ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় গতকাল শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে পবিত্র রমজান মাস। এদিন রাতে প্রথম সেহরি খাওয়ার প্রস্তুতি নেন তারা। তবে ঠান্ডা আবহাওয়া ও বৃষ্টির কারণে ঠিকমতো সেহরি খেতে পারেননি গাজাবাসী।
বার্তা সংস্থা আনাদোলু শনিবার (১ মার্চ) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, রমজানের প্রথম রাতটি ছিল দুর্ভোগপূর্ণ। যখন সাধারণ মানুষ সেহরি খাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখনই বৃষ্টি বাধা দেয়। এতে তাদের অস্থায়ী তাঁবুতে পানি জমে যায়, ভিজে যায় ব্যক্তিগত জিনিসপত্র। বৃষ্টির পানি থেকে বাঁচতে তাঁবু থেকে বের হলেও, আশ্রয় নেওয়ার মতো কোনো জায়গা ছিল না। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের কষ্ট ছিল সীমাহীন।
যারা বিধ্বস্ত বাড়িঘরে ফিরে গেছেন, তারাও পড়েছেন দুর্ভোগে। ভাঙা দেয়াল ও ছাদের মধ্যে দিয়ে বৃষ্টির পানি ঢুকে তাদের রাত দুর্বিষহ করে তোলে।
দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে গত ১৯ জানুয়ারি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী, গাজায় কয়েক হাজার অস্থায়ী ঘর প্রবেশের কথা ছিল। কিন্তু ইসরায়েল প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করায়, সাধারণ মানুষ এখনো অস্থায়ী তাঁবুতে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন। যেগুলো হালকা বৃষ্টিতেই ডুবে গিয়ে তৈরি করছে দুর্ভোগ।
ওই যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যা সাময়িকভাবে বন্ধ হয়। তবে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ এখনো কাটেনি। তা সত্ত্বেও, নিজেদের যতটুকু সামর্থ্য আছে, সেটি দিয়েই পবিত্র এ মাসকে স্বাগত জানানোর চেষ্টা করছেন তারা। কিন্তু বৃষ্টির কারণে সমস্যায় পড়েছেন সেখানকার সাধারণ মানুষ। এছাড়া, ইসরায়েলের অবরোধের কারণে গাজাবাসী প্রয়োজনীয় খাবারও ঠিকমতো পাচ্ছেন না।
সূত্র: আনাদোলু
বিডি প্রতিদিন/আশিক