৩১ বছর ধরে চলা শাসনের সময়কালকে সোমবার আরো দীর্ঘায়িত করলেন বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো। নির্বাচনের ব্যালট পেপারে নাম ছিল আরো চার প্রার্থীর৷ কিন্তু তারা কেউই লুকাশেঙ্কোর ভোটে এতটুকু আঁচড়ও বসাতে পারেননি। প্রাথমিক গণনা বলছে, ৮৬.৮ শতাংশ ভোটই পেয়েছেন লুকাশেঙ্কো।
নির্বাচনে জয়ের পর সংবাদ সম্মেলন করেন লুকাশেঙ্কো। দীর্ঘ চার ঘণ্টা ধরে চলা ওই সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমি পশ্চিমা বিশ্বকে একটুও পাত্তা দিই না। পশ্চিমের সঙ্গে সম্পর্কে আমি সব সময় প্রস্তুত, কখনো অস্বীকার করিনি। কিন্তু আপনারা সেটা চান না। তো আমরা কী করবে? হাঁটু গেঁড়ে বসে থাকবে?’
লুকাশেঙ্কো ১৯৯৪ সাল থেকে প্রতিটি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছেন। যদিও নির্বাচনটি মুক্তভাবে আয়োজিত হয়নি বলে অভিযোগ ইউরোপের রাজনীতিকদের। সাথে বেলারুশে স্বতন্ত্র গণমাধ্যমকে নিষিদ্ধ করে রাখা ও রাজনৈতিক বিরোধীদের দেশ থেকে বের করে দেওয়া বা কারারুদ্ধ রাখার কারণেও নির্বাচনের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে ইউরোপের রাষ্ট্রগুলি। নির্বাচনটি পশ্চিমা সরকার ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দ্বারা ‘প্রহসন’ হিসেবেই প্রত্যাখ্যাত হয়ে আসছে।
তবে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন লুকাশেঙ্কোকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেছেন, নির্বাচনে আপনার বিজয় স্পষ্টভাবে আপনার উচ্চ রাজনৈতিক কর্তৃত্ব এবং বেলারুশের রাষ্ট্রনীতির প্রতি জনসাধারণের অব্যাহত সমর্থনের সাক্ষ্য দেয়।
বিডি প্রতিদিন/নাজিম