রাজধানীর মোহাম্মদপুরে সাঁড়াশি অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ৪৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপি। সোমবার সন্ধ্যা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ছাড়া অপারেশন ডেভিল হান্টে সাতজন এবং মধ্যরাতে আবারও বিশেষ অভিযানে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গতকাল এসব তথ্য নিশ্চিত করেন ডিএমপির ডিসি (মিডিয়া) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান। তিনি বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য ও বিভিন্ন দেশি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এদের মধ্যে রয়েছে চিহ্নিত মাদক কারবারি, পেশাদার সক্রিয় ছিনতাইকারী, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, চোর, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি এবং বিভিন্ন অপরাধে জড়িত।
৫ আগস্ট সরকার পতনের পর রাজধানীর মোহাম্মদপুর অশান্ত হয়ে ওঠে। চুরি, ছিনতাইসহ নানা অপরাধ বেড়ে যায়। পুলিশের পাশাপাশি যৌথ বাহিনীর অভিযানেও তাদের প্রতিরোধ করা যাচ্ছিল না। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই শনিবার দেশজুড়ে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ শুরু করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় মোহাম্মদপুরে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে চালানো হচ্ছে বিশেষ অভিযান।
গ্রেপ্তার ৪৮ জন হলেন মো. ইমরান হোসেন, মো. বিল্লাল হোসেন ওরফে বেলাল, মো. মনির, মো. রানা, মো. রাসেল, মো. সজল ওরফে সুজন, মো. মুন্না, মো. জুয়েল, মো. বিল্লাল, মো. রনি, মো. মাহাবুব, মো. আবদুল আজিজ ওরফে আইজ্জা ওরফে ইজ্জা, মো. লিটন ওরফে কালে, মো. বাদশা, মো. জনি হাসান, মো. ফয়সাল ওরফে এলেক্স ফয়সাল, মো. রাব্বি, মো. আরিফ হোসেন বিজয়, মো. আকাশ, মো. সাদ্দাম, মো. আমীন, সনু ওরফে নাঈম হোসেন, মো. আবু সাঈদ খান, আহম্মদ আলী, সুমন আহমেদ শুভ, মো. আসাদ, মো. ইকরামুল হক ইকরাম, মো. ইব্রাহিম ওরফে ইবু, মোসা. আনিশা, মোসা. রিমি আক্তার, মোসা. নাসিমা, মোসা. মমিনা খাতুন, মোসা. নিপা, মো. শরীফ হোসেন, মো. রকি, মো. শাকিল শেখ, মো. জোবায়ের ইসলাম, মো. তাজুল ইসলাম, মো. হোসেন, মো. আশরাফ উদ্দিন, মো. সোনা মিয়া, মো. রাসেল, মো. সুজন, মো. মোশারফ, পারভেজ, মো. রনি, মো. তুষার আহমেদ ও মো. আবদুস সালাম।