এবারের চ্যাম্পিয়নস ট্রফি আসর শুরু হবার অনেক আগে থেকেই সমালোচনার শেষ ছিল না। যার মধ্যে একেবারে শীর্ষে উঠে আসে ভারতের পাকিস্তান যেতে না চাওয়া প্রসঙ্গ। যদিও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আসর আয়োজক পাকিস্তান। অথচ, পাকিস্তান কিংবা অন্য কোথায় না গিয়ে একমাত্র দুবাইয়ে নিজেদের ম্যাচগুলো খেলছে ভারত।
বাকি দলগুলো যেখানে টানা সফরে ক্লান্ত সেখানে একই ভেন্যুতে ম্যাচের পর ম্যাচ খেলে যাচ্ছে রোহিত শর্মার দল। এখন অপেক্ষা রবিবার ফাইনালের। এমন পরিস্থিতিতে একটা বড় অংশের অভিযোগ, আইসিসির কাছ থেকে বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে ভারত। যে কারণে আসরে সাফল্য পাচ্ছে তারা। বিষয়টি নিয়ে নাসের হুসাইন, মাইক আথারটনদের মতো কিংবদন্তিদের থেকে শুরু করে এ যুগের রাসি ভ্যান ডার ডুসেন ও দ্বিতীয় সেমিফাইনালের পর তো ডেভিড মিলারও এক হাত নিয়েছেন ভারতকে।
তবে বাড়তি সুবিধার অভিযোগটি কোনোভাবেই মানতে নারাজ ভারতের ব্যাটিং কোচ সিতানশু কোটাক। কোচের ভাষ্যমতে, তিনি বুঝতেই পারছেন না তার দল কীভাবে বাড়তি সুবিধা পেল?
ফাইনালের আগে ভারতের বাড়তি সুবিধার বিষয়টি নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি তো বুঝতেই পারছি না, এখানে বাড়তি সুবিধার কী আছে এবং আমরা বাড়তি কোন সুবিধাটা পেলাম? বাড়তি সুবিধার কোনো ব্যাপার নেই এখানে। সূচি তো অনেক আগেই চূড়ান্ত হয়েছে। ভারত যখন টানা চারটি ম্যাচ জিতেছে, লোকে তখন বাড়তি সুবিধার কথা বলছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘টুর্নামেন্টের সূচি শুরু থেকেই এমন আছে। কিছুই বদলায়নি। আমরা ফাইনালে পৌঁছে গেছি বলেই লোকে যদি এমন বলা শুরু করে, তাহলে তো খুবই রুঢ় ব্যাপার। খেলাটা এভাবেই হয়, সূচি অনুযায়ী। বাড়তি সুবিধার কিছু নেই, ভালো খেলেই জিততে হয়।’
একই স্টেডিয়ামে সব ম্যাচ হলেও ভারত আলাদা আলাদা উইকেটে খেলেছে দাবি করে ব্যাটিং কোচ সিতানশু কোটাক বলেন, ‘জানি না কীভাবে এসবের জবাব দিতে হয়। দিনশেষে, ভালো ক্রিকেট খেলেই জিততে হয়। ভালো খেলতে না পারলে অভিযোগ করে লাভ নেই। কোনো দল ভালো খেলার পর বাড়তি সুবিধার কথা বলে লাভ নেই।’
‘হ্যাঁ, আমরা এখানে অনুশীলন করছি, ম্যাচ খেলছি। কিন্তু খেলা হচ্ছে ভিন্ন উইকেটে। এভাবেই সূচি ঠিক করা হয়েছে। এখানে তো কিছু করার নেই। এমন তো নয় যে, আমরা এখানে আসার পর কন্ডিশন বদলে গেছে।’
বিডি প্রতিদিন/নাজিম