবাব দেন, ‘সদর সাব আপ কিয়া বোলতা হ্যায়। হাম আপসে জ্যায়দা সাকেঙ্গে।’ অর্থাৎ প্রেসিডেন্ট তুমি বলছো কী, আমি তোমার চেয়েও ভালো পারব। আইয়ুব খান ফজলুল কাদের চৌধুরীর এই হামবড়া মনোভাবকে ‘অযোগ্যতা’ বলেই ভাবলেন। বললেন, ‘নেহি তোম সাকেঙ্গে নেহি, হট যাও’ বলে তাঁকেও যেতে বললেন। ইশারা দিলেন এবার মোনায়েম খানকে ডাকতে। চাপরাশি মোনায়েম খানের নাম হাঁকতেই করজোড় করে তিনি প্রবেশ করলেন ইন্টারভিউ কক্ষে। সুবোধ বালকের মতো দৃষ্টি অবনত করে ঠায় দাঁড়িয়ে রইলেন প্রভুর সামনে। খান এ সবুর খান ও ফজলুল কাদের চৌধুরীর ইন্টারভিউ নিতে গিয়ে ইতোমধ্যে স্বঘোষিত ফিল্ড মার্শাল বেশ কিছুটা বোর ফিল করছেন। তিনি ধমকের সুরে বললেন, ‘মোনায়েম তুম পারনে সাকে গা?’ প্রভুর দিকে মুখ না তুলেই তিনি জবাব দিলেন, ‘সদরজি, আপ কা কিয়া মালুম।’ আইয়ুব ধমক দিয়ে বলে উঠলেন, ‘তোম সাকেঙ্গে নেহি।’ মোনায়েম জবাব দিলেন, ‘আপ ঠিক বোলা, হাম সাকেঙ্গে নেহি।’

আইয়ুব এবার বললেন, ‘আপসে ইয়ে কাম হোনা ভি সাকতা।’ সঙ্গে সঙ্গে মোনায়েমের জবাব, ‘জি হুজুর হোনা ভি সাকতা।’ আইয়ুব তাঁর এই হ্যাঁ-হুজুর মনোভাবে এতটাই খুশি হলেন যে সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর নিয়োগ করলেন। প্রভুর প্রতি মোনায়েমের আনুগত্য নিয়ে সে সময় অনেক চুটকি প্রচলিত ছিল। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আরেক অভিযুক্ত সুবেদার আবদুর রাজ্জাকের কাছে শোনা। প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান এসেছেন মশরেকি মলুক সফরে। তেজগাঁও বিমানবন্দরে ভোর থেকেই উপস্থিত গভর্নর মোনায়েম খান। প্রেসিডেন্টের বিমান ল্যান্ড করল বেলা ১১টা নাগাদ। বিমান থেকে নেমেই আইয়ুব খান কোলাকুলি করলেন মোনায়েম খানের সঙ্গে। কোলাকুলির সময় তাঁর মনে হলো, গভর্নরের বুকটা অমন শক্ত লাগছে কেন? সন্দেহ নিরসনে তিনি সামরিক সচিবকে বললেন, গভর্নরের দেহ তল্লাশি করতে। যেমন কথা তেমন কাজ। মোনায়েম খানের দেহ তল্লাশি করতেই বুকের মধ্যে পাওয়া গেল ‘ফ্রেন্ডস নট মাস্টার্স’-এর একটি কপি। আইয়ুব খানের লেখা যে বইটি তাঁর চামচাদের কাছে ছিল পবিত্র গ্রন্থের মতো।

মোনায়েম খান চামচাগিরির জন্য ছিলেন সমালোচিত। আইয়ুব খানকে তুষ্ট করতে তিনি আপন জাতির বিরুদ্ধে দাঁড়াতে কসুর করেননি। মোনায়েম এতটাই খয়ের খাঁ ছিলেন যে, খোদ মুসলিম লীগেও তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষোভ ছিল। বিশেষত ফজলুল কাদের চৌধুরী, খান এ সবুর খান, কাজী কাদের প্রমুখ ব্যক্তি ছিলেন মোনায়েমের ঘোর বিরোধী। ষাটের দশকে মোনায়েম খান মোসাহেব বুদ্ধিজীবীদের দিয়ে রবীন্দ্রবিরোধী মাতম তোলেন। বেতারে রবীন্দ্রসংগীত নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন তিনি। তাঁর এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে শিল্পী-সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবীরা প্রতিবাদী হয়ে ওঠেন। এ সময়ে মোনায়েম খান নাকি তাঁর চামচা এক বুদ্ধিজীবীকে তাগিদ দেন রবীন্দ্রসংগীত রচনার জন্য।

বেতার-টেলিভিশনে রবীন্দ্রসংগীত বন্ধের বিরুদ্ধে আন্দোলনে ঢাকা প্রেস ক্লাব বিশিষ্ট ভূমিকা পালন করে। সে সময় প্রেস ক্লাবে পাকিস্তান সরকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সাংবাদিক-বুদ্ধিজীবীদের কিশোর বয়সেএক প্রতিবাদ সভা হয়। এই প্রতিবাদ সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ আল্লামা আবুল হাশিম। সভাপতির ভাষণে আবুল হাশিম একটি মজার কাহিনি বলেন। গভর্নর মোনায়েম খান এবং পাকিস্তানের তৎকালীন তথ্যমন্ত্রী খাজা শাহাবুদ্দিনকে বিদ্রুপ করাই ছিল ওই কাহিনির উদ্দেশ্য। কাহিনিটি হলো, ‘কলকাতার নিউ থিয়েটার্সে শাহাজান নাটকে আলমগীরের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতেন প্রখ্যাত নট শিশির ভাদুড়ি। মঞ্চে গিয়ে তিনি বলতেন, ‘মুরাদ- আমার সামনে থেকে দূর হয়ে যাও? তোমার মুখে সুরার গন্ধ।’ দৃশ্য শেষে শিশির ভাদুড়ি গ্রিন রুমে এসে হুকুম দিতেন, ‘বেয়ারা শারাব লও। আসলে এরা সবাই আলমগীররূপী শিশির ভাদুড়ি।’

প্রেসিডেন্ট আইয়ুব ও তাঁর ঠুঁটো জগন্নাথ গভর্নর মোনায়েমের আমলে বাক্স্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার কণ্ঠ রোধ করা হয়। যে কারণে সাংবাদিকরা আইয়ুব-মোনায়েমের বিরুদ্ধে চুটকি রচনা করে মনের ক্ষোভ মেটানোর চেষ্টা করতেন। স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে সাংবাদিকরা অনেক ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকাও পালন করেন। সাংবাদিকদের সরকারবিরোধী আন্দোলনে একবার প্রেস ক্লাব থেকে মিছিল বের করা হলে তাতে নেতৃত্ব দেন অধুনালুপ্ত ‘আজাদ’-এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক অশীতিপর বৃদ্ধ মওলানা আকরম খাঁ। তাঁর পক্ষে হেঁটে চলা সম্ভব ছিল না বলে তিনি মিছিলের অগ্রভাবে রিকশায় বসে নেতৃত্ব দেন।

কথায় বলে যারে দেখতে নারি তার চলন বাঁকা। মোনায়েম খান মোসাহেবির জন্য অনেকের কাছে এতটাই অপ্রিয় ছিলেন যে তাঁর সাধারণ জ্ঞান ও বোধশক্তি নিয়েও প্রশ্ন তোলা হতো। গভর্নর গেছেন তাঁর নিজ জেলা ময়মনসিংহ সফরে। জেলা প্রশাসকের বাসভবনে দাওয়াত ছিল ‘ছোট লাট’-এর। লাঞ্চ খেতে খেতে হঠাৎ তাঁর দৃষ্টি গেল দেয়ালের দিকে। সেখানে টাঙানো ছিল স্যার জন স্টুয়ার্ট মিলের ছবি। মোনায়েম ডিসিকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘হেই ছবিটা কার?’ ডিসি জবাব দিলেন, ‘স্যার জন স্টুয়ার্ট মিলের।’ গভর্নর বুঝতে না পেরে আবারও বললেন, ‘কী কইল্যা কার ছবি?’ ডিসি এবার সংক্ষিপ্তভাবে জবাব দিলেন, ‘স্যার ওটা মিল-এর ছবি।’ মোনায়েম ব্যঙ্গস্বরে পাশে বসা তাঁর সামরিক সচিবকে বললেন, ‘দেখছ মিয়া আমি বলছি হেই মানুষটা কেডা আর কয় কিনা মিলের ছবি।’

মোনায়েম খানের আমলে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় চলেছে রবীন্দ্রবিরোধী প্রচারণা। একজন সাংবাদিক ওই সময় গেলেন জ্ঞানতাপস ভাষাবিজ্ঞানী ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্র কাছে। উদ্দেশ্য বাংলা ভাষার এই দিকপালের কাছ থেকে রবীন্দ্রবিরোধী সার্টিফিকেট আদায় করা। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সাংবাদিকদের আবদারের কথা শুনলেন। কোনো কথা না বলেই তিনি তাঁদের কাছ থেকে নেওয়া সেদিনের বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায় চোখ বুলাচ্ছিলেন। ঘটনাক্রমে সেদিন প্রতিটি দৈনিকে ছাপা হয়েছিল বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতায় বিজয়ী সে বছরের শ্রেষ্ঠ সুন্দরীর ছবি।

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ উপস্থিত সাংবাদিকদের বললেন, ‘বাছারা এটা কি বিশ্বসুন্দরীর ছবি?’ সবাই জবাব দিলেন, ‘হ্যাঁ।’ তিনি জিজ্ঞেস করলেন, ‘এই সুন্দরী মেয়েটির দেহে নাক ছোঁয়ালে এমন কোনো জায়গা কি পাওয়া যাবে, যেখানে দুর্গন্ধ মিলবে।’ সাংবাদিকরা সোৎসাহে জবাব দিলেন, ‘হ্যাঁ।’ ড. শহীদুল্লাহ্ এবার বললেন, ‘তা বাছারা এই বিশ্বসুন্দরীর বিশ্বজনীন সৌন্দর্য উপভোগ না দুর্গন্ধযুক্ত জায়গায় নাক ছোঁয়াচ্ছ কেন?’

পাদটীকা : ‘কাউয়া’ শব্দটি বাংলা ভাষার একটি আঞ্চলিক শব্দ। উইকিপিডিয়া অনুসারে শব্দটিকে রাজনৈতিক গালি হিসেবে ধরা হয়। আওয়ামী লীগের গুণধর সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন সিলেটের এক জনসভায়। দলে অনুপ্রবেশকারী ধুরন্ধরদের তিনি অভিহিত করেন কাউয়া নামে। সাধারণ মানুষ লুফে নেয় কাউয়া শব্দটি এবং বুমেরাং হয়ে তা ব্যবহৃত হয় ওবায়দুল কাদেরের ওপরেই। ‘কাউয়া কাদের’ হিসেবেই তিনি পরিচিতি লাভ করেন রাজনৈতিক অঙ্গনে। সামাজিক প্রচারমাধ্যমের কল্যাণে কাউয়া শব্দটি ওবায়দুল কাদেরের ট্রেডমার্কে পরিণত হয়। 

সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মতো একজন সজ্জন ব্যক্তিকে সরিয়ে ২০১৬ সালে আওয়ামী লীগ কাউন্সিলে বেছে নেওয়া হয় ওবায়দুল কাদেরকে। ২০১৯ সালে তাঁর রক্তনালিতে তিনটি ব্লক ধরা পড়ে। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাঁকে নেওয়া হয় সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে। আড়াই মাস চিকিৎসার পর দেশে ফিরে এলেও বলনে-কথনে ভারসাম্যহীনতা দেখা দেয় ওবায়দুল কাদেরের মধ্যে। কিন্তু নেত্রীর প্রিয়ভাজন হওয়ায় তাঁকে শুধু আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকই নয় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর মতো লোভনীয় পদেও বহাল রাখা হয় অজ্ঞাত কারণে। বলা হয় নেত্রীকে তোষণ ও চামচাগিরির দিক থেকে ওবায়দুল কাদের ছিলেন মোনায়েমের চেয়েও এগিয়ে।

লেখক : সিনিয়র সহকারী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

ইমেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
ভূমিকম্পের ঝুঁকি
স্বস্তিদায়ক ঈদ
স্বস্তিদায়ক ঈদ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
কারাগারে বন্দিদের ঈদ আনন্দ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
বিচারপতি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক
ঢাকা-বেইজিং সম্পর্ক
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পবিত্র ঈদুল ফিতর
ঈদুল ফিতরে করণীয়
ঈদুল ফিতরে করণীয়
সত্যিকার ঈদ আসুক জীবনে
সত্যিকার ঈদ আসুক জীবনে
রোহিঙ্গাদের আগামী ঈদ প্রসঙ্গ
রোহিঙ্গাদের আগামী ঈদ প্রসঙ্গ
বিএনপি-জামায়াত কি ভুল পথে হাঁটছে
বিএনপি-জামায়াত কি ভুল পথে হাঁটছে
সর্বশেষ খবর
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপ পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ

৩ মিনিট আগে | জাতীয়

মার্চে ইন্টারনেটে ২৯৮ অপতথ্য ছড়িয়েছে: রিউমর স্ক্যানার
মার্চে ইন্টারনেটে ২৯৮ অপতথ্য ছড়িয়েছে: রিউমর স্ক্যানার

১১ মিনিট আগে | জাতীয়

গাজার ‘বিস্তীর্ণ এলাকা’ দখলে নিতে চায় ইসরায়েল
গাজার ‘বিস্তীর্ণ এলাকা’ দখলে নিতে চায় ইসরায়েল

১৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে দুর্ঘটনায় নিহত ২
যশোর-বেনাপোল মহাসড়কে দুর্ঘটনায় নিহত ২

৩১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা
ঈদ আনন্দ মিছিলে মূর্তি প্রদর্শনীতে জামায়াত সেক্রেটারির নিন্দা

৩৩ মিনিট আগে | রাজনীতি

বাড়তে পারে ঢাকার তাপমাত্রা
বাড়তে পারে ঢাকার তাপমাত্রা

৩৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

৩৮ মিনিট আগে | জাতীয়

বগুড়ায় স্বাধীনতা কনসার্ট 'সবার আগে বাংলাদেশ'র ভেন্যু পরিদর্শন
বগুড়ায় স্বাধীনতা কনসার্ট 'সবার আগে বাংলাদেশ'র ভেন্যু পরিদর্শন

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের
পরমাণু চুক্তি না হলে ইরানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য, হুঁশিয়ারি ফ্রান্সের

৫২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা
ভারতের উচিত আগে মুসলিমদের সঙ্গে আচরণের প্রভাব স্বীকার করা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বায়ুদূষণে আজ ১৫তম ঢাকা
বায়ুদূষণে আজ ১৫তম ঢাকা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলি হামলায় আরও ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত
ইসরায়েলি হামলায় আরও ৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিকে মার্কিন উপ-নিরাপত্তা উপদেষ্টার ফোন

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প
শিগগিরই দায়িত্ব ছাড়ছেন ইলন মাস্ক, ঘনিষ্ঠদের বলেছেন ট্রাম্প

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ছেলের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে মায়ের মৃত্যু
ছেলের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে মায়ের মৃত্যু

২ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

বাড়তি ভাড়া আদায়, পরিবহনকে অর্ধলাখ টাকা জরিমানা
বাড়তি ভাড়া আদায়, পরিবহনকে অর্ধলাখ টাকা জরিমানা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতে আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ২১
ভারতে আতশবাজির কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ২১

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে আজ ব্যাংকক যাবেন প্রধান উপদেষ্টা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে আজ ব্যাংকক যাবেন প্রধান উপদেষ্টা

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি কমলো ৪.৪১ শতাংশ
৮ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি কমলো ৪.৪১ শতাংশ

৭ ঘণ্টা আগে | বাণিজ্য

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

৮ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩ এপ্রিল)

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নিখোঁজ প্রতিবন্ধীর লাশ মিললো ডোবায়
নিখোঁজ প্রতিবন্ধীর লাশ মিললো ডোবায়

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টুঙ্গিপাড়ায় মাহেন্দ্র-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২
টুঙ্গিপাড়ায় মাহেন্দ্র-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জমি নিয়ে বিরোধে বোনের হাতে প্রাণ হারালো ভাই
জমি নিয়ে বিরোধে বোনের হাতে প্রাণ হারালো ভাই

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চাঁদপুরে দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার
চাঁদপুরে দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঈদের তৃতীয় দিনে দেড় লাখ দর্শনার্থীতে মুখর চিড়িয়াখানা
ঈদের তৃতীয় দিনে দেড় লাখ দর্শনার্থীতে মুখর চিড়িয়াখানা

১১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে তরুণ নিখোঁজ
মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে তরুণ নিখোঁজ

১২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে
নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে দুঃসংবাদ দিল ইতালি, যা রয়েছে নতুন আইনে

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের
উত্তেজনা বাড়িয়ে ভারত মহাসাগরে ৬টি বোমারু বিমান মোতায়েন যুক্তরাষ্ট্রের

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা
গুলশান-বনানীর সড়ক ব্যবহারে ট্রাফিকের নতুন নির্দেশনা

১৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন
ইসরায়েলবিরোধী পোস্ট করলেই বাতিল হতে পারে মার্কিন ভিসার আবেদন

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ
সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা
লোহিত সাগরে মার্কিন রণতরী লক্ষ্য করে হুথিদের একের পর এক হামলা

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা
হঠাৎ উত্তপ্ত সিলেট: আওয়ামী লীগের ৪ নেতার বাসায় হামলা

৭ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার
আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে ফেসবুকে ইসরায়েলি বসতির প্রচার

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা
গাজায় বিশাল এলাকা দখল করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্ত করার ঘোষণা

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু
মিয়ানমারের ভূমিকম্প: নামাজরত অবস্থায় ৫ শতাধিক মুসল্লির মৃত্যু

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে ন্যূনতম যে সংস্কার প্রয়োজন তা করতে হবে’
‘নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে ন্যূনতম যে সংস্কার প্রয়োজন তা করতে হবে’

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব
২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে নির্বাচন : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মধ্যপ্রাচ্যে আরও রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, বাড়ছে উত্তেজনা
মধ্যপ্রাচ্যে আরও রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, বাড়ছে উত্তেজনা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭% শুল্ক আরোপ

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন
সীমানা পেরিয়ে হামলা চালাল পাকিস্তানি সেনারা, ভারত বলছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!
১১ জনের খেলায় ১২ নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ১৩ রান করে বিশ্বরেকর্ড!

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?
এশিয়ার কোন দেশে কত শুল্ক আরোপ করলেন ট্রাম্প?

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস
শুক্রবার থেকে ঢাকাসহ যেসব বিভাগে বৃষ্টির আভাস

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা
ধোঁয়াশার কিছু নেই, ডিসেম্বর-জুনের মধ্যেই নির্বাচন হবে : তথ্য উপদেষ্টা

১৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব মানতে নারাজ রাশিয়া
ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মার্কিন প্রস্তাব মানতে নারাজ রাশিয়া

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র
হাঙ্গেরিতে গেলেই নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের আহ্বান এইচআরডব্লিউ’র

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের
কাশ্মীর সীমান্তে উত্তেজনা, ৫ পাকিস্তানি সেনা হত্যার দাবি ভারতের

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব
ব্যাংককে ড. ইউনূস-মোদি বৈঠক নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রসচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা
বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

চট্টগ্রামে ৬ মাসে বন্ধ ৫২ কারখানা, কাজের আদেশ কমেছে ২৫ শতাংশ
চট্টগ্রামে ৬ মাসে বন্ধ ৫২ কারখানা, কাজের আদেশ কমেছে ২৫ শতাংশ

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের
ট্রেনের ছাদে টিকটক করতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই যুবকের

১৪ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হাসপাতালে, আছেন নিবিড় পর্যবেক্ষণে
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হাসপাতালে, আছেন নিবিড় পর্যবেক্ষণে

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
চলতি সপ্তাহে রোহিঙ্গাদের জন্য ১৭ হাজার টন খাদ্য পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কালুরঘাটে রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ১৪ মে
কালুরঘাটে রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ১৪ মে

১৪ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

প্রিন্ট সর্বাধিক
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে
যদি থাকে নসিবে, আপনি আপনি আসিবে

সম্পাদকীয়

চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই
চোখের পলকে চুরি-ছিনতাই

পেছনের পৃষ্ঠা

সর্বত্র ভোটের আলোচনা
সর্বত্র ভোটের আলোচনা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া
সবাই মিলে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে : খালেদা জিয়া

প্রথম পৃষ্ঠা

উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়
উপচে পড়া ভিড় বিনোদন কেন্দ্র ও চিড়িয়াখানায়

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত
ঈদযাত্রায় প্রাণহানি অর্ধশত

প্রথম পৃষ্ঠা

ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড
ওয়ানডে সিরিজও জিতল নিউজিল্যান্ড

মাঠে ময়দানে

শাকিবের প্রশংসায় বুবলী
শাকিবের প্রশংসায় বুবলী

শোবিজ

৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের
৩২ শহীদ পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদ্‌যাপন জামায়াত আমিরের

প্রথম পৃষ্ঠা

ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল
ইউনূস-মোদি বৈঠক কাল

প্রথম পৃষ্ঠা

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই

সম্পাদকীয়

রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা
রংপুরে তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার আইনে মামলা

নগর জীবন

ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়
ভারতের ঘটনার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশে দেখা যায়

প্রথম পৃষ্ঠা

কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন
কেউ ঢাকায় ফিরছেন আবার কেউ ছাড়ছেন

পেছনের পৃষ্ঠা

গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে
গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো উঠছে টেবিলে

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে
বিএনপির নিয়ন্ত্রণ নেই স্থানীয় পর্যায়ে

প্রথম পৃষ্ঠা

চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা
চাঁদা না দেওয়ায় দুই ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব
মোংলায় হচ্ছে বাণিজ্য হাব

দেশগ্রাম

মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন
মোদির চিঠি শাহবাজের টেলিফোন

প্রথম পৃষ্ঠা

বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ
বেড়াতে নিয়ে রাতভর শিশু ধর্ষণ

দেশগ্রাম

দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪
দেশে নদনদীর সংখ্যা এখন ১২৯৪

পেছনের পৃষ্ঠা

ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ
ঈদ মিছিলে মূর্তিবাদী সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা
আবারও ডেঙ্গু বিস্তারের শঙ্কা

রকমারি নগর পরিক্রমা

তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন
তরুণ রাজনীতিবিদদের জন্য অনুকরণীয় একজন

প্রথম পৃষ্ঠা

ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট
ঈদের ছুটিতে হত্যা ভাঙচুর লুটপাট

পেছনের পৃষ্ঠা

নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন
নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সংস্কার প্রয়োজন

প্রথম পৃষ্ঠা

নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন
নেতানিয়াহু প্রবেশ করা মাত্র গ্রেপ্তার করুন

পূর্ব-পশ্চিম

দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার
দুর্ঘটনাপ্রবণ ১৫৯ কিলোমিটার

দেশগ্রাম

ঈদে প্রাণ ফিরেছে পর্যটনে
ঈদে প্রাণ ফিরেছে পর্যটনে

নগর জীবন